সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কামারখন্দ সিনিয়র ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসা কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত পরীক্ষা দিতে এসে বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েছেন সালমা খাতুন নামে এক পরীক্ষার্থী। শোক আর কান্না বুকে চেপেই শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এসেছিলেন সালমা। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি জানতে পারেন, তার বাবা আর নেই। খবরটি জানার পর দেড় বছরের শিশু কন্যাকে কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সালমা। এ সময় তার স্বামী ও একই এলাকার পরীক্ষার্থীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তাদের পরামর্শে পরীক্ষায় অংশ নেন সালমা।
সালমার স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সালমা সবার ছোট। একই গ্রামেই তার বিয়ে হওয়ায় বাবার সঙ্গে সালমার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বার্ধক্যজনিত কারণে বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তার বাবা। পরীক্ষাকেন্দ্রে এসে বাবার মৃত্যুর খবর জানার পর বারবার কান্নায় ভেঙে পড়লেও শেষ পর্যন্ত শোক নিয়েই সালমা পরীক্ষায় অংশ নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপাশা হোসাইন জানান, উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবার মৃত্যুজনিত কারণে পরীক্ষার্থী সালমাকে বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।
শীর্ষনিউজ