Image description

রাজধানীর বনশ্রীতে স্কুলপড়ুয়া তরুণী ফাতেমা আক্তার লিলি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দিগ্ধ হোটেল কর্মী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে এক ক্ষুদেবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

এর আগে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র‌্যাব-৩ ও র‌্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর ভাড়া বাসায় দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফাতেমা আক্তার লিলিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটে। ওইদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

স্কুলছাত্রী লিলি হবিগঞ্জের লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজিব মিয়ার মেয়ে। তার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর। বাবা-মা ও বোনের সঙ্গে দক্ষিণ বনশ্রীর ওই বাসায় থাকত সে। তবে ঘটনার সময় লিলির পরিবারের কেউ বাসায় ছিলেন না। তার বাবা-মা এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। আর তার বড় বোন ঘটনার সময় জিমে ছিলেন।

ওইদিন বিকেলের দিকে জিম থেকে বাসায় ফিরে লিলিকে গলাকাটা অবস্থায় পেয়ে থানায় খবর দেন তার বোন। পুলিশ জানিয়েছে, লিলির বাবা সজীব মিয়ার খাবার হোটেল রয়েছে। সেখানেই কাজ করা মিলন দুপুরের খাবার খেতে সেদিন বাসায় ঢুকেছিল। প্রাথমিকভাবে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাকেই সন্দেহ করা হয়।

পরবর্তীতে রোববার (১০ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে প্রধান আসামি করে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করে লিলির পরিবার। ওইদিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বনশ্রীর ওই বাসা ও এর আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলেও সেদিন জানিয়েছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।