বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া জিলা স্কুলের সীমানাপ্রাচীরের পাশ থেকে এসব গুলি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা জানা যায়, সাতমাথা এলাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেন খোঁড়ার কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে বগুড়া জিলা স্কুলের সীমানাপ্রাচীরের কাছে মাটির নিচে শক্ত লোহার মতো একটি বস্তু দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে সেগুলো উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের ধারণা, মুক্তিযুদ্ধের সময় এসব গুলি ড্রেনের পাশে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল অথবা ফেলে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকার পর ড্রেন খোঁড়ার সময় সেগুলো বেরিয়ে আসে।
তবে স্থানীয়দের এই ধারণার সঙ্গে একমত নন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী। তিনি জানিয়েছেন, গুলিগুলো দেখে এখনই কোনো সময়কাল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। অনেক কার্তুজ ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এগুলো পাকিস্তান আমলের বলে মনে হচ্ছে না। বরং এর পরের সময়ের কার্তুজ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, ৫ আগস্ট বগুড়া সদর থানা থেকে কিছু অস্ত্র ও গুলি খোয়া গিয়েছিল। উদ্ধার হওয়া গুলিগুলো সেগুলোর অংশ কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
গণনা করে ৩৩৪টি এসএমজির কার্তুজ পাওয়া গেছে। এগুলোর জব্দ তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।