Image description

মেহেদী হাসান

বিদ্যুতের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন দেশের মানুষ। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে মাফিয়া শাসক শেখ হাসিনার পতন হলেও দেশের অনেক ক্ষেত্র এখনো মুক্ত হয়নি মাফিয়াতন্ত্রের বেড়াজাল থেকে। বিদ্যুৎ খাত এর অন্যতম উদাহরণ। দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে যে নৈরাজ্য বিরাজ করছে, তাকে মোটা দাগে দুই পর্বে ভাগ করা যায়। ২০০৯-পূর্ববর্তী ও ২০০৯-পরবর্তী অবস্থা। ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রধান সমস্যা ছিল চাহিদার ‍তুলনায় বিদ্যুতের তীব্র ঘাটতি, অসহনীয় বিপর্যয়। স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি সরকারের বিদ্যুৎ খাতে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পরিণতি ছিল ভয়াবহ সেই বিপর্যয়ের মূল কারণ।

বিদ্যুৎ খাতের এই বিপর্যয়কে পুঁজি করে মাফিয়া শাসক শেখ হাসিনা দীর্ঘ দেড় দশকে এই খাতে সীমাহীন নৈরাজ্য আর লুটপাটের এক মহাসুযোগ পান । তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের জরুরি সমাধানের নামে ২০০৯ সালে বিনাটেন্ডারে ৩২টি কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর বিনা টেন্ডারে ৭২টি রেন্টাল ও ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার বা আইপিপি স্থাপন করা হয়। দেশে তখন প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ দুই থেকে আড়াই টাকা হলেও কুইক রেন্টাল থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কেনা হয় ৬ টাকা দরে এবং একপর্যায়ে তা বেড়ে ২৬ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। প্রথমে সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য কুইক রেন্টাল কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হলেও ১৬ বছর পরও তা বহাল রাখা হয়। বিনাটেন্ডারে অনুমোদন দেওয়া এসব বিতর্কিত বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য দায়মুক্তি আইন পাসসহ আদালতে যাওয়ার পথও বন্ধ করা হয়।

বিদ্যুৎ ছাড়া বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতা অচল। বিদ্যুতের অভাবে প্রতিদিন তখন লাখ লাখ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজকর্ম বন্ধ রেখে বসে থাকতে হতো শিল্প-কারখানায়। এ যন্ত্রণা ছিল অসহনীয়। মানুষ তখন বিদ্যুতের জন্য মরিয়া। তাই অতি উচ্চ দামের ও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে গণবিরোধী এই বিদ্যুৎব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি। আর এ সুযোগে পরে দেশের অসহায় মানুষকে আওয়ামী মাফিয়া সরকার জিম্মি করে ফেলে এই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে। অসহায় মানুষ বাধ্য হন দীর্ঘকাল পর্যন্ত বিদ্যুতের জন্য অতি উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে। কিন্তু তারপরও আজ পর্যন্ত রাজধানী ছাড়া গ্রাম অঞ্চলে গভীর রাত ছাড়া বিদ্যুৎ মেলে খুব কম।

শেখ হাসিনা সরকার বিনাটেন্ডারে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দিয়েছিল, তার সবই দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের লোকজনকে। এর মাধ্যমে বস্তুত সরকার বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের এক স্বর্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। আওয়ামী আমলে দেশে দৈনিক ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়; কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো সক্ষমতার অর্ধেক। বিদ্যুৎ না কিনেও সরকার এসব কেন্দ্র সচল রাখার জন্য ক্যাপাসিটি চার্জের নামে মালিকদের ১৬ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধ করেছে। অতি উচ্চ দামে বিদ্যুৎ ক্রয়, বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জসহ আরো বিভিন্ন ধরনের লুটপাটের কারণে বিদ্যুৎ খাতে সরকারি লোকসানের পরিমাণ রকেট গতিতে বাড়তে থাকে। ২০০৯ সালের আগে যেখানে বার্ষিক লোকসানের পরিমাণ ছিল মাত্র ৮৫০ কোটি টাকা, বর্তমানে তা ৫৫ হাজার কোটি টাকা । ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি দেওয়া হয় ৩৯ হাজার কোটি টাকা। বিপুল এই ভর্তুকির ৮০ শতাংশই চলে যায় ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধে, তথা আওয়ামী মাফিয়াদের পকেটে।

২০০৯ সালের আগে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৮০ ভাগ ছিল সরকারের মালিকানায়। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার দেশের ৮২ ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মালিকানা ছেড়ে দেয় বেসরকারি, তথা দলীয় লোকজনের খাতে। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, জাতীয় নিরাপত্তাসহ অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ এই খাতকে ভারতের ওপর পর্যন্ত নির্ভরশীল করা হয়। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতের অনুগ্রহ পেতে শেখ হাসিনা সরকার মোদির একান্ত আস্থাভাজন বিতর্কিত ব্যবসায়ী গৌতম আদানির আদানি গ্রুপের সঙ্গে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করে ২০১৭ সালে। বস্তুত এটি ছিল বিদ্যুৎ আমদানির নামে হাসিনা সরকারের মোদির কোষাগারে নগদ অর্থ তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা। ভারতে যেখানে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬ থেকে ৭ টাকা, সেখানে বাংলাদেশ আদানির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনছে ১৪ টাকায়। এর ফলে প্রতিবছর বাংলাদেশকে ৬ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। আর এ চুক্তি হাসিনা করেছে ২৫ বছরের জন্য।

আওয়ামী বিদ্যুৎ সিন্ডিকেট ও ভারতের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়, ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের জন্য দেড় দশক ধরে যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ বা লুটপাট করা হয়েছে, এর সবই সরকার আদায় করেছে জনগণের পকেট থেকে। আর লুটের এ অর্থের জোগান দিতে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার মূল্য।

দেড় দশক ধরে বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী লীগের লুটপাটের মূল্য পরিশোধ করেছে দেশের অসহায় জনগণ। কিন্তু গভীর পরিতাপের বিষয় হলো, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পরও বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী লীগের নজিরবিহীন সেই লুটপাটের দায় এখনো জনগণের ওপরই চাপানো রয়েছে। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকারের পর বর্তমান সরকারও বহাল রেখেছে আওয়ামী আমলে বিদ্যুৎ খাতের গণবিরোধী ও দেশবিরোধী সেই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী মাফিয়াদের পকেট ভারী করার ধারা অব্যাহত রাখার জন্য বর্তমান সরকারও বাড়িয়ে চলছে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম । এখন প্রশ্ন, এ দেশের হতভাগ্য জনগণ বিদ্যুতের জন্য আর কত মূল্য পরিশোধ করবে? বিদ্যুৎ খাতে কবে কীভাবে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং মানুষ কবে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ পাবেন? নাকি এভাবেই মানুষ বিদ্যুতের কাছে আজীবন জিম্মি হয়ে থাকবেন?

আওয়ামী মাফিয়া চক্র নিয়ন্ত্রিত ২১টি কুইক রেন্টাল, রেন্টাল ও ৫৭টি আইপি থেকে এখনো উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনা অব্যাহত রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার সামিট গ্রুপের পাঁচটি কোম্পানিকে পরিশোধ করেছে ৫ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। এভাবে আরো কয়েকটি কোম্পানি পেয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকার বিনাটেন্ডারে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দায়মুক্তি আইন বাতিল করলেও বহাল রাখে অনেক কালো চুক্তি। তবে এক ডজনের মতো কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার। বর্তমান সরকারও দায়মুক্তি আইন সংসদে বাতিল করলেও বহাল রেখেছে আওয়ামী মাফিয়া চক্রের হাতে থাকা বিনাটেন্ডারে স্থাপিত কুইক রেন্টাল, রেন্টাল ও আইপিপি কেন্দ্র থেকে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি। একটি দেশের বিদ্যুৎ খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য দেড় যুগ অনেক দীর্ঘ সময়। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার দেশের বিদ্যুৎ খাত দীর্ঘ মেয়াদে শক্তিশালী করা নয়; বরং তা ধ্বংসের নীতি বাস্তবায়ন করেছে। বিদ্যুৎ খাত নিয়ন্ত্রণকারী আওয়ামী মাফিয়া গোষ্ঠী ও নীতিনির্ধরকরা এতই দেশবিরোধী ছিল যে, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য দেশের অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস বসিয়ে রাখার ব্যবস্থা করে। পটুয়াখালী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল তার একটি উদাহরণ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগে বেরিয়ে আসে বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী মাফিয়া চক্রের একটি জঘন্য চিত্র।

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর আওয়ামী আমলে বিনাটেন্ডারে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি বাতিলের দাবি তোলা হয়েছে বারবার। কিন্তু এ ক্ষেত্রে একটি মহল বারবার ভয় দেখিয়েছে আইনি জটিলতাসহ আরো বিভিন্ন বিষয়ে। তাদের মতে, এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করলে বিপদে পড়তে হবে সরকারকে। যারা এ ভয় দেখাচ্ছে তাদের সঙ্গে মাফিয়া ও ফ্যাসিবাদের যোগসাজশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রশাসনসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিষ্ঠানে বহাল ছিল মাফিয়া ও ফ্যাসিবাদের দোসররা। নির্বাচিত সরকার গঠনের পরও এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। বস্তুত যে প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করেছে, যেভাবে লুটপাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে পৃথিবীর কোনো আদালতে যদি ন্যূনতম ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা থাকে, তাহলে এই সীমাহীন অনাচার টেকার কথা নয়। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর অপরিহার্য ছিল এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি সরকারের মালিকানায় নেওয়া এবং আওয়ামী মাফিয়া চক্রকে বিদ্যুৎ কেনা ও ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ অর্থ পরিশোধ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ কেনার নামে ১৬ বছর ধরে জনগণের অর্থ লুটের বিরুদ্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ওই মালিকদের বিচারের আওতায় আনা এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করার দরকার ছিল। অন্তত সরকার যদি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জব্দ করত, তাহলে জনগণ কম দামে বিদ্যুৎ পেত এবং ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করেছে, তা কিছুটা হলেও ফেরত পেতেন সাধারণ মানুষ। এটি করতে পারলে আজ বিদ্যুতের লোকসান কমানোর নামে মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন হতো না।

আওয়ামী আমলে নির্মিত কুইক রেন্টাল, রেন্টাল ও আইপিপি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলো চলে জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের সাহায্যে। দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকটের অন্যতম কারণ এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র। একসময় দেশের ৯০ ভাগের বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র চলত জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সাহায্যে। বর্তমানে দেশে যে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তার প্রায় ৫০ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ২০ ভাগ জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকটের কারণে বারবার সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং এর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ জাতীয় জীবনের সবক্ষেত্রে।

বাংলাদেশ তার প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ আমদানি করে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য ও পরিবেশসম্মত আধুনিক টেকসই অনেক ব্যবস্থা থাকার পরও এভাবে মূল্যবান গ্যাস ও তেল পুড়িয়ে আর কতকাল বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, সে বিষয়েও জরুরি ভিত্তিতে ভাবা দরকার। অবিলম্বে বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থাকে ফসিল ফুয়েলনির্ভরতা থেকে বের করতে না পারলে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী যে জ্বালানি সংকট চলছে, তাতে এ খাত দ্রুত আরো বিপর্যয়ের কবলে পড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আজ দেশের বিদ্যুৎ খাতের এই ‍দুরবস্থা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অতিশয় লজ্জার। সরকারের উচিত অবিলম্বে আওয়ামী আমলের বিনা টেন্ডারে স্থাপিত সব বিদ্যুৎকেন্দ্র জব্দ করা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা। কারণ এটি অতিশয় বিস্ময়কর যে, বিদ্যুৎ খাতের আওয়ামী লুটেরা ও মাফিয়াদের অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে; কিন্তু সরকার এখনো তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিদ্যুৎ কেনা বাবদ উচ্চমূল্য পরিশোধ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জ পর্যন্ত। এটি কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। একই সঙ্গে ভারতের আদানির কাছ থেকেও উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কেনা বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

লেখক : সহকারী সম্পাদক, আমার দেশ