Image description

“গত তিন মাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সালাম করতে চাইলে তিনি আমার সালাম নিতেন না। আমি দেখলাম উনার চরণের ধুলো আমি পাই না। আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল—কেন উনি আমার সালাম নেন না। ‘না, থাক, থাক’ বলে সালাম করতে দিতেন না। কিন্তু সে সময় যে উনার মনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার নাম গ্রথিত হয়ে গেছে এবং সেজন্যেই যে উনি আমার সালাম নেওয়াটা বিব্রতকর মনে করতেন। এটা পরে বুঝলাম, আগে তো বুঝতাম উনি আমার ওপর বিরক্ত।”

উদ্ধৃতাংশটি সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর। রাতের ভোটের অবৈধ সংসদে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এভাবেও পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার অনুরাগ ও আনুগত্যের কথা প্রকাশ করেছিলেন। চরণধূলি নিতে না পারার আক্ষেপের ভিডিও এখন ভার্চুয়াল জগতে ঘুরছে। অবশ্য শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করার পুরোনো একটি ছবিও তখন ভাইরাল হয়েছিল।

বিগত দেড় দশকে রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষপদে বসানোর সিদ্ধান্ত যেমন সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের স্তম্ভিত করেছে, তেমনই এক অধ্যায়ের চূড়ান্ত যবনিকাপাত ঘটল আলোচিত ও বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে। ২০২৩ সালে সবাইকে হতবাক করে দিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বোচ্চ আসনে তার আসীন হওয়া যতটা বিস্ময়কর ছিল, জুলাই বিপ্লব-উত্তর বাংলাদেশে তার বিদায় দেশবাসীকে দিয়েছে ততটাই স্বস্তি।

২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসছিল, তখন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভেতরে-বাইরে সম্ভাব্য নাম নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, প্রবীণ সংসদ সদস্য, কিংবা সাবেক বিচারপতিদের নামই ভাসছিল গুঞ্জনের আকাশে। কিন্তু হঠাৎ করেই সব জল্পনাকল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে তৎকালীন স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা এমন এক ব্যক্তির নাম সামনে নিয়ে এলেন, যা দেশবাসীকে যারপরনাই বিস্মিত করেছিল।

মো. সাহাবুদ্দিন—সাবেক এক বিচারক এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার; ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও অঘোষিত নিয়ন্ত্রক। জাতীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি ছিল একেবারেই প্রান্তিক। শেখ হাসিনার অনুগত ও অনুকম্পাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গভবনের চাবিকাঠি তার হাতে সঁপে দেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, একজন মেরুদণ্ডসম্পন্ন, নিরপেক্ষ বা জনমানসে গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রপতি নয়, বরং তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসক এমন একজনকে সেই পদে চেয়েছিলেন, যিনি বিনা প্রশ্নে গোলামি করবেন, হুকুম তামিল করতে দ্বিধা করবেন না এবং ন্যায়-অন্যায়ের পরখ করবেন না।

তার এই নিয়োগ কেবল সাধারণ মানুষকে অবাক করেনি, বরং আওয়ামী লীগের ভেতরের অনেক শীর্ষ নেতাকেও হতবাক করেছিল। কীভাবে দুদকের সাবেক এক কমিশনার, যিনি পদ্মা সেতু দুর্নীতির মামলায় অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী তথা সরকারকে ক্লিন চিট দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সর্বোচ্চ আসনে আসীন হলেন—তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। বঙ্গভবনের পদটিকে আওয়ামী লীগের তথা শেখ হাসিনার স্বার্থরক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই যে এই নিয়োগ, তা বুঝতে রাজনীতি-সচেতন কারো বাকি ছিল না।

ভারতীয় নাগরিক শম্পা গোস্বামীর কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্যputul
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর প্রতিটি পদক্ষেপে নিরপেক্ষতার চেয়ে দলীয় ও ব্যক্তি হাসিনার আনুগত্য প্রকাশ পেয়েছে বেশি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক হওয়ার পরিবর্তে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাসিস্ট শাসকের আস্থার প্রতীক। দেশে যখন একতরফা নির্বাচন, বিরোধী দলের ওপর নিষ্ঠুর ও অমানবিক দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের উৎসব চলছিল, তখন বঙ্গভবন নিশ্চুপ দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

সাংবিধানিক পদের মানমর্যাদার তোয়াক্কা না করে শেখ হাসিনার বন্দনায় মুখর থাকা এবং ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার সব পদক্ষেপে বিনা প্রশ্নে স্বাক্ষর করে যাওয়া ছিল তার প্রতিদিনের কাজ। রাষ্ট্রপতির এই অন্ধ অনুগত ভূমিকা দেশের বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিল। জনগণের আস্থা হারানো সেই বঙ্গভবন কেবল একটি ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল, যেখানে সাধারণ মানুষের করুণ আর্তনাদ পৌঁছানোর কোনো সুযোগ ছিল না।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অবিস্মরণীয় রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটচিত্র সহসা বদলে দেয়। ছাত্র-জনতার অকুতোভয় ও বীরোচিত প্রতিরোধের মুখে ৫ আগস্ট গণহত্যাকারী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। ৫ আগস্ট বিকালেই ভিন্ন চেহারায় দেখা যায় কদমবুসি রাষ্ট্রপতিকে। সরকারবিহীন টালমাটাল সময়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।’ কিন্তু এর কিছুদিন পরেই ঘটল আরেক অভাবনীয় ঘটনা। একটি সংবাদপত্রের সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চুপ্পু দাবি করেছিলেন, তার কাছে শেখ হাসিনার কোনো পদত্যাগপত্র নেই! তিনি নাকি শুনেছেন তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু লিখিত কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।

একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের এমন স্ববিরোধী, অসংগতিপূর্ণ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সারা দেশে ক্ষোভের দাবানল জ্বালিয়ে দেয়। একজন রাষ্ট্রপতি জাতির সামনে এক কথা বলেন এবং কিছুদিন পর নিজেই নিজের ওই বক্তব্যকে অস্বীকার করার বিরল ও নিকৃষ্ট উদাহরণ সৃষ্টি হয়। ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে অস্থির করার এবং গণঅভ্যুত্থানকে অকার্যকর প্রমাণ করার অপচেষ্টা হিসেবেই দেশবাসী ফ্যাসিস্ট দোসর চুপ্পুর এই অবস্থানকে প্রত্যক্ষ করে। শেখ হাসিনার পলায়নের পর নতুন সরকার গঠিত হলেও বঙ্গভবনে বসে থাকা পতিত স্বৈরাচারের এক অনুগত অভিভাবককে দেশবাসী আর বরদাস্ত করতে পারছিল না।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের এই দ্বিমুখী বক্তব্যের পর দেশজুড়ে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটিসহ সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা বঙ্গভবন ঘেরাও করে এবং তার অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানায়। দেশের আপামর জনতার দাবি ছিল একটাই—জুলাই গণহত্যা ও ফ্যাসিবাদী শাসনের সহযোগীদের কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখা যাবে না।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার পদত্যাগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়। ইসলামি দলগুলোসহ বহু রাজনৈতিক দল এক বাক্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে। যদিও সাংবিধানিক শূন্যতা কিংবা রাজনৈতিক জটিলতার আশঙ্কায় কিছু দল শুরুতে কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছিল, কিন্তু মো. সাহাবুদ্দিনের নৈতিক অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগই একমাত্র অনিবার্য পরিণতি হয়ে দাঁড়ায়।

যে রাষ্ট্রপতি নিজের সততা, নিরপেক্ষতা এবং পদের মর্যাদা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন, তিনি কীভাবে একটি সংস্কার ও পুনর্গঠনমুখী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন—এই প্রশ্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রমেই জোরালো হয়ে ওঠে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত রাজনৈতিক চাপের মুখেই তার বিদায়ের ঘণ্টা বেজে ওঠে।

অবশেষে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও ছাত্র-জনতার অনড় দাবির মুখে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মাধ্যমে অবসান ঘটল একটি চরম বিতর্কিত মেয়াদের। তার বিদায়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে একধরনের স্বস্তির হাওয়া বয়ে যায়।

এই বিদায় কেবল এক ব্যক্তির পদত্যাগ নয়; বরং তা ছিল স্বৈরাচার ও তোষামুদে রাজনীতির আরেকটি স্তম্ভের পতন। মো. সাহাবুদ্দিনের পতন আমাদের এই শিক্ষা দেয়, জনগণের সমর্থন ও নৈতিক ভিত্তি ছাড়া কেবল দলীয় আনুগত্যের জোরে অর্জিত কোনো পদই স্থায়ী হতে পারে না।

সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ঢাল হয়ে দাঁড়ান নারীরাওkurigram-1
রাষ্ট্রপতির এই বিদায়ে দেশবাসী স্বস্তি পাওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো—১. বঙ্গভবনকে চাটুকারিতা ও ফ্যাসিবাদের প্রভাবমুক্ত করার যে লড়াই ছাত্র-জনতা শুরু করেছিল, তা পূর্ণতা পেল। ২. চব্বিশের ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিপ্লবকে নস্যাৎ করার যেকোনো অভ্যন্তরীণ চক্রান্তের ঝুঁকি ও পথ অনেকটাই বন্ধ হলো। ৩. রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং অসত্যভাষী কোনো ব্যক্তির হাতে রাষ্ট্রের অভিভাবকত্ব না থাকার স্বস্তি মিলল।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অধ্যায় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংবিধানের ইতিহাসের এক বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। এটি প্রমাণ করেছে, দলীয় স্বার্থে দেশের সর্বোচ্চ পদে অযোগ্য ও অনুগত ব্যক্তিকে বসানোর পরিণতি কখনো শুভ হতে পারে না।

বাংলাদেশ আজ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনই সবচেয়ে বড় শক্তি। আগামী দিনে বঙ্গভবনে কে বসবেন, তা নির্ধারিত হতে হবে মেধা, দেশপ্রেম, নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থার ভিত্তিতে—কোনো ব্যক্তিস্বার্থ বা দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে নয়।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিদায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে স্বস্তির বার্তা এনে দিয়েছে, সেই স্বস্তিকেই শক্তিতে পরিণত করে একটি গণতান্ত্রিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক নতুন পথচলার অঙ্গীকার।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—বঙ্গভবনে পরিবর্তন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শারীরিক অসুস্থতা ও পদত্যাগের আলোচনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরূকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী শাসনকালের বিদায়-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এবং দেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বঙ্গভবনের চাবিকাঠি কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে। প্রশ্ন উঠেছে, বিএনপির ‘রাষ্ট্রপতি-ভাগ্য’ কি দলীয় কোনো জ্যেষ্ঠ নেতার হাতে খুলছে, নাকি রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় কোনো সর্বজনগ্রাহ্য নতুন মুখ আসছে?

বঙ্গভবন ছাড়লেও চুপ্পু এখনো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবলয়েsahabuddin-2
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদে বিএনপির বর্তমান দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

দলের ভেতরে স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান কিংবা নজরুল ইসলাম খানের মতো পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে বিএনপির হাইকমান্ড দেখেশুনে কৌশলী পা ফেলার পথে হাঁটছে। দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্য থেকে কাউকে বঙ্গভবনে পাঠিয়ে ত্যাগের মূল্যায়ন করা হতে পারে। আবার রাজনৈতিক বিতর্ক এড়াতে এবং সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ বা প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি পদটি আলংকারিক হলেও সংকটকালে এটি সাংবিধানিক অভিভাবকত্বের প্রতীক। বঙ্গভবনে নতুন মুখের আগমনি বার্তা বিএনপির জন্য কেবল সরকার পরিচালনার অংশ নয়, বরং রাজনৈতিক পরিপক্বতার বড় পরীক্ষা।

লেখক : এম আবদুল্লাহ

যুগ্ম সম্পাদক, আমার দেশ