ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা, যা প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলছিল।
রাত ৮টা ৪০ মিনিটে জেলা নির্বাচন কমিশন ৫৬ দশমিক ১৬ শতাংশ ভোট পড়ার তথ্য জানায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬৯টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এসব ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ১৬৩ ভোট। অন্যদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৮৯ হাজার ১৬ ভোট।
নির্বাচন চলাকালে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট, ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন দৈনিক আগামীর সময়কে বলেন, ‘আজ আবহাওয়া একটু খারাপ থাকলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী, মিথ্যা দিয়ে সত্যকে রুখে দেওয়া যায় না। তাই আপনাদের এই দলটি সেই দল, যে বিগত ১৭ বছরে নিভে যেতে যেতে আবার ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়িয়ে আজ বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, যারা কাজ করেছেন, সবাইকে আমি অভিনন্দন ও ভালোবাসা জানাই। তবে আমরা কোনো বিজয় উদ্যাপনের মিছিল করব না।’
অন্যদিকে, জামায়াত ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী মো. দেলওয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ কিছু নির্বাচনি কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে ছবি নেই। এসব স্থানে অনেক অসংগতি দেখা গেছে। ফলে তাদের পরিচয়ে অন্য কেউ দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এটা খুবই উদ্বেগজনক। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন যোগসাজশ করে কারচুপির চেষ্টা করতে পারে। আমরা জাল ভোটের কথাও শুনেছি।’