আবু আহমেদ ফয়জুল কবির
প্রতি বছর সেপ্টেম্বর এলেই বিশ্বের চোখ নিউ ইয়র্কের দিকে যায়। জাতিসংঘের সদর দফতরে তখন জড়ো হন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নীতিনির্ধারকেরা। টেলিভিশনের পর্দায় আমরা দেখি একের পর এক নেতা বক্তৃতা দিচ্ছেন। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে—জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই আয়োজন কী মূলত বক্তৃতা দেওয়ার একটি আনুষ্ঠানিক মঞ্চ, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনও কার্যকর প্রক্রিয়া রয়েছে?
বাস্তবে সাধারণ পরিষদ শুধু বক্তৃতার মঞ্চ নয়। এটি জাতিসংঘের আলোচনা, নীতি প্রণয়ন ও প্রতিনিধিত্বের প্রধান অঙ্গ। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রই এখানে প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রত্যেক রাষ্ট্রের একটি করে ভোট রয়েছে। জাতিসংঘের অন্য কোনও প্রধান-অঙ্গে সব সদস্য রাষ্ট্র সমানভাবে বসার এই সুযোগ পায় না। সাধারণ পরিষদ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের পাশাপাশি ছয়টি প্রধান কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
তাহলে প্রতি বছর কেন এই অধিবেশন বসে? এর একটি সহজ উত্তর হলো—বিশ্বের সমস্যাগুলো স্থির নয়। একটি বছর যে প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, পরের বছর তার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে নতুন যুদ্ধ, নতুন মানবিক সংকট, জলবায়ু বিপর্যয়, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, শরণার্থী সংকট, প্রযুক্তির নতুন ঝুঁকি, কিংবা নতুন কোনও আন্তর্জাতিক বিরোধ। তাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ নিয়মিতভাবে বসে বৈশ্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান শোনে এবং বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথ খোঁজে। সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন প্রতিবছর সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়েও এর কার্যক্রম চলতে থাকে।
অধিবেশনের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ হলো General Debate বা সাধারণ বিতর্ক। এখানে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানেরা তাঁদের দেশের অবস্থান, উদ্বেগ, অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক প্রত্যাশা তুলে ধরেন। কিন্তু কাজটি সেখানেই শেষ নয়। বক্তৃতার বাইরে বিভিন্ন প্রস্তাবের খসড়া তৈরি হয়, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দর-কষাকষি ও পরামর্শ চলে, সংশোধনী নিয়ে আলোচনা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চেষ্টা করা হয়।
সাধারণ পরিষদের গৃহীত অধিকাংশ প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্তের মতো আন্তর্জাতিক আইনে সরাসরি বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে এসব সিদ্ধান্তের গুরুত্ব নেই। একটি প্রস্তাব কোনও বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বৃহত্তর অবস্থান প্রকাশ করতে পারে, রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে, আন্তর্জাতিক নীতি ও মানদণ্ড গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। আবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে ঘিরে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিপুল সংখ্যক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকও হয়—যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু, মানবিক সহায়তা কিংবা আঞ্চলিক সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি আলোচনা হয়। অর্থাৎ, সাধারণ পরিষদের দৃশ্যমান অংশটি যদি বক্তৃতা হয়, তাহলে তার অদৃশ্য অংশটি হলো আলোচনা, সমঝোতা, কূটনীতি এবং সহযোগিতা তৈরির দীর্ঘ প্রক্রিয়া।
এই জায়গা থেকেই বাংলাদেশের জাতিসংঘ-সম্পৃক্ততার ইতিহাসটিও গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়। এরপর থেকে প্রায় প্রতিটি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশ তার জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ, শান্তি, মানবাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরে এসেছে।
বাংলাদেশের জাতিসংঘ-যাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ১৯৮৬ সালে। সে বছর বাংলাদেশের কূটনীতিক ও তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ দুই দফায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছে ১৯৭৯-৮০ এবং ২০০০-০১ মেয়াদে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমেও বাংলাদেশের দীর্ঘ ও উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ রয়েছে। ১৯৮৮ সালে প্রথমবার বাংলাদেশি ইউনিফর্মধারী সদস্যরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেন। এরপর কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বড় অবদান রাখা দেশগুলোর একটি হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।
এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। এবারের অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি ২ জুন ২০২৬ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর সভাপতিত্বের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য- ‘‘Restoring Trust, Managing Transformation: A United Nations That Delivers for All’’—অর্থাৎ আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তনকে পরিচালনা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা।
ড. খলিলুর রহমানের সভাপতির দায়িত্বকে শুধু বাংলাদেশের জন্য একটি কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখলে বিষয়টির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বাদ পড়ে যায়। সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের নিয়ে কাজ করা, আলোচনা পরিচালনা করা, বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতার জায়গা তৈরি করা এবং সাধারণ পরিষদের কাজকে এগিয়ে নেওয়া। তিনি নিজেও নির্বাচিত হওয়ার পর বলেছিলেন সব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করতে এবং মতপার্থক্য অগ্রাহ্য না করে অভিন্ন জায়গা খুঁজে নিতে কাজ করবেন।
এবারের অধিবেশনের আলোচনায় সেই দায়িত্বের পরিধিও স্পষ্ট হচ্ছে। যুদ্ধ ও সংঘাত, উন্নয়ন, মানবাধিকার ও শরণার্থী, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থার সংস্কার—এসবকে ছয়টি আন্তসম্পর্কিত অগ্রাধিকারের মধ্যে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু সহনশীলতা, সমুদ্রপৃষ্ঠেরউচ্চতা বৃদ্ধি, শরণার্থী ও অভিবাসীদের সুরক্ষা, এআই-এর শাসনব্যবস্থা এবং ইউএন৮০ সংস্কার উদ্যোগ এবারের অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য এর মধ্যে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য কেবল পরিবেশগত প্রশ্ন নয়—এর সঙ্গে মানুষের জীবন-জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুতি ও উন্নয়নের প্রশ্ন জড়িত। ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে ৮১তম অধিবেশনে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকটও বাংলাদেশের জন্য এমন একটি বিষয়—যা জাতীয় সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে এবং নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে আসছে। ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানও রোহিঙ্গা সংকটকে একটি ‘grave human Crises’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এবারের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্যে ফিলিস্তিনের প্রশ্নও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান দীর্ঘদিনের। ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের প্রতি সমর্থন জানান।
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে এবারের অধিবেশনের শুরুতেই একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ১৭ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। ভোটে ১৫২টি রাষ্ট্র প্রস্তাবের পক্ষে এবং ৩টি রাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দেয়; ৪টি রাষ্ট্র বিরত থাকে।
ফিলিস্তিনের প্রশ্নটি তাই কেবল একটি আঞ্চলিক সংঘাতের প্রসঙ্গ নয়—এটি আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা, আন্তর্জাতিক আইন এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতার সঙ্গেও যুক্ত।
সাধারণ পরিষদে এ ধরনের প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের গুরুত্ব এখানেই—সব পক্ষের অবস্থান এক হবে না, কিন্তু আলোচনার একটি বৈশ্বিক পরিসর তৈরি হয়।
ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, শরণার্থী সংকট এবং প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তন—সব মিলিয়ে বর্তমান বিশ্ব এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, যখন কোনও দেশ একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রয়োজনীয়তা এখানেই। এটি কোনও বিশ্ব সরকার নয়—এর হাতে সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও নেই। কিন্তু ১৯৩টি দেশকে একই টেবিলে বসানোর মতো আর কোনও বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিসর নেই।
প্রশ্ন হতে পারে, এত আলোচনা, এত বক্তৃতা, এত প্রস্তাব—তাতে বাস্তবে কী পরিবর্তন আসে? উত্তরটি সব সময় তাৎক্ষণিক নয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তব রূপ নেয়, আবার কোনও ক্ষেত্রে বছরের পর বছর আলোচনা চলতে থাকে। অনেক সময় জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপ তৈরি করে, কোনও সংকটকে আন্তর্জাতিক এজেন্ডায় ধরে রাখে কিংবা ভবিষ্যৎ সমাধানের ভিত্তি তৈরি করে। আবার কখনও সদস্যরাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক মতপার্থক্য এত গভীর হয় যে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
তবু আলোচনার এই জায়গাটিই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নীরবতা অনেক সময় সমস্যাকে আরও দীর্ঘায়িত করে। কথা বলা, অবস্থান জানানো, ভিন্নমত শোনা এবং সমঝোতার সম্ভাবনা খোলা রাখা—এসবই কূটনীতির মৌলিক উপাদান। বাংলাদেশের জন্যও ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তাই শুধু নিউইয়র্কে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক আয়োজন নয়। এটি একইসঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন, জলবায়ু ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিনসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার কাঠামোর ভেতরে সক্রিয়ভাবে কাজ করার একটি পরিসর।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে তাই শুধু বক্তৃতার মঞ্চ হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত গুরুত্ব বোঝা যায় না। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে বিশ্বের বড় ও ছোট দেশ একই নিয়মে কথা বলার সুযোগ পায়; যেখানে বিরোধের পাশাপাশি সহযোগিতার সম্ভাবনাও খোঁজা হয়—যেখানে কোনও সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান না হলেও তাকে আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে রাখা যায়।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সব সমস্যার সমাধান এক বৈঠকে হয় না। কিন্তু আলোচনার দরজা খোলা রাখা, মতপার্থক্যকে আলোচনার ভেতরে নিয়ে আসা এবং সহযোগিতার সম্ভাবনা ধরে রাখা—অনেক সময় সেখান থেকেই সমাধানের পথ তৈরি হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব সম্ভবত এখানেই।
আবু আহমেদ ফয়জুল কবির: মানবাধিকার কর্মী