Image description

সারা দেশে ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে সরকার। বর্তমানে এগুলোকে ঘিরে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা-২০২৬ প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে।

দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করে গড়ে তোলার লক্ষ্য থেকেই এসব উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সংরক্ষিত নারী আসনে সরকারদলীয় সদস্য শওকত আরা আক্তারের একটি তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি পর্যটন খাতের উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, পর্যটন খাতে তথ্যের ঘাটতি দূর করে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটিভিত্তিক মডেলে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বাড়ানোর উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশের সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে যৌথভাবে কাজ করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমওইউ স্বাক্ষরের পর যৌথ স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে একটি যৌথ টাস্কফোর্সও গঠন করা হবে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে ব্র্যান্ডিং করার লক্ষ্যে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ওয়েবসাইট তৈরির কাজ চলছে।