Image description

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।

এরই মধ্যে. হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত মানুষদের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার।আসন্ন ঈদের আগেই এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হতে পারে। এতে ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর জন্য বছরে সরকারকে গুণতে হবে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু না হলেও প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID); পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ও একটি সচল মোবাইল নম্বর সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে শুধু একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন।