আহসান হাবিব বরুন
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা স্থায়ী শত্রু বলে কিছু নেই; আছে কেবল জাতীয় স্বার্থ। যে রাষ্ট্র নিজের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আত্মমর্যাদা, ভারসাম্য ও বাস্তববাদের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে পারে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্রই সম্মান, আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহ অনেক বিশ্লেষকের মতে দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারের নতুন উদ্যোগ এবং একই সময়ে ভারতের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নতুন এক মোড়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া নিছক প্রোটোকল ছিল না; বরং এটি ছিল একটি সুস্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তা। কুয়ালালামপুরে তাকে যে আন্তরিকতা, উষ্ণতা ও রাজনৈতিক গুরুত্বের সঙ্গে স্বাগত জানানো হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত বহন করে।
শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আলোচনা হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা।
মালয়েশিয়ার পর চীন সফর সেই কূটনৈতিক ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লালগালিচা সংবর্ধনা, গার্ড অব অনার এবং উচ্চপর্যায়ের অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। একই সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের নতুন অধ্যায়ও সূচিত হয়েছে। এসব পদক্ষেপ ইঙ্গিত করে যে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এখন কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন বা অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং রাজনৈতিক আস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।
চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আজকের বিশ্বে উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও বাজার—আর এই তিন ক্ষেত্রেই চীন বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
চীন সফরের আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন, নীরবতা পালন এবং বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়; আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এটি পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার প্রতীক। এ ধরনের প্রতীকী কূটনীতি রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ককে আরও গভীর করে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বেইজিংয়ে 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ' ফোরামে প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন, বিদেশি বিনিয়োগ সহজ করতে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের কথা বলেছেন।
আনোয়ারা ও মোংলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে নদী ব্যবস্থাপনা, তিস্তা প্রকল্প, পানি সম্পদ উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও বহুমাত্রিক করেছে।
এই পুরো সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, পানিসম্পদমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এটিই প্রমাণ করে যে সফরটি কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ।
ঠিক এই সময়েই ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা এবং সীমান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ঘটনাগুলোর সময় নির্বাচন অনেক পর্যবেক্ষকের কাছেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর পর ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানেও দৃশ্যমান পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। যদিও এসব সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ভারতই দিতে পারে, তবুও কূটনৈতিক মহলের একটি অংশ মনে করেন, বাংলাদেশকে নতুন বাস্তবতায় আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বহু উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধন যেমন সম্পর্কের ভিত্তি নির্মাণ করেছে, তেমনি সীমান্ত হত্যা, তিস্তার পানিবণ্টন, বাণিজ্য বৈষম্য, ভিসা জটিলতা এবং সীমান্ত উত্তেজনা বহুবার দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি করেছে। এসব বিষয়ের স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান এখনো দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশা।
আমার বিশ্বাস, পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভারত যদি শুরু থেকেই পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিত, তাহলে শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কই নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাও আরও ইতিবাচক হতে পারত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ভারত সেই সুযোগটি যথাসময়ে কাজে লাগাতে পারেনি আধিপত্যবাদী নীতির কারণে।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফরকালে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ, সীমান্ত ইস্যুতে প্রথমবারের মতো ভারতের ইতিবাচক বক্তব্য এবং ঢাকায় নতুন কূটনৈতিক তৎপরতাকে আমি সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখতে চাই।
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, সীমান্তে ভারতের অবৈধ পুশ ইনের অপচেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ভারত এতদিন সম্পূর্ণ নীরব ছিল। অন্যদিকে প্রায় ২২ মাস ধরে ভিসা বন্ধ থাকলেও ভারত এই সময়ের মধ্যে কোনো ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি। এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাসে দিল্লী প্রথমবার কেবিনেট মন্ত্রী পদ মর্যাদা দিয়ে হাইকমিশনার ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠিয়েছে।
এসব পদক্ষেপের কারণ নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বাংলাদেশ আজ এমন একটি রাষ্ট্র, যাকে উপেক্ষা করে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো কার্যকর আঞ্চলিক কৌশল নির্মাণ করা সহজ নয়।
আজকের বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো এখন দক্ষিণ এশিয়াকে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছে। বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক সংযোগ, সরবরাহ ব্যবস্থা, উৎপাদনশিল্প, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নীল অর্থনীতির কারণে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো ভারসাম্যপূর্ণ ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি। কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সবার সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণই হতে পারে আগামী দিনের সবচেয়ে সফল কৌশল।
বাংলাদেশ যদি চীন থেকে বিনিয়োগ, মালয়েশিয়া থেকে শ্রমবাজার, ভারত থেকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, জাপান থেকে অবকাঠামো উন্নয়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে রপ্তানি বাজার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চপ্রযুক্তি ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে, তাহলে সেটিই হবে একটি পরিপক্ব ও আত্মবিশ্বাসী পররাষ্ট্রনীতির পরিচয়।
এখানে আরেকটি বিষয় বলে রাখা দরকার যে, পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য কেবল লালগালিচা সংবর্ধনা, যৌথ বিবৃতি কিংবা আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি একটি প্রাথমিক সাফল্য হলেও এর প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হয় কি পরিমান নতুন বিনিয়োগ এলো, কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলো, কত প্রযুক্তি স্থানান্তর হলো, কত নতুন বাজার উন্মুক্ত হলো এবং দেশের সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হলো—এসব সূচকের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় সবকিছু।
আমার কাছে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—আত্মমর্যাদা, বাস্তববাদ এবং জাতীয় স্বার্থনির্ভর কূটনীতি শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্মান আদায় করে। বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক সক্রিয়তা সেই সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আরও বহু দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে আগ্রহী হবে।
ভারতের সাম্প্রতিক ইতিবাচক পদক্ষেপগুলোকে আমি সেই পরিবর্তিত বাস্তবতারই অংশ হিসেবে দেখতে চাই। এটিকে কোনো পক্ষের বিজয় বা পরাজয় হিসেবে নয়; বরং দক্ষিণ এশিয়ায় আরও পরিণত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং পারস্পরিক সম্মানভিত্তিক সম্পর্কের দিকে অগ্রযাত্রা হিসেবে দেখাই অধিক যুক্তিযুক্ত। কারণ শেষ পর্যন্ত স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ।
ভারতের এই বিলম্বিত বোধোদয়কে তাই আমি 'মন্দের ভালো' বলেই মনে করি। কারণ কখন উপলব্ধি এসেছে, সেটি যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো—দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ যেন আধিপত্যের নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নির্মিত হয়।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং হয়ে ঢাকার যে নতুন কূটনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তা যদি একইভাবে জাতীয় স্বার্থ, ভারসাম্য ও বাস্তববাদের ভিত্তিতে এগিয়ে যায়, তবে বাংলাদেশ আগামী দশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি হিসেবে নিজস্ব অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে। তখন সার্বভৌম কূটনীতি শুধু একটি নীতি হয়ে থাকবে না; এটি হবে বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সুতরাং সার্বভৌম ও স্বনির্ভর কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন