গণ অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে স্বামী বা স্ত্রী আজীবন সুবিধা পাবেন, এমন একটি প্রস্তাব উঠেছে। ২১টি বোয়িং ও এয়ারবাস নিয়ে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলোতে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম 'Universal Pension revamp planned: Spouse to get lifetime benefit' অর্থাৎ 'সর্বজনীন পেনশনে পরিবর্তন আসছে, আজীবন সুবিধা পাবেন স্বামী বা স্ত্রী'
খবরে বলা হচ্ছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য এতে বিভিন্ন সুবিধা—যেমন মৃত পেনশনভোগীর জীবনসঙ্গীর জন্য আজীবন পেনশন ও স্বাস্থ্যবীমা যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
আগামীকাল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য 'জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ'-এর পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদনের জন্য এই প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
পদাধিকারবলে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের বোর্ডেরও চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতউজ্জামান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে বোর্ডের সভায় বেশ কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।
এর মধ্যে রয়েছে মৃত পেনশনভোগীর স্বামী বা স্ত্রীর জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা প্রদানের বিষয়টি।
প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হলে বিদ্যমান বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার পর আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

খবরে বলা হচ্ছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান। দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি পলাতক।
তাঁদের মধ্যে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে জুলাই ফাউন্ডেশন কিংবা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে হতাহত ব্যক্তি বা তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Deals on 21 Boeing, Airbus planes likely within weeks' অর্থাৎ '২১টি বোয়িং ও এয়ারবাস নিয়ে চুক্তির সম্ভাবনা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই'।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও ২১টি বোয়িং ও এয়ারবাস বিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফলে তাদের অপেক্ষমান বিমানের সংখ্যা বেড়ে ৩৫-এ দাঁড়াবে। বর্তমানে জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটির বহরে ১৯টি বিমান রয়েছে।
এই প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো 'দ্য ডেইলি স্টার'-কে জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ১১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর আগামী মাসে এয়ারবাসের সাথে আরও ১০টি জেট কেনার চুক্তি হতে পারে।
বোয়িং বিমানগুলোর ধরন, মূল্য, অর্থায়নের কাঠামো এবং হস্তান্তরের সময়সূচি—এসব বিস্তারিত তথ্য এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র জানিয়েছে, এয়ারবাসের প্রস্তাবিত প্যাকেজটিতে চারটি এ৩৫০-৯০০ এবং ছয়টি A321neo এ৩২১নিউও বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, নতুন রুট ও নেটওয়ার্ক পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশের বিমানবহর বাড়ানো প্রয়োজন।

'জাতীয় গ্রিডে বাড়লো গ্যাস সরবরাহ' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় দেশীয় উৎস থেকে প্রাপ্ত গ্যাসের পাশাপাশি আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনের তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে দেশীয় উৎসের উৎপাদন এবং আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় করে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় সরবরাহ করা মোট গ্যাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১৬১ দশমিক ৫ কোটি ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ৯৯ দশমিক ১ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহের বড় একটি অংশই এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে।

'স্থলভাগের একাধিক ব্লক উন্নয়নে আগ্রহী শেভরন' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের স্থলভাগের একাধিক ব্লকে তেল- গ্যাস উন্নয়নে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানি শেভরন। কোম্পানিটি ইতিমধ্যে সরকারের কাছে তাদের আগ্রহপত্রও জমা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেও আগ্রহ জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও কোম্পানিটির বিনিয়োগ আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দেশে চলমান গ্যাস - সংকটের মধ্যে শেভরন এই আগ্রহ দেখানোয় স্থলভাগের একাধিক ব্লক ইজারা পেতে পারে ।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ , জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং শেভরনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি । শেভরন বাংলাদেশ বর্তমানে তিনটি ব্লক থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে । এগুলো হলো ১২ নম্বর ব্লকের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র , ১৩ নম্বর ব্লকের জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র এবং ১৪ নম্বর ব্লকের মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র ।
পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের সূত্র বলছে , শেভরন সুনামগঞ্জ , শেরপুর ও ময়মনসিংহ এলাকা নিয়ে গঠিত ১১ নম্বর ব্লক এবং হবিগঞ্জে অবস্থিত ১২ নম্বর ব্লকের ৬ হাজার ৬০০ বর্গকিমি এলাকায় তেল - গ্যাস উন্নয়নের আগ্রহ দেখিয়েছে ।
দেশে তীব্র গ্যাস - সংকট চলছে । দৈনিক ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে প্রায় দুই মাস পর গতকাল মঙ্গলবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

'ঠিকাদারের অর্থে ফের বিদেশ ভ্রমণে সরকারি কর্মকর্তারা' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দুটি বুলডোজার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণে অংশ নিতে বিদেশ ভ্রমণের সরকারি অনুমোদন পেয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চার কর্মকর্তা।
এ ভ্রমণের যাবতীয় ব্যয় বহন করবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সোহেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পের সরঞ্জাম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্যও সম্প্রতি চীন সফরের অনুমোদন পেয়েছেন আরো চার সরকারি কর্মকর্তা।
এক্ষেত্রেও ভ্রমণের ব্যয় বহন করছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডট লিমিটেড। ঠিকাদার ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ পরিহারের জন্য সরকারের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ভ্রমণের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে।
সরকারি কর্মচারীদের যথেচ্ছ বিদেশ ভ্রমণের লাগাম টানতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে তিন দফায় নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে বিদেশ ভ্রমণকে নিরুৎসাহিত করে ২০২৪ সালের ৯ই ডিসেম্বর প্রথম নির্দেশনা জারি করা হয়।

'সরকারের বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের ত্বরিত পিঠটান' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণের একক এখতিয়ার কমিশনের নেই সরকারের এই ভাষ্যের পর পিঠটান দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। যদিও দীর্ঘ প্রস্তুতি শেষে গত সোমবার জানিয়েছিল, আগামী ১২ই নভেম্বর থেকে সাত ধাপে হবে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোেট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষণার পরদিন গতকাল মঙ্গলবার একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ বিষয়ে সরকার কিছু জানে না। এর পরপরই ইসি বলে, সোমবার যে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল, তা প্রাথমিক।
আগামী বৃহস্পতিবার ইসি আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। যদিও দুই মাস আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে তথ্য নিয়ে ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ গতকাল বলেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এর বাইরে আইনে প্রদত্ত অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্বও পালন করার কথা বলা আছে।
এ ছাড়া 'ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না' বলে গতকাল মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে কোনো পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবে আলোচনা হয়নি।

'বাংলাদেশের ঋণমান আবার স্থিতিশীল করল মুডিস' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস 'নেতিবাচক' থেকে আবার 'স্থিতিশীল' করেছে মুডিস রেটিংস। সংস্থাটি বলেছে, রাজনৈতিক ও বৈদেশিক চাপ কমেছে। রিজার্ভ বেড়েছে। প্রবাসী আয়েও রেকর্ড হয়েছে। এসব কারণে পূর্বাভাস বদলানো হয়েছে।
তবে দেশের ব্যাংক খাতের বড় দুর্বলতা রয়েছে। সরকারের রাজস্ব আয়ও কম। রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ দিতে চলে যায়। এসব কারণে মূল ঋণমান 'বি২' রাখা হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের ঋণমান 'বি১' থেকে কমিয়ে 'বি২' করেছিল মুডিস। পূর্বাভাসও 'স্থিতিশীল' থেকে 'নেতিবাচক' করা হয়েছিল। রাজনৈতিক ঝুঁকি ও প্রবৃদ্ধি কমার আশঙ্কায় তখন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সংস্থাটি।
আন্তর্জাতিক ঋণমান যাচাইকারী সংস্থা মুডিস। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংস্থা ব্যবসা ও আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার লক্ষ্যে তথ্য ও বিশ্লেষণ দিয়ে সহায়তা করে। এটি স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকি মূল্যায়ন ও ঋণমান নির্ণয়ের কাজ করে আসছে।

'শিশু যৌন নিপীড়নে শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ: এনসিএমইসি'র তথ্য' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন নিয়ে উদ্বেগ ছিল আগেই। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেনের (এনসিএমইসি) বাংলাদেশ নিয়ে সর্বশেষ তথ্য আরও উদ্বেগজনক।
শিশু যৌন নির্যাতন বন্ধ, শিশু পর্নোগ্রাফি নির্মূলসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করা এনসিএমইসি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সাত বছরে বাংলাদেশে ৯৫ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি শিশু নিপীড়নের রিপোর্ট জমা পড়েছে।
এসব তথ্য পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের কাছেও। তবে এর ভিত্তিতে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় ৯৬ লাখ রিপোর্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। তথ্যগুলো যাচাই করে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বোপরি এটি অনলাইন শিশু সুরক্ষায় রাষ্ট্র, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তাকেই সামনে এনেছে।

'সংস্কারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডায় ঝুঁকছে বিএনপি' নয়াদিগন্তের একটি শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, গণভোট মেনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক বিষয়গুলোর সংস্কারে একমত হলেও এটির বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী জোটে বিরোধ এখন তুঙ্গে।
সংস্কারের আইনি রূপ কিভাবে দেয়া হবে এই মূল প্রশ্নেই সমঝোতা আটকে রয়েছে বলে মত কারো কারো।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন মূলত সরকারের সদিচ্ছার ওপরই নির্ভর করছে। সরকার চাইলেই এটি বাস্তবায়ন করতে পারে।
তারা বলছেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আন্তরিক কিন্তু সেটা তাদের নিজেদের মতো করেই করবে। তারা আশঙ্কা করছেন, সরকারের এই ঢিলেমির কারণে এটি আগামী নির্বাচনে বড় ইস্যুও হয়ে উঠতে পারে।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি বিদ্যমান সংবিধানের ধারা ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় পদ্ধতিতে পর্যায়ক্রমিক সংশোধনীর সপক্ষে। তারা প্রচলিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমেই এই সংস্কার চান।
অন্য দিকে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল ও জোটের মতে, সাধারণ সংশোধনীর মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি সুবিচার করা সম্ভব নয়। তারা সংবিধানের আমূল সংস্কারের পক্ষে অনড়।
