শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ক্রেতারা।
তাদের দাবি, শীতকালেও কমছে না সবজির দাম। সব ব্যবসায়ীদের কারসাজি। সামাদ নামে এক ক্রেতা বলেন, শীতকালে সব সময় কমতির দিকে থাকে সবজির দাম। তবে গত দুই-এক বছর ধরে উল্টো শীত আসলেই বেশি বাড়ে সবজির দাম। এটি অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজির ফল।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, কৃষকের খরচ বাড়ায় পাইকারিতেই কমছে না সবজির দাম। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, তীব্র শীত, কুয়াশা ও বাড়তি খরচের কারণে শীতেও সবজি দাম কমছে না। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।
বাজারে প্রতি কেজি গাজর ৪০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শালগম ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা ও একেকটি বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ব্রকলি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং ফুলকপি আকারভেদে ৩০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে নতুন মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় এর দাম স্থিতিশীল রয়েছে। পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি করা এবং দেশি পুরোনো পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে। এতে বর্তমানে প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং দেশি পুরোনো পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। কেজিতে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি মুরগি কেজিতে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আর প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে অপরিবর্তিত ১১০ টাকায়।
ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে চিনির বাজারেও। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। এ ছাড়া সয়াবিন তেল আগের মতোই ১৯৫ টাকায় লিটার বিক্রি হচ্ছে।