Image description

২৩ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে “চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি” শিরোনামে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু তাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রশংসা করেন। 

প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁকে অপসারণের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিএনপি ও তাদের জোট সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাঁর পাশে ছিল।

তিনি আরও বলেন, “ওই কঠিন সময়েও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিলেন। তাঁরা তখনো সংবিধানের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে আমার মনের মধ্যে অনেক কৌতূহল জমা ছিল।”

২৪ ফেব্র্রুয়ারি “রাষ্ট্রপতির আরো বিস্ফোরক তথ্য” শিরোনামে সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ প্রকাশিত হয়। এখানেও তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

তারেক রহমানের ব্যাপারে মুগ্ধতা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার তো খুব অল্প সময় তাঁকে দেখা। টুকটাক কিছু কথা হয়েছে। দেখলাম যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি উনার মধ্যে আছে। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। এই কয় দিনের যে কার্যক্রম, তাতে আশাবাদী হওয়া যায়, বিশেষ করে উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে। তাই দেশের ভালো করবেন তিনি, এই বিশ্বাস রাখি। তাঁর বাবা ছিলেন রাষ্ট্রপতি, মা ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আমি বিশ্বাস করি না যে আমরা কোনো নতুন দুর্যোগে পড়ব। তিনি যেন আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যান, এটাই আমার কামনা।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর এসব ইতিবাচক বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতুহল সৃষ্টি করেছে।  কারণ বিগত আওয়ামী আমলে সময়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিষোদগার করতে দেখা যায় তাকে। এছাড়া তদন্তের নামে হেনস্তা করেন জিয়া পরিবারের সদস্যদেরও। 

অতীতে সরকারি দায়িত্বপালন কালে বর্তমান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু কিভাবে বিএনপিও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ও আওয়ামী লীগের পক্ষে ভূমিকা পালন করেন তা নিম্নে তুলে ধরা হলো। 

 

রাষ্ট্রপতি পদে থেকে জিয়া ও খালেদাকে নিয়ে বিষোদগার

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। তিনি আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের সকল শাখার আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (কমান্ডার ইন চিফ)। অর্থাৎ তিনি সরকার প্রধান নন তবে রাষ্ট্রের প্রধান। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি হওয়া স্বত্তেও রাষ্ট্রপতি পদে থাকা অবস্থায়ই শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষোদগার মূলক কথা বলতে দেখা যায় সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে।  

২০২৪ সালের  ১৮ মে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু সরকার একাত্তরের গণহত্যাকারী মানবতাবিরোধী অপরাধী ও যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন কিন্তু ৭৫ এর পর অবৈধ সামরিক সরকার এই বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। একসময় এরশাদ এরশাদের হাত ধরে জিয়াউর রহমান, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার বেগম, বেগম জিয়া এদের সময় মহান মুক্তি যুদ্ধের চেতনা তছনছ হয়েছে এবং সংবিধানকে একটি সাম্প্রদায়িক সংবিধানে তারা পরিণত করেছিল।”

এ বক্তব্যে মাধ্যমে তিনি বিএনপি নেতৃত্বের শাসনকালকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে তুলে ধরেন।

 

দুদকে দায়িত্ব পালনকালে খালেদা জিয়াকে চ্যালেঞ্জ 

সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০১১ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে দুদক। 

 

 

বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন সময় দুদককে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেন। খালেদা জিয়ার এসব অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে তৎকালীন দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু তাকে কটাক্ষ করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। 

৯ ডিসেম্বর ২০১৪-এ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে “খালেদাকে দুদকের চ্যালেঞ্জ” শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে থেকে জানা যায়, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বেগম জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “ইদানিং লক্ষ্য করছি একটি দলের প্রধান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সমাবেশে দুদককে ব্যঙ্গ করে ‘দুর্নীতি কমিশন’, ‘দায়মুক্তি কমিশন’ বলছেন। আমি উনার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলতে চাই যে উনি এটা প্রমাণে ব্যর্থ হবেন।”

ভিত্তি না থাকায় খালেদা জিয়াকেও একটি মামলায় অব্যাহতি দেওয়ার নজির তুলে ধরে সাহাবুদ্দিন বলেন, “এই দুদক তো আপনাকেও ভৈরব সেতু মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। সেই কথা কেন বলেন না? কেন বলেন না আপনি দুদক সঠিক পথেই আছে?”

 

 

খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় দুদককে অকার্যকর রাখা হয়েছিল দাবি করে চুপ্পু বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যে দুর্নীতি হয়েছে, তা সারা বিশ্ববাসী জানেন। ওই সময় আমরা চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আপনাদের আমলে তো দুদক কোনো কাজ করেনি, একটি মামলাও করেনি।”

 

রাষ্ট্রপতি পদে থেকে আওয়ামীলীগের পক্ষে রাজনৈতিক বক্তব্য

২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,  “আগামীতে জনগণ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দলকে নির্বাচিত করবে। ‘লক্ষ্য রাখতে হবে, যে সরকার বা যাকে নির্বাচিত করুন অবশ্যই তারা যেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের হয়। ”

তিনি আরো বলেন, “এই ১৪ বছর সরকারের ধারাবাহিকতা রয়েছে। ১৪ বছর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের ধারাবাহিকতা চলছে। একটি উন্নয়নের মাইলফলক এখন বাংলাদেশ। এখন সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। সেই ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে।’”

১৭ মে ২০২৩-এ 'পাবনা ডায়াবেটিক সমিতি' পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে বলতে গিয়ে বলেন, “একসময় বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকারের প্রয়োজন হয়েছিল। তবে বর্তমানে অনির্বাচিত সরকারের অধীনে কোনো রকম নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই। আইনানুযায়ী একটা স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে ইনশাল্লাহ।” ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতী নদীতে নৌকাবাইচের চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “নৌকা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক।” এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির নেতিবাচক পরিস্থিতি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

হাসিনাকে অব্যহতি ও তারেক রহমানের শ্বাশুড়ির আবেদন নাকচ

২০১৫ সালের ফ্রেবুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার সংশ্লিষ্ট তিনটি দুর্নীতির মামলা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মহাকাশ বিষয়ে দেশের একমাত্র স্থাপনা বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নির্মাণকাজ শুরু করে। বিজ্ঞান ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১২৩ কোটি টাকারও বেশি।

ওই কাজে পরামর্শক নিয়োগ ও অতিরিক্ত খরচ করার অভিযোগ এনে দুর্নীতির মামলা করে পরবর্তী কালের তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকার। 

এনটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,  দুদকের কমিশনার এম সাহাবুদ্দিন এ তিন মামলায় অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব স্বাক্ষর করেন।

কাছাকাছি সময়ে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ বিডিনিউজে প্রকাশিত “মামলা স্থগিতে আবেদন তারেকের শাশুড়ির” শিরোনামে প্রতিবেদনে জানা যায়, বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব না দেওয়ার মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। 

 

সে সময় কমিশনের বৈঠকে সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়ার পর তিনি সময় চেয়ে আবেদন করলে দুদক কমিশনার বিরোধিতা সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, “মামলা অনুমোদন দেয়ার পর পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।”

 

রাষ্ট্রপতির হাসিনা তোষামোদ

১৬ এপ্রিল ২০২৩ এ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর প্রথম বই এগিয়ে  যাবে বাংলাদেশ এর হস্তান্তুর অনুষ্ঠানে এক বক্তব্যে মো. সাহাবুদ্দিন নিজের রাজনৈতিক অতীত ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগে কর্মরত অবস্থায় এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তিনি রাজনীতি করতেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “জ্বী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি ছাত্রলীগ করতাম।” তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি “দয়ার সাগর হাত বাড়িয়ে দেন।”

একই বক্তব্যে তিনি বলেন, গত তিন মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সালাম নিতেন না। পরে তিনি বুঝতে পারেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর নাম বিবেচনায় থাকায় প্রধানমন্ত্রী বিব্রতবোধ করছিলেন।

একই বক্তব্যে তিনি বলেন, গত তিন মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সালাম নিতেন না। পরে তিনি বুঝতে পারেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর নাম বিবেচনায় থাকায় প্রধানমন্ত্রী বিব্রতবোধ করছিলেন। ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, “গত তিন মাস ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সালাম করতে গেলে উনি আমার সালাম নিতেন না। তা আমি দেখতাম যে উনার চরণের ধুলো আমি পাই না। আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল যে উনি কেন আমার সালাম নেন না। "না থাক থাক" বলে…”

তিনি আরো বলেন, “কিন্তু সেই সময়ে যে উনার মনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার নাম গ্রথিত হয়ে গেছে এবং সেজন্যই যে উনি আমার সালাম নেওয়াটা বিব্রতকর মনে করতেন, এটা তো পরে বুঝলাম। আগে তো বুঝতাম উনি আমার ওপর বিরক্ত।”

 

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি

১৮ অক্টোবর প্রকাশিত মানবজমিনের রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখ’-এ প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, তবে তাঁর কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।

সে সময় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করেছেন বলে অভিযোগ করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। অন্যদিকে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র ইস্যুতে নতুন কোন বিতর্ক সৃষ্টি না করতে আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।  দ্য ডিসেন্ট