Image description

‘জুলাই গণ অভ্যুত্থানে বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের এখনো প্রায় ২৫ শতাংশ উদ্ধার হয়নি। অথচ অস্ত্র উদ্ধারে শুরু থেকে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করলে ভালো ফল পাওয়া যেত।

কিন্তু আমরা দেখেছি, অতীতে যে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে, সেগুলো দুর্বল ছিল। এ অস্ত্রগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ উদ্ধার না হবে তত দিন উদ্বেগ কাটবে না।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘লুটের অস্ত্র যাঁরা নিয়েছেন তাঁরা নিজে অপরাধ করছেন। অন্যদের কাছে ভাড়া দিচ্ছেন ও বিক্রি করছেন। এমনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যে আধিপত্যের লড়াই, চাঁদাবাজি, টার্গেট কিলিংয়ের মতো ঘটনায় লুটের অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। অনেক অপরাধী নিজেকে সুরক্ষার জন্য এসব অস্ত্র কেনার প্রতি ঝুঁকছে। অথচ লুট হওয়ার দুই বছরের বেশি পার হয়ে গেছে। এখন স্বভাবতই জনমনে প্রশ্ন জাগবে, এই লম্বা সময়ে সব অস্ত্র উদ্ধার কেন হলো না? ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়ে আছে।’

এ অস্ত্রগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে। কারণ অপরাধীরা এসব অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করলে ক্ষতি হতে পারে। সুতরাং সমন্বিত ও অর্থবহ অভিযান পরিচালনা না করে আগের মতো দুর্বল অভিযান পরিচালনা করলে কোনো লাভ হবে না। উল্টো এসব বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার ও জনমনের উদ্বেগ দুটিই বাড়তে থাকবে।’