জামায়াত-এনসিপির প্রোপাগান্ডার চাপে পড়ে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিলে সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তিনি মনে করেন, ‘একজন সাহসী ও দেশপ্রেমিক তরুণ হিসেবে ইশরাককে যেভাবে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে, তা সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। সরকার গঠনের পর থেকেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে বিরোধী দলের অপতথ্য ও প্রোপাগান্ডা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।’
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি মাদক নির্মূলে ইশরাক হোসেনের নেওয়া উদ্যোগকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা উপায়ে অপব্যাখ্যা দিচ্ছে জামায়াত ও এনসিপি। একজন সাহসী ও দেশপ্রেমিক তরুণ হিসেবে ইশরাককে যেভাবে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে, তা সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনও কাজে ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু জামায়াত-এনসিপির প্রোপাগান্ডার চাপে পড়ে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিলে সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে।’
আবু হানিফ বলেন, ‘ইতোমধ্যে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পার্থ ভাইয়ের পদত্যাগের দাবিও তুলছে জামায়াত-এনসিপির কিছু নেতা। এসব দাবির যৌক্তিকতা যাচাই না করে শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় জামায়াত-এনসিপির অপপ্রচার গুরুত্ব দিলে ভবিষ্যতে আরও নানা অযৌক্তিক দাবি সামনে আসতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘আপনি বিরোধী দলের সমালোচনা শুনুন, ভুল থাকলে সংশোধন করুন, কিন্তু অপপ্রচার বা রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে আপনি জামায়ত-এনসিপির প্রোপাগান্ডায় কান দিলে আপনি দেশ চালাতে পারবেন না। রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনও প্রোপাগান্ডায় নয়, আবেগ নয়, বাস্তবতা, যুক্তি ও দূরদর্শিতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন এটাই প্রত্যাশা।’