বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-২ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, বিএনপি সাংবাদিকবান্ধব দল। পানি ছাড়া যেমন মাছ বাঁচতে পারে না, তেমনি সাংবাদিক ছাড়া রাজনীতিবিদ বাঁচতে পারে না।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঢাকা-২ আসনের তারানগর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আমান বলেন, ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিক ভাইয়েরাই আমাকে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করেছিলেন। খালেদা জিয়া ছিলেন সাংবাদিকবান্ধব, একইভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সাংবাদিকবান্ধব নেতৃত্বের প্রতীক।
ইশতেহারে আমান কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে মুক্তিযোদ্ধা, ইমাম ও পুরোহিতদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা হবে। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে এবং কেরানীগঞ্জকে একটি আধুনিক শহরে রূপান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, তিনি চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও কখনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেননি। অথচ এবারের নির্বাচনে প্রতিপক্ষের এক প্রার্থী তাকে ও তার ছেলে ব্যারিস্টার অমি আমানকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি তিনি রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমানের ছেলে ইবনে আমান অমি, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবীসহ স্থানীয় নেতারা।