নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল ঘোষণার কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না এবং সেটাই যুক্তিযুক্ত।
তার এই বক্তব্যে হতাশ হয়েছেন পে স্কেলের অপেক্ষায় থাকা কয়েক লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভর্নরের এই বক্তব্য নিয়ে চলে ব্যাপক সমালোচনা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বক্তব্যের বিষয়ে শনিবার অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘তিনি (গভর্নর) কী বক্তব্য দিয়েছেন, তা আমার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।’
এই সরকারের আমলে নবম পে স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত আসবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক, এই বিষয়ে কমিশন গঠন করে দেওয়া আছে, তারা কাজ করছেন। পে স্কেল প্রণয়নের কাজ চলমান।’
অর্থ উপদেষ্টা জানান, নবম পে স্কেল অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে নাকি কাঠামো তৈরি করে দিয়ে যাবে, বিষয়গুলো তিনি নিজেই জানাবেন।
এদিকে চলতি জানুয়ারি মাস থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আগামী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করবে তারা।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় ১২টি কর্মচারী সংগঠন ও দপ্তর ভিত্তিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলোচনা শেষে এ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ নেন।
পরে জোটের মুখ্য সমন্বয় ওয়ারেছ আলী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এই জানুয়ারি মাসেই নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। এই দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে সব জেলার প্রেস ক্লাবের সামনে জেলা পর্যায়ে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হবে।