প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদের চাকরিতে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ে বন্যা মল্লিক নামে একজন সুপারিশপ্রাপ্ত বলেছেন, ‘বাদ পড়ার শুধু একটা কারণ জানতে চাই। এত বছরে আমি কখনো প্রাইমারিতে এপ্লিকেশন করিনি, এটাই আমার প্রথম এপ্লিকেশন ছিল। এই পরীক্ষায় উপজেলা ভিত্তিক কার্টমার্ক ছিল, কি পরিমাণ প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে এটা শুধু একজন সুপারিশপ্রাপ্তই জানে।’
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি লিখেছেন, ‘উপজেলাতে আমার মেধাক্রম দ্বিতীয়। আমি ফার্মেসি সাবজেক্টে অনার্স, মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। ১.উপজেলাতে মেধাক্রম- ২য়। ২.আমার একাডেমিকের কাগজপত্রে কোন সমস্যা নেই। ৩.আমার ১৪ গোষ্ঠীতে কেউ রাজনীতি করে না। ৪.আমার /আমার পরিবারের কারো নামে কোন ফৌজদারি মামলা নেই। ৫.স্থায়ী ঠিকানা (বসতবাড়ি)/জমিজমা নিয়েও কোন সমস্যা নেই।’
তিনি পোস্টে লেখেন, ‘তবুও আমার নিয়োগপত্র আসেনি। রাষ্ট্রের সম্ভবত মনে হয়েছে আমি প্রাইমারিতে চাকরি করার জন্য যথেষ্ট যোগ্য নই, তাই বাদ দিয়েছে। মেনে নিলাম। কিন্তু চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও কোন অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে/কেনো বাদ পড়লাম এটা জানার অধিকার তো আমার আছে।শুধু বাদ পড়ার একটা কারণ জানতে চাই।
বি.দ্র: বাদ পড়ার কারণ হিসেবে যারা অসদুপায় অবলম্বনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন তাদের জ্ঞাতার্থে যারা কয়েকটা ব্যাংক/ বিসিএস লিখিত দেয়, তাদের কি প্রাইমারিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পাশ করার জন্য অসদুপায় গ্রহণ করা লাগে?’