জাতীয় ঐকমত্য কমিশন হয়েছিল বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একটি জাতীয় ঐকমত্য তৈরির উদ্দেশ্যে। সেখানে প্রায় ৩১টি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। আলোচনার সময় প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলতেন। সংবিধানে নানা ব্যাখ্যা দিতেন। এ কারণে এই আলোচনা দীর্ঘ হয়। তখন নানা মহল থেকে বলা হচ্ছিল বিএনপি সংস্কারবিরোধী। এ নিয়ে যখন আমরা টকশোতে আলোচনা করতাম, তখন বিএনপি নেতা এবং তাদের পক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলতেন, বিএনপি হলো সংস্কারের পাইওনিয়ার। বিএনপির ৩১ দফা এরই প্রমাণ। কাজেই বিএনপি সংস্কারবিরোধীÑএমনটি বলার কোনো সুযোগ নেই।
ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির চালচলন পাল্টে গেল। প্রথমে তারা গণভোটের রায়কে অস্বীকার করল। ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে রীতিমতো অবজ্ঞা করল। তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন থেকে পিছিয়ে গেল। গঠন করল সংবিধান সংশোধন কমিটি। বিরোধী দল এতে যোগ দেয়নি। বিএনপি নিজেরাই এই কমিটি গঠন করে এখন নানা ধরনের বয়ান দিচ্ছে। অথচ বিএনপির ৩১ দফার প্রথম দফাটি কী ছিল? প্রথম দফার শিরোনাম ছিল ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন’। এতে বলা হয়েছে, ‘বিগত এক দশক অধিককালব্যাপী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করিয়া রাখার হীন উদ্দেশ্যে অনেক অযৌক্তিক মৌলিক সাংবিধানিক সংশোধনী আনয়ন করিয়াছে। একটি সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করিয়া সকল বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও পরিবর্তনসমূহ পর্যালোচনা করিয়া এইসব রহিত/সংশোধন করা হইবে এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সাংবিধানিক সংস্কার করা হইবে। সংবিধানে গণভোট (Referendum) ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করিয়া জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হইবে।’ বিএনপি তার ৩১ দফাকে বলেছে ‘রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা’। ৩১ দফার শুরুতে বলা হয়েছে, ‘সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই এই ৩১ দফা প্রণীত হয়েছে।’
এখন আর অনেকে বিএনপির ৩১ দফার কথা বলেন না। জুলাই সনদ নিয়ে নেতারা নিশ্চুপ। গণভোটের রায় নিয়ে তারা কথা বলতে চান না। এসবের মধ্যেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এনেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপি কি পুরোনো পথে হাঁটার ঝুঁকি নিচ্ছে?
সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে বাইরে রেখে সমঝোতার ভিত্তিতে নতুন কিছু বিকল্প ধারণা বা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলোÑ
১. উচ্চকক্ষ ও উপরাষ্ট্রপতির পদ : সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এবং নিম্নকক্ষের মেয়াদ শেষ বা বিলুপ্ত হলেও উচ্চকক্ষ যদি বহাল থাকে, তবে সেখান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব এসেছে। এ ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষে ‘উপরাষ্ট্রপতি’ বা ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টি করে তাকে উচ্চকক্ষের স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২. স্পিকারের নেতৃত্বে সরকার : বিকল্প হিসেবে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষের স্পিকার নির্বাচিত হলে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
৩. উপদেষ্টা নিয়োগ : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্য উপদেষ্টাদেরও সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকেই নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখার পরামর্শ এসেছে।
৪. বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে বাইরে রাখা : অধিকাংশের মত ছিল, বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে এই প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ বাইরে রেখে রাজনৈতিক সমঝোতা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা।
যত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণই দেওয়া হোক না কেন, এর মূল উদ্দেশ্য একটাই—তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নিয়ন্ত্রণ বিএনপির হাতে রাখা, নিজেদের লোককেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বানানো। বিএনপি কি বিচারপতি কে এম হাসানের কথা ভুলে গেছে? বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরের রাজনৈতিক সংকটের পেছনে অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল বিচারপতি কে এম হাসানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ-সংক্রান্ত বিতর্ক।
বিএনপি সরকারের আমলে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হয়। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ ছিল, বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে ২০০১-০৬ মেয়াদের প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার লক্ষ্যেই এই বয়স বাড়িয়েছিল। কারণ, বিচারপতি হাসান একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বিরোধী দলগুলো বিচারপতি হাসানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন ও অবরোধ গড়ে তোলে। শেষ পর্যন্ত বিচারপতি হাসান প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতির কারণে যে তীব্র সংঘাত ও শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে ১/১১-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পথ সুগম করেছিল। এ ঘটনা বিএনপির জন্য বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার।
বিএনপি কেন ভুলে যায়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা শুধু একটি সাংবিধানিক বিষয় নয়। এটি নির্বাচন, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক আস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর একগুঁয়েমি দেশকে গভীর সংকটে ফেলতে পারে। অথচ সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার বদলে আবার যদি দলীয় সুবিধাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা পূরণ হবে কীভাবে?
বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবি জানিয়ে এসেছে। দলটির রাজনৈতিক ইতিহাসেও নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নানা অবস্থান ও বিতর্ক রয়েছে। আজ দলটি ক্ষমতায় থাকায় তার দায়িত্ব আরো বেশি। বিরোধী দলে থাকার সময় যে নীতিকে গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য বলে তুলে ধরা হয়েছে, ক্ষমতায় এসে সেই নীতির বাস্তব প্রয়োগে একই ধরনের আন্তরিকতা দেখানো হচ্ছে কি না, তা জনগণ অবশ্যই বিবেচনা করবে।
এখানেই বিএনপির জন্য বড় পরীক্ষা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নির্ধারণে যদি এমন কোনো অবস্থান নেওয়া হয়, যাতে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বজায় থাকে কিংবা বিরোধী দল নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দিহান হয়, তাহলে নতুন করে অবিশ্বাস তৈরি হবে। উচ্চকক্ষের ধারণাটি নিজে থেকেই নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দেয় না। উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন, তাদের রাজনৈতিক পরিচয়, সরকারপ্রধান নিয়োগের পদ্ধতি এবং মতৈক্য প্রতিষ্ঠার নিয়ম—সবকিছুই নিরপেক্ষ হতে হবে।
রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদল স্বাভাবিক ঘটনা। আজ যে দল ক্ষমতায়, আগামীকাল তাকে বিরোধী দলে যেতে হতে পারে। তাই সংবিধানে এমন ব্যবস্থা থাকা দরকার, যা কোনো দলের বর্তমান অবস্থান বিবেচনা করে নয়, বরং ভবিষ্যতের সব রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সমানভাবে কার্যকর হবে। বিএনপি যদি মনে করে, ক্ষমতায় থাকার কারণে নির্বাচনকালীন ব্যবস্থার প্রশ্নে তাদের বিশেষ সুবিধা থাকা উচিত, তাহলে সেটি গণতান্ত্রিক সমঝোতার ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে।
আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেনি; তারা রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন চেয়েছে। দলীয়করণ, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের যে অভিযোগ অতীতে উঠেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। নতুন সাংবিধানিক কাঠামো যদি পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই টিকিয়ে রাখে, তাহলে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি অর্থহীন হয়ে পড়বে।
বিএনপির জন্য তাই এখন প্রয়োজন রাজনৈতিক দূরদর্শিতা। বিরোধী দলের মতামতকে আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে না দেখে প্রকৃত সমঝোতার চেষ্টা করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন ও ক্ষমতার সীমা এমনভাবে নির্ধারণ করতে হবে, যাতে কোনো পক্ষ এককভাবে ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।
বিএনপি যদি অতীতের বিতর্ক থেকে শিক্ষা না নিয়ে আবার দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে তার রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এখনো আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির সুযোগ রয়েছে, যা ক্ষমতাসীন ও বিরোধী—উভয় পক্ষের জন্য সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হবে।
শেষ পর্যন্ত জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যের চেয়ে তাদের কাজের মূল্যায়ন করবে। বিএনপি কি ক্ষমতায় থেকেও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুত, নাকি নির্বাচনকালীন ব্যবস্থাকেও রাজনৈতিক সুবিধার হিসাবের মধ্যে রাখতে চায়—এই প্রশ্নের উত্তর দলটির আচরণেই স্পষ্ট হবে। গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপির উচিত, ক্ষমতার সাময়িক হিসাবের ঊর্ধ্বে উঠে এমন সাংবিধানিক সমঝোতায় পৌঁছানো, যা ভবিষ্যতের কোনো সরকারকে নির্বাচনব্যবস্থা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ দেবে না।
বিখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বার্ট্রান্ড রাসেল এমন একটি শাসনব্যবস্থার পক্ষে ছিলেন, যেখানে ক্ষমতাকে ‘তর্জন-গর্জন’ বা ‘দমন’ না করে ‘জনকল্যাণে’ ব্যবহার করা হবে। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রকৃত সুখী ও স্থিতিশীল সমাজ শুধু তখনই সম্ভব, যখন শাসনব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ও বিকেন্দ্রীভূত হবে; যেখানে শাসকরা বলপ্রয়োগের পরিবর্তে জনগণের সাধারণ ইচ্ছা, পারস্পরিক সহানুভূতি এবং বুদ্ধিমত্তাকে সম্মান জানাবেন।
সিসেরো (মার্কুস তুল্লিউস সিসেরো) ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত বক্তা, আইনজীবী, রাষ্ট্রনায়ক ও দার্শনিক। তিনি রোমান প্রজাতন্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যলেখক ও বাগ্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দ্য রিপাবলিক, দ্য লজ, অন ডিউটিজ—তার বিখ্যাত গ্রন্থ। এই সিসেরো বলেছেন, ‘সবচেয়ে অর্বাচীন ধারণা হচ্ছে এই বিশ্বাস, একটি জাতির রীতিনীতি ও আইনে যা আছে, তাই সঠিক। কিন্তু সেগুলো যদি স্বেচ্ছাচারী শাসক দ্বারা প্রণীত হয়, তাহলে? একটি জাতি যে অনেকগুলো মারাত্মক ধ্বংসাত্মক বিধি তৈরি করে, সেগুলো কেমন? এগুলোকে বিধি বলার চেয়ে একটি ডাকাতদলের সমাবেশে পাস করিয়ে নেওয়া নিয়ম বলাই ভালো। কারণ, যদি অজ্ঞ ও অদক্ষ মানুষদের ওষুধের পরিবর্তে মারাত্মক বিষ খেতে বলা হয়, তাহলে সেই পরামর্শকে নিশ্চয়ই ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বলা যাবে না। একটি জাতির যেকোনো আইনকে আইন বলে মানা ঠিক হবে না। একটি জাতি যদি সর্বনাশা কোনো আইন গ্রহণ করেও নেয়, তবু সেই আইনকে আইন বলে স্বীকার করে নেওয়া উচিত নয়।’
জুলাই বিপ্লবে এ দেশের তরুণরা সেটি দেখিয়েছেন। ক্ষমতায় থেকে নিজেদের সুবিধার জন্য যা ইচ্ছা, তা-ই করাÑসেই পরিস্থিতি বা পরিবেশ বাংলাদেশে এখন আর নেই। আরো স্পষ্ট করে বলি, জনরায়কে উপেক্ষা করে ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্রমূলক যেকোনো নীলনকশা বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করা শুধু কঠিনই নয়, অসম্ভব।
লেখক: সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন