Image description

নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের সামনে থাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছে এবং কমিশন তা যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান ড. ইভার্স ইয়াবস।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পর্যবেক্ষণে ইইউ-এর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে ড. ইভার্স ইয়াবস বলেন, “আমরা মাত্র আমাদের মিশন শুরু করেছি। আমাদের একটি দক্ষ দল রয়েছে, যারা পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়ার শেষ পর্যন্ত কাজ করবে। পর্যবেক্ষণ শেষে সব বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশকে একটি প্রাণবন্ত গণতন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাই এদেশের সম্পূর্ণ নির্বাচনি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগকে ইইউ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

বহুমাত্রিক সমাজ ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও বৈচিত্র্যময় সমাজ হিসেবে উল্লেখ করে মিশন প্রধান জানান, তাদের পর্যবেক্ষক দল কেবল নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সারা বাংলাদেশের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে।

নির্বাচনে কোন কোন বিষয়ের ওপর ইইউ বিশেষ নজর দেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানত প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলোই তাদের মূল ফোকাস। এর মধ্যে রয়েছে -সঠিক ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের সার্বিক আয়োজন ও পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে ইয়াবস বলেন, ইসি তাদের কাছে পুরো নির্বাচনি রূপরেখা ব্যাখ্যা করেছে। একই সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জের কথাও জানিয়েছে। বিশেষ করে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা একটি বড় কারিগরি ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। তবে ইইউ প্রতিনিধি দল বিশ্বাস করে, নির্বাচন কমিশন এই পরিস্থিতি দক্ষতার সাথে সামাল দিতে সক্ষম হবে।

বৈঠকে ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন, মিশনের ডেপুটি চিফ অবজারভার ইনতা লেসি, লিগ্যাল অ্যানালিস্ট আইরিনি-মারিয়া গৌরানী এবং ইলেকশন অ্যানালিস্ট ভাসিল ভাসঙ্ক।