Image description

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তাদের স্ত্রী-স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত এ বিবরণীতে গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবরণের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে কম সম্পদ দেখা গেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের। তার মোট সম্পদ ১ কোটি ২ লাখ ২৫ হাজার ৬০ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ টাকা। সেই হিসাবে বেড়েছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ১৩১ টাকা।

অন্যদিকে সম্পদ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চার উপদেষ্টার। তারা হলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার ও অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তাদের সম্পদ কোটি টাকার বেশি বেড়েছে।

এ ছাড়া তৌহিদ হোসেন, সি আর আবরার, শেখ বশিরউদ্দীন, আলী ইমাম মজুমদারের সম্পদ বেড়েছে ৫২ থেকে ৬২ লাখ টাকা পর্যন্ত।

আর শারমীন এস মুরশিদ, এম সাখাওয়াত হোসেন, আ ফ ম খালিদ হোসেন, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, ফারুক-ই-আজম, ফরিদা আখতার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও অধ্যাপক আসিফ নজরুলের সম্পদ বেড়েছে ১৩ থেকে ২৯ লাখ টাকা পর্যন্ত। সালেহউদ্দিন আহমেদ ও নূরজাহান বেগমের সম্পদ বেড়েছে ৪ থেকে ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত।

প্রকাশিত সম্পদের হিসাবের সঙ্গে উপদেষ্টাদের কারও কারও ব্যাখ্যাও রয়েছে। সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে গৃহসম্পত্তি ও কৃষি সম্পত্তি এবং ব্যবসায় থেকে আয়ের কারণে সম্পদ বেড়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ১ কোটি ১৩ লাখ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রায় ১২ লাখ ও সুপ্রদীপ চাকমার ১৬ লাখ টাকার সম্পদ কমেছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ওই দিনই ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

এ সরকারের উপদেষ্টারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। উপদেষ্টা পদে থাকাকালে তারা বেতন-ভাতা ছাড়াও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পেয়েছেন।