“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতির রুম থেকে পুলিশের লুট হওয়া অ:/স্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী এগুলো দিয়েই সমগ্র বাংলাদেশে জ:/ঙ্গিবাদের উত্থান ঘটাতে চাচ্ছে” এ ধরনের দাবিতে একটি ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউব , টিকটক এবং এক্সসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও ভিডিওটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রদল সভাপতির রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতেও প্রচার হতে দেখা গেছে।
এ সম্পর্কিত কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
তবে এশিয়া পোস্টের যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রচারিত ভিডিওটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েরই নয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ১ মিনিট ৩ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, সাধারণত পুলিশ ব্যবহার করে এমন বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, হ্যান্ডকাফ, ওয়াকিটকি কয়েকটি টেবিলে রাখা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে শিবির ও ছাত্রদল সভাপতির রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে ভিডিওটি নতুন করে পোস্ট করতে দেখা যায়। প্রচারিত দাবিটি বিশ্বাস করে প্রতিক্রিয়া, মন্তব্য এবং শেয়ার করতে দেখা গেছে নেটিজেনদের।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ইনভিডে কী-ফ্রেম বিশ্লেষণ করলে ২০২৪ সালের ১৮ আগস্টে করা মূল পোস্টটি পাওয়া যায়। পোস্টটি করেন দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং প্রতিনিধি শওকত হোসেন। মূল পোস্টের ক্যাপশনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অস্ত্রগুলো মূলত জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী থানা থেকে লুট হয়, যা সেনাবাহিনী উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এছাড়াও সম্পর্কিত কী-ওয়ার্ড সার্চ করে দেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে ঘটনাটি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ সম্পর্কিত কয়েকটি সংবাদ দেখুন এখানে এবং এখানে।
অর্থাৎ, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির এবং ছাত্রদল সভাপতির রুম থেকে পুলিশের লুট হওয়া অ:/স্ত্র উদ্ধার দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি মিথ্যা। মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার অস্ত্র উদ্ধারের ভিডিওটি শিবির ও ছাত্রদলের নামে প্রচার করা হচ্ছে।