Image description

ফরিদপুর শহরতলির সাদিপুর এলাকার মো. জয়নাল, বয়স ষাটের কাছাকাছি। শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত তিন চাকার অটো চালান। ব্যাটারিসহ চালু অবস্থায় পুরনো এই অটোটি কিনেছেন ৮০ হাজার টাকায়। অর্থ দিয়েছেন দুবাই ও মালয়েশিয়াপ্রবাসী দুই ছেলে। অটো চালিয়ে যে আয় হয়, তা দিয়েই ছোট এক ছেলে ও এক মেয়ের পড়ালেখার খরচসহ সংসার চালান তিনি । শুধু তা-ই নয়, ছেলেদের বিদেশ পাঠানোর সময় নেওয়া ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হয় তাকে। অর্থাৎ পরিবারের রেমিট্যান্সের একটি অংশ বিদেশযাত্রার ঋণ শোধে যাচ্ছে, আরেকটি অংশ ব্যয়ে কেনা ব্যাটারিচালিত অটো পরিবারটির আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।

কৃষিকর্মী ছিলেন জামালপুর সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম পাকুল্লার কালু মিয়া। গেলো বর্ষায়ও তার দুটি গাভী ছিল। গাভীর খাবার কেনার সামর্থ্য না থাকায় একটি বিক্রি করে কেনেন ব্যাটারিচালিত অটো; যা চালিয়ে এখন সংসার চলে তার। একই গ্রামের মধ্য বয়সের আমির আলী ভাগ্যবদলের জন্য প্রবাসী হয়েছিলেন। প্রতারিত হয়ে দেশে ফেরার পর বাড়িভিটার একটি অংশ বিক্রি করে কেনেন একই বাহন, সংসারের খরচ মেটাতে। শুধু গ্রাম নয়, দূরের শহর-বন্দর থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকার বহু মানুষ বেকারত্ব ঘোচাতে অথবা আয় বাড়াতে ভরসা করছেন এখন বাহনটির ওপর। তাদের মাথায় দুর্ঘটনা এবং পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি মোটেই থাকে না।

সরকারের তথ্যে এসব বাহনকে ব্যাটারিচালিত রিকশা বলা হলেও বিক্রেতা, মালিক, চালক এমনকি যাত্রীদের বেশিরভাগের কাছে চাকার আকার ও নির্মাণের ধরনভেদে বাহনটি ‘অটো’ হিসেবে পরিচিত; চলে বিদ্যুতের সাহায্যে চার্জ করা ব্যাটারিতে।

কর্মসংস্থানের জন্য যারা অটোয় ভরসা করছেন, তাদের অধিকাংশ পেশাদার চালক নন, পরিবহন ব্যবসায়ীও নন। তাদের মধ্যে আছেন কৃষক, নির্মাণশ্রমিক, গার্মেন্টকর্মী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশা ও বয়সের নারী-পুরুষ। বিপাকে পড়া অনেক রাজনৈতিক কর্মীও আছেন তাদের মধ্যে। কেউ কিনছেন নিজের ও পারিবারের সঞ্চয় ভাঙিয়ে, কেউবা জমি ও গৃহপালিত প্রাণী বিক্রি করে। অনেকের ভরসা প্রবাস থেকে স্বজনের পাঠানো টাকা। নিরুপায় অনেকে কিনছেন চড়া সুদে নেওয়া ঋণে। রোজগারের জন্য কেনা এই বাহনগুলো কেউ নিজে চালান, অথবা অন্যকে চালানোর জন্য ভাড়া দেন। চাহিদা ভালো দেখে অনানুষ্ঠানিক পরিবহনের এ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগও আসছে। তবে এই বিনিয়োগকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই দেখছেন।

প্রতিদিন সড়কে নামছে প্রায় ৫০০ অটো : রাজধানী ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোর বড় মার্কেট ধোলাইখাল, নবাবপুর ও মুগদায় অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম মার্কেট। এসব মার্কেটে ডিলার ছাড়াও রয়েছে আমদানিকারক। তারা চীন থেকে অটোর ব্যাটারি, মোটর, বডি, চার্জার ও স্পেয়ার পার্টস (খুচরা যন্ত্রাংশ) আমদানি করে স্থানীয় ডিলারদের কাছে বিক্রি করেন। সেখান থেকেই সারা দেশের ডিলাররা অটো কিনে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করেন। সম্প্রতি সরেজমিন ওই তিন মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, সারা দেশে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ অটো বিক্রি হয়। এসব অটো ব্যাটারিবিহীন (বডি ও মোটর) গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ৬৫ হাজার থেকে শুরু করে বডির আকার ও গুণগত মান হিসেবে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অটোতে দুই ধরনের ব্যাটারি সংযুক্ত করা হয়। তার একটি এলইডি বা লিড এসডি ব্যাটারি; যার মূল্য ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩৩ হাজার টাকা পর্যন্ত । আরেকটি হলো লিথিয়াম ব্যাটারি; যার খুচরা মূল্য ২৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

এমএন করপোরেশনের স্বত্বাধিকারি নাজমুল হোসেন বলেন, একটি অটোতে গড়ে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ হয়ে থাকলে সারা দেশে ব্যাটারিচালিত ৮০ লাখ অটোতে বিনিয়োগ পৌঁছেছে ৮ হাজার কোটি টাকা। এটি সর্বনিম্ন পরিসংখ্যান। এ ছাড়া কয়েক লাখ অটো এবং ব্যাটারি বিক্রির জন্য স্টকে প্রস্তুত রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমদানিকারক, উৎপাদক, ডিলার, খুচরা বিক্রেতা, গ্যারেজ এবং ওয়ার্কশপ। সব স্টেকহোল্ডারের বিনিয়োগ যোগ করলে প্রকৃত বিনিয়োগ হবে কয়েকগুণ।

গণপরিবহন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না মিললেও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এই মুহূর্তে দেশের অন্যতম একক বৃহত্তর কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ঘন ঘন দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে পরিচিত এসব অটোর বিরুদ্ধে সামাজিক বিরোধিতাও প্রচ-। অটোর বডির গঠন লোহালক্কর দিয়ে তৈরি এবং অনিরাপদ। সহজে প্রাপ্য এবং দ্রুত গতির হলেও এর ব্রেক ঠিকমতো কাজ করে না। যাত্রীসহ প্রায়ই দুর্ঘটনায় পতিত হয়। তথাপি গণপরিবহন হিসেবে এই অটো নগর-মহানগরের অলিগলিসহ ব্যস্ত সড়ক এমনকি মহাসড়কেও দিনে ও রাতে এক অদ্বিতীয় বাহন হয়ে উঠেছে। গ্রামাঞ্চলেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শত শত ব্যাটারিচালিত অটো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি এক দিনে তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা। সরকার নগর-মহানগরে সঠিক পরিবহন দিতে পারলে ব্যাটারিচালিত অটোর আধিক্য তৈরি হতো না।

গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তথ্য দেন সারা দেশে বর্তমানে ৫০ থেকে ৮০ লাখের মতো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপুল মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। দেশে এসব যান সাধারণ মানুষের যাতায়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও যানজট, দুর্ঘটনা, পরিবেশ, স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ নানা সমস্যা তৈরি করছে। তাই কর্মসংস্থান বিবেচনায় রেখে সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরকার একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গত বছর (২০২৫) ডিসেম্বরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত অটো রিকশা রয়েছে।

ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গত ২ থেকে ৩ বছর ধরে সংখ্যায় বেশি চোখে পড়লেও স্বল্প পাল্লায় চলাচলে প্যাডেল-রিকশা থেকে এই অটোয় রূপান্তর শুরু হয়েছে কয়েক বছর আগে থেকে। লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট গত ২৪ জুলাই ২০২৫ এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ প্রতিবেদনে অটোকে স্থানীয়ভাবে রসিকতা করে ‘বাংলার টেসলা’ বলার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। দ্য ইকোনমিস্টের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০১৬ সালে প্রায় ২ লাখ অটো ছিল, যা ২০২৫ সাল নাগাদ বেড়ে হয় কমপক্ষে ৪০ লাখ। অর্থাৎ, ২০২৫ সালের আগের ৯ বছরে এমন বাহনটি সংখ্যায় প্রায় ২০ গুণ বেড়েছে। আর সিপিডি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে, অটো গত ১০ বছরে কমপক্ষে ৩০ গুণ বেড়েছে।

একসময় প্যাডেল-রিকশার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন থেকে নিবন্ধন নিতে হতো। রিকশার পেছনে নম্বর-প্লেট থাকত। এখন কী গ্রাম, কী শহর, প্রায় সর্বত্র প্যাডেল রিকশার স্থান নিচ্ছে এই অটো; যদিও অটোর নিবন্ধন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুই হয়নি। তাতে অবশ্য অটোয় বিপুলভাবে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান থেমে থাকেনি। কায়িক শ্রমের তুলনায় স্বস্তিদায়ক বলে বহু রিকশাচালক এখন অটো চালান। অন্যদিকে স্বল্প পাল্লায় চলাচলের ভালো গণপরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রীদের কাছেও এর চাহিদা বেড়েই চলেছে।

কৌশলে নেওয়া হচ্ছে এনজিওর ঋণ : ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা ব্যুরো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটা এখন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, সারা দেশেই ক্ষুদ্রঋণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যাচ্ছে এই খাতে কর্মসংস্থানে। প্রতিদিন নগদ আয় হওয়ায় ঋণগ্রহীতার পক্ষ থেকে কিস্তি বকেয়ার ঝামেলা নেই। নিয়মিত ঋণ পরিশোধ হচ্ছে।

তিনি বলেন, এনজিওগুলোর এই খাতে (ব্যাটারিচালিত অটো ক্রয়ে) ঋণ বিতরণের কোনো খাত বা হিসাব নেই। কারণ, প্রত্যেকটি এনজিও পরিবেশগত জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার নিয়ম মেনে চলে। তাই পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে এমন কোনো খাতে আনুষ্ঠানিক ঋণ বিতরণ করে না। তবে, ক্ষুদ্র ব্যবসা, ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঘরবাড়ি নির্মাণ ও সংস্কার, গবাদিপশু বা মৎস্য খামারের কথা বলে এসব ঋণ নেওয়া হচ্ছে। পরে দেখা যায়, ঋণগ্রহীতার পরিবার ব্যাটারিচালিত অটো কিনে আয় করছে বা ভাড়ায় পরিচালনা করছে।

শুধু একক ব্যক্তি বা পরিবারই নয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি একের পর এক ব্যাটারিচালিত অটো কিনছেন এনজিওর ঋণে। ঋণগ্রহীতা নিজস্ব গ্যারেজ তৈরি করেছেন এবং সেখানেই রয়েছে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা। আয় থেকে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছেন।

ঢাকা মহানগরীর খিলগাঁও থানাধীন ত্রিমোহনীর অটোচালক সাজু মিয়া জানান, ত্রিমোহনীর টেকপাড়ার যে গ্যারেজ থেকে তিনি অটো নিয়ে ভাড়ায় চালান, সেই গ্যারেজ মালিকের অটোর সংখ্যা প্রতি মাসেই বাড়ছে। অটো কিনতে তিনি ঋণ নেন এনজিও এবং স্থানীয় বাজারের দোকানমালিক সমিতির কাছ থেকে।

তৈরি হচ্ছে দেশেই : মুগদা স্টেডিয়াম মার্কেটের ডিলার মাসুদ রানা জানান, দেশে ব্যাটারিচালিত অটোর বাজার বিগত ১০ বছরে কয়েকগুণ বেড়েছে। আগে এটি পুরোটাই আমদানিনির্ভর ছিল। এখন আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন দুটোই বেড়েছে। তিনি জানান, টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার আল মদিনা অটো এখন বাংলাদেশের একটি বৃহৎ অটো উৎপাদনকারী কারখানা। আকিজ ও হামকোর মতো বড় করপোরেট ব্যবসায়ীরাও অটো উৎপাদনে বিনিয়োগ করছে।

লাবীব এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার সাদ্দাম হোসেন বলেন, এখন সব ব্যাটারি ও অটোর বডি স্থানীয় পর্যায়েই উৎপাদন হয়। শহর-নগর-বন্দরের গ্যারেজ এবং ওয়ার্কশপ ছাড়াও যত্রতত্র মেকানিকের ছোট্ট দোকানেও তৈরি হয় এই অটো। আমদানি হয় শুধু মোটর এবং স্পেয়ার পার্টস। সবই চীন থেকে।

অটোর কারণে অন্যান্য খাতে শ্রমিক সংকট : জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর বাজার দোকানমালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আলফাজ হোসেন বলেন, অটোর সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গেছে। গ্রামের অনেকেই এখন অটো (ব্যাটারিচালিত) চালায়। অটোর কারণে বাজারে মালামাল লোড-আনলোডে শ্রমিক পাওয়া যায় না। কৃষিজমি চাষাবাদ করা, ধানকাটা, নিড়ানি (আবাদি ক্ষেত পরিচর্যা) দেওয়া, ঘরবাড়ি মেরামত করতে এখন লোক পাওয়া যায় না। অটো চালালেই কম-বেশি নগদ টাকা আয় হয়। তাই এদিকে ঝুঁকছেন আয়হীন বা নিম্ন আয়ের সবাই। একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তিও অটো চালান। অটো চালানোর পেশায় যারা আসছেন, তাদের অধিকাংশই পেশাদার চালক নন।

এর একটিই কারণ, অটো চালিয়ে তুলনামূলক দ্রুত নগদ আয় করা যায়। এটি দেশের কর্মসংস্থান সংকটেরও একটি সূচক হতে পারে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এই যানবাহনের দ্রুত বিস্তার এবং আনাড়ি চালকের কারণেই সড়ক নিরাপত্তার প্রশ্নটিও সামনে এসেছে। ব্যাটারিচালিত অটোর বিরুদ্ধে সামাজিক বিরোধিতার অন্যতম কারণ দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যানজট, পরিবেশগত সমস্যা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি।

শ্রম ও কর্মসংস্থান বিশ্লেষক অর্থনীতিবিদ আনু মোহাম্মদ বলেন, শোভন রাষ্ট্র কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারায় এবং শ্রমবাজারের নানা দুর্বলতায় শিক্ষিত তরুণ ও কর্মক্ষম শ্রমিকদের অনেকে অটো চালানোকে আয়ের উৎস হিসেবে বেছে নেয়।