Image description

ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ করেছিল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এবার রংপুর অভিমুখে লং মার্চ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীদলীয় এই জোট। তবে দাবি বেড়েছে, এবার ৭ দফা দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করবে তারা।

আজ রবিবার ঢাকার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সরকারি বাড়িতে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির প্রস্তুতি সভায় আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লং মার্চের সিদ্ধান্ত হয়।

ঐক্যের সমন্বয়ক, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হবে লং মার্চ। রংপুর জিলা স্কুলে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই কর্মসূচি।

পথে পাঁচ জেলায় পথসভা হবে। স্থানগুলো হলো- গাজীপুরের ভোগড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ী।

গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে লং মার্চ করেছিল ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবিতে পালিত হয় সেই কর্মসূচি।

দাবি একটি বেড়ে যাওয়া নিয়ে হামিদুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি যুক্ত হয়ে তা সাত দফায় পরিণত হয়েছে।

গাড়িবহর নিয়ে বিরোধী দলের এই লং মার্চ নিয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতারা সমালোচনা করে আসছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সংসদে দাঁড়িয়ে সমালোচনা করে বলেছিলেন, লং মার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান হবে না। সংকট নিরসনে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে বিরোধী দলকে।

জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান অভিযোগ করে বলছেন, জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, সারের সংকট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দলের দেওয়া প্রস্তাব সরকার যথাযথভাবে আমলে নিচ্ছে না।

এদিকে লং মার্চ কর্মসূচি সফল করতে আজ ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের উদ্যোগে বারিধারার কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগভিত্তিক পরিকল্পনা ও দায়িত্ব বণ্টন হয় সেই সভায়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ৭ দফা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়া সরকারের জন্যই কল্যাণকর। নইলে জনগণকে সংগঠিত করে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে।