Image description

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ জন সংসদ সদস্য। তারা হলেন— বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান।

তাদের মধ্যে অসুস্থজনিত কারণে কারণে ভোট দিতে আসেননি মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা, ব্যক্তিগত কারণে অনুপস্থিত ছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম, দলীয় সিদ্ধান্তে ভোট দেননি মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ এবং বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দেননি মুফতি আবুল হাসান।

 

অন্যদিকে সংবাদমাধ্যমকে নিজের ভোটদানে বিরত থাকার কারণ জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তার ভাষায়, ‘এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের।’

 

ভোট না দেওয়ার পক্ষে তিনি তিনটি কারণ তুলে ধরেছেন তিনি। বলেছেন, ‘আমার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে অর্থহীন মনে হয়েছে। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা। তাহলে এটাকে ভোট কেন বলব। সুতরাং এটা মনোনয়ন, নির্বাচন নয়।’

ভোট না দেওয়ার দ্বিতীয় কারণ ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘এত বড় একটি গণ-অভ্যুত্থান গেল, যার সঙ্গে জাতি হিসেবে আমাদের আত্মত্যাগ, অনেক স্বপ্ন জড়িত। তাহলে আমরা সবাই মিলে কেন একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করতে পারলাম না।’

 

তৃতীয় কারণকে হিসেবে রুমিন ফারহানা বললেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের আগে বিএনপি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ভয় দেখাল। অথচ ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি ভিশন ২০৩০-এ গলার রগ ফুলিয়ে কথা বলছে। এখন তারা বলছে, দলের বাইরে ভোট দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। এ রকম প্রহসনের ভোট আমি কেন দেব?’