মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে ছিলেন মাত্র তিন মাস। এই তিন মাসেই তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিতে এতোটা বেপরোয়া ছিলেন যে, প্রতিষ্ঠানটির অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আর এই চাঁদাবাজির টাকায় অবশেষে সচিব পদে পদায়ন পেতেও সক্ষম হয়েছেন। গত কিছুদিনে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে এমনটাই শোনা যাচ্ছিল, ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হুমায়ুন কবীর সচিব হচ্ছেন।
এরজন্য বেশি পরিমাণে টাকার দরকার। সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ প্রতিবেদকের কাছেও এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আসছিল কিছুদিন ধরে। ডিজি আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের নিয়োজিত চাঁদাবাজদের উৎপাতে অতীষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন অধিদপ্তরটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বা আকর্ষণীয় পদায়নের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল- চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিলে শাস্তিমূলক বদলি করা হবে, বেনামী অভিযোগ তৈরি করে দুদকে মামলা দেওয়া হবে ইত্যাদি, ইত্যাদি।
অবশেষে গত ১৮ অক্টোবর রোববার মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেলেন। ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেও এটিকে সচিব পদে পদোন্নতি হিসেবেই দেখা হয়ে থাকে। তবে কত টাকার বিনিময়ে তিনি এ পদটি কিনে নিলেন সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে। কারণ, ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিএনপিপন্থি বহু কর্মকর্তা পদোন্নতি, পদায়ন ও প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এমনও ঘটেছে, আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের ব্যাচম্যাটরা অনেকে ১৭ বছরে একটিও পদোন্নতি পাননি, সিনিয়র সহকারী সচিব পদেই চাকরি করতে হয়েছে। তাছাড়া বার বার বদলি-পদায়নসহ নানা রকমের হয়রানির শিকার তো হয়েছেনই। অন্যদিকে আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীররা কারণে-অকারণে দল বেঁধে টুঙ্গীপাড়ায় গিয়ে শেখ মুজিবের মাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। শেখ হাসিনাকে খুশি করেছেন। দফায় দফায় পদোন্নতি, আকর্ষণীয় পদায়নসহ অস্বাভাবিক সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। বিরোধীদল দমনের নানা রকমের কলাকৌশল তৈরি করে শেখ হাসিনার হাতে দিয়েছেন, নিজেরাও ব্যবহার করেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনকে দীর্ঘায়িত করেছেন।
এই আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীররা যখন যেখানে পদায়নে ছিলেন সরকারি অর্থ লুটপাট চালিয়েছেন, নামে- বেনামে বিপুল সম্পদ গড়েছেন, বিদেশে পাচার করেছেন। অবৈধ পথে গড়ে তোলা এই সম্পদের কিছু অংশ ব্যয় করে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির লোকজনকে ম্যানেজ করে ৫ আগস্টের পরে রাতারাতি বিএনপি-জামায়াত বনে গেছেন। নতুন করে পদোন্নতি- আকর্ষণীয় পদায়ন বাগিয়ে নিচ্ছেন। আবারও নতুন করে অবৈধ পথে টাকা কামাচ্ছেন। এই টাকারই কিছুটা বিলি-বণ্টন করছেন। সরকারের দুর্নীতিবাজদের খুশি রাখছেন।
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর প্রথম পদায়ন পান খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে। চিহ্নিত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তার এই পদায়নের ঘটনা তখন সর্বমহলে আলোচিত-সমালোচিত হয়। খাদ্য অধিদপ্তরে তিনি যেসব অপকর্ম করেছেন এর ফিরিস্তি তুলে ধরতে অনেক সময় লাগবে। তবে এক কথায় এইটুকু বলা যায় যে, দুর্নীতিতে অতীতের সকল ডিজিকে তিনি অতিক্রম করেছেন। তখনকার সরকারের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে তাকে আখ্যায়িত করা হতো এই আবুল হাছানাতকে। আওয়ামী লীগ আমলে শুরু হওয়া ৪ হাজার কোটি টাকার মডার্ন ফুড স্টোরেজ প্রকল্পের লুটপাটেও জড়িয়েছেন। বহুল আলোচিত এই প্রকল্পে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে ৩ হাজার কোটিই লুটপাট বা আত্মসাৎ হয়েছে। বর্তমান বিএনপি আমলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে তখনকার ডিজি আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের দুর্নীতিতে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ বেরিয়ে এসেছে। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের ডিপিপি সংশোধন না করেই মহেশ^রপাশা সাইলোর ব্যয় ভেরিয়েশনের যে প্রস্তাবটি অবৈধভাবে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। তখনকার ডিজি আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর সরাসরি তাতে জড়িত ছিলেন। ভেরিয়েশন প্রস্তাবে দেখানো হয় যে, মাটির নীচে যেসব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে তাতে চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত কাজ রয়েছে। অথচ তদন্ত কমিটি অতিরিক্ত কাজের অনুমতিপত্র দেখতে চাইলে পিডি আসাদুজ্জামান তা দেখাতে পারেননি। তিনি ডিজি আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের একটি প্রত্যয়নপত্র দেখান। যা অতিরিক্ত কাজের বিষয়ে ঐঙচঊ এর অনুমতিপত্র নয়। এসব গুরুতর অনিয়ম হাতেনাতে ধরা পড়ার পর ডিজি আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর তড়িঘড়ি করে তখন বিএমইটি-তে বদলি হয়ে যান। এরজন্য অবশ্য তাকে বড় অংকের টাকা খরচও করতে হয়। কারণ বিএমইটি’র (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) ডিজি পদও অত্যন্ত আকষর্ণীয় বলে বিবেচিত। ওই পদায়নে যেতে তাকে অন্ততঃ দশ কোটি টাকা খরচ করতে হয় বলে জানা যায়। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি সেখানে টিকে থাকতে পারেননি ব্যাপক দুর্নীতি প্রবণতার কারণে। পদায়ন হয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে। কিন্তু এখানে বেশিদিন থাকতে হয়নি। নতুনভাবে টাকা বিনিয়োগ করে পদায়ন নেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে।
গত ১৬ জুলাই আবুল হাছানাত ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে যোগ দেন। সেই থেকে মাত্র তিন মাস। এই তিন মাসে আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর কত টাকা কামিয়েছেন এর কিছুটা হিসাব আছে তাঁর নিয়োজিত দালালদের কাছে। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে বেশিদিন থাকবেন না। এখান থেকে সরাসরি সচিব হবেন, এটা তার টার্গেট। ঘনিষ্ঠদের তাই বলেছেন। তবে যে ক’দিন থাকেন টাকা কামিয়ে নেবেন। তাই অধিদপ্তরের ডিজি পদে যোগদানের শুরুতেই সারাদেশে দালাল নিয়োগ করলেন। এসব দালালদের সঙ্গে আগে থেকেই আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের সম্পর্ক ছিল। চাকরি জীবনের প্রথমদিকে চকরিয়ায় কাজ করেছেন। সেখানকারও কয়েকজন দালাল এরমধ্যে এসেছে। সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ প্রতিবেদকের কাছে এ রকমের তিন জন দালালের নাম, ফোন নম্বর এবং কল রেকর্ডও এসেছে- যারা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দিয়েছেন। ডিজির দপ্তরে প্রতিদিনই এসব দালালের আড্ডা বসতো, জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শিরা।
এসবের মাধ্যমে তিন মাসে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর থেকে আবুল হাছানাত কত টাকা কামিয়েছেন সেই প্রশ্নে না গিয়ে এটা বলা যায় যে, অন্য একজনকে সরিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদ দখল করতে গিয়ে কত বড় বিনিয়োগ করতে হয়েছে তাকে। কারণ প্রথমতঃ একান্তই বড় ধরনের কিছু না ঘটলে ১৫তম ব্যাচের কাউকে এখন সচিব করার কথা নয়, যেখানে ১৮তম ব্যাচেরও তালিকা শেষ হয়ে আসছে। তাছাড়া সচিব হওয়ার মতো তার যোগ্যতা থাকলে অনেক আগেই তা করা হতো। এরজন্য প্রভাবশালী বলয়সহ সব মালমশলা প্রস্তুত ছিল। এর আগে বেশ কয়েকবার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, দফায় দফায় টুঙ্গীপাড়ায় গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়া, হাসিনার ফ্যাসিস্ট আদর্শ বাস্তবায়নে অন্যতম সহযোগীর ভূমিকা পালনসহ নানা অনিয়ম-অপকর্ম এবং গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগের কারণে সেইসব প্রস্তাব প্রত্যেকবারই ফেরত এসেছে। তাছাড়া এখন আর সচিব হওয়ার সময়ও নেই তার। তারপরও সবাইকে অবাক করে দিয়ে সচিব পদ বাগিয়ে নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাকরি জীবনের শুরু থেকেই বেপরোয়া দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন আবুল হাছানাত। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর খাদ্য অধিদপ্তরের ডিজি পদে ছিলেন মাত্র ১১ মাস। এই ১১ মাসেই নানা প্রক্রিয়ায় তিনি প্রায় শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ছিলেন সরকারের পরিবহন পুলের কমিশনার পদে। আওয়ামী লীগ আমলে ২০২২ সাল থেকে এই আকর্ষণীয় পদায়নে ছিলেন। কেনাকাটার নামে এখন থেকে বিপুল অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। মোটকথা, আবুল হাছানাত এখন টাকার কুমীর। দেশে-বিদেশে, নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ গড়েছেন।
‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ এই আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীররা যখন টাকা দিয়ে সচিব পদ কিনে নিচ্ছেন, ১৭ বছর বঞ্চিত ও হয়রানি-নিপীড়নের শিকার হওয়া, জাতীয়তাবাদী, জিয়া-খালেদা জিয়ার আদর্শের অনুসারী অফিসাররা চেয়ে চেয়ে দীর্ঘশ^াস ফেলছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিএনপি সরকার নিশ্চিতভাবেই এক সময় চোখে অন্ধকার দেখবে। তখন আর করার কিছুই থাকবে না।
অভিজ্ঞমহলের মতে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অতীত কর্মজীবন, পদোন্নতি ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নিরপেক্ষ পর্যালোচনা হওয়া প্রয়োজন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কেউ যদি নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে নতুনভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করেন, তবে তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডও যাচাই করতে হবে। শুধু মুখের কথায় নয়, কাজ ও রেকর্ডের ভিত্তিতেই একজন কর্মকর্তার অবস্থান মূল্যায়ন করা উচিত।
বর্তমানে সরকার ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কিছু ব্যক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয়, প্রভাব বিস্তার, অনিয়ম ও স্বার্থসংশ্লিষ্টতার নানা অভিযোগ সামনে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে এবং প্রকৃত দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় না আনলে প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমবে।
এ বিষয়ে আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের সর্বশেষ কয়েকটি পদায়ন ও কর্মস্থল- বিশেষ করে পরিবহন কমিশনারের কেনাকাটায় কথিত দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ, খাদ্য অধিদপ্তর, বিএমইটির ডিজি এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ডিজি পদের তিন মাসের মেয়াদকাল খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। উল্লিখিত প্রতিটি বিষয়ে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত হওয়া জরুরি। অভিযোগ সত্য হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে; আর অভিযোগ অসত্য হলে সেটিও স্পষ্ট করতে হবে। সরকারকে মনে রাখতে হবে- প্রশাসন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা বিশেষ বলয়ের সম্পত্তি নয়। প্রশাসন জনগণের সেবক এবং রাষ্ট্রের আইন ও নীতির অধীন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ছিল বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। সেই আকাক্সক্ষাকে উপেক্ষা করে যদি পুরোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরাই নতুন পরিচয়ে অর্থের বিনিময়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে প্রভাব ধরে রাখেন, তাহলে পরিবর্তনের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।
জনগণ বারবার বলছে, প্রশাসন ঠিকভাবে কাজ করছে না। এই ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করতে হলে শুধু দৃশ্যমান সমস্যাগুলো দেখলে চলবে না; প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা, কাঠামো, পদোন্নতি, পদায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াও পর্যালোচনা করতে হবে। ব্যক্তির পরিচয় নয়, তাঁর অতীত কর্মকাণ্ড ও যোগ্যতা বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। ১৭ বছর কে কোথায় ছিলেন, কী করেছেন- অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হোক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এটাই চায় মানুষ। অন্যথায় প্রশাসনের ভেতরে জমে থাকা সমস্যাগুলো একসময় সরকারের জন্যই বড় রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে পরিণত হতে বাধ্য।
শীর্ষনিউজ