Image description
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন আবাসিক এলাকা থেকে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের পরিকল্পনাকালে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৫২ জনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
 
শুক্রবার (১৪ অগাস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
 
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, আমির হোসেন, আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক, আশিক।
 
কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে যাওয়ারা হলেন—ঈশান ও হাসিব।
 
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান ৫২ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন এবং দুই কিশোরকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন।
 
গত ১৩ আগস্ট রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গোপন খবরের ভিত্তিতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ভাটারা থানা পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় এজাহারনামীয় ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
 
গ্রেপ্তারের আবেদনে পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন আবাসিক এলাকার ব্লক-এম, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
 
গ্রেপ্তারের আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তার দাবি আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ অগাস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়।
 
ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ অগাস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজনের কথা বলা ছিল।