পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট দেখা গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। ইফতারের কেনাকাটা ও ঘরমুখী মানুষের চাপের কারণে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়ে। কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে দেখা গেছে।
রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়, পুরানা পল্টন, গুলিস্তান, কাকরাইল, নাইটিঙ্গেল মোড়, শান্তিনগর, আবুল হোটেল, রামপুরা, বাড্ডা ও গুলশান এভিনিউতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যানজট ছিল। এছাড়া আসাদ গেট, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ, মগবাজার ও মৌচাক-মালিবাগেও একই অবস্থা দেখা গেছে।
দৈনিক বাংলা মোড়ে দীর্ঘ সময় জ্যামে আটকে থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাকসুদ আলম বলেন, মাত্র ৩–৪ মিনিটের পথ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। এখনই যে অবস্থা, রমজানে কী হবে তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
পুরানো পল্টনে দায়িত্ব পালনরত এক ট্রাফিক পুলিশ জানান, রোজার আগের দিনগুলোতে এই এলাকায় প্রচণ্ড জ্যাম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রমজানে পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে।
শান্তিনগর মোড়ে ঘন্টাখানেক জ্যামে আটকে থাকা পথচারী কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থা না থাকায় আমরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছি না। নতুন সরকার জ্যাম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
রাজধানীর যানজট নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান আরটিএনএনকে বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিপণিবিতান ও মার্কেটের সঙ্গে আমরা বিভিন্ন মিটিং করেছি। বর্তমানে শহরে প্রায় ৫০০০ পুলিশ সদস্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত আছে। যানজট নিরসনে ১৫ রমজানের পরে আরও বেশি জনবল মাঠে নামানো হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।