সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনের শীর্ষ পদে সরকারি দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও অঙ্গসংগঠনের সাবেক নেতাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভেতরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ, উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ।
এসব নিয়োগের পর প্রশাসনের ভেতরে প্রশ্ন উঠেছে—কারিগরি, প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয় কতটা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমে এর প্রভাব কী হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা বৃহস্পতিবার পৃথক ১২টি প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব নিয়োগের ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ বাকি ১১টি পদই গ্রেড-২ মর্যাদার, যা সচিবালয় ও প্রশাসনিক কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে বিবেচিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও করপোরেশনের শীর্ষ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তি কিংবা বিশেষ বিবেচনায় নিয়োগের প্রবণতা বেড়েছে। তবে এবার যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের একটি বড় অংশই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি বা সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ফলে বিষয়টি প্রশাসনের ভেতরে বিশেষভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যেসব পদে নিয়োগ
সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. সামসুল আলম। এ ছাড়া বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সালাহউদ্দিন সরকার। বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন মোহাম্মদ রাশেদুল হক। বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব হয়েছেন কামরুজ্জামান। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হয়েছেন আবদুল খালেক।
একইভাবে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে শামসুজ্জামান (সুরুজ), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু), বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে জাকির সিদ্দিকি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান পদে বেনজীর আহমেদ এবং বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মামুন হাসান।
সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তাদের নিয়োগ কার্যকর হবে। এ সময় তারা অন্য কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি, ব্যবসা কিংবা পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না।
রাজনৈতিক পরিচয়
নিয়োগপ্রাপ্তদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বোয়েসেলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। আর বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক।
এছাড়া জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব কামরুজ্জামান দুলাল জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং সহসভাপতি পদমর্যাদার নেতা ছিলেন। আর বিএসইসির চেয়ারম্যান আবদুল খালেক বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
এর বাইরে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু) বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশবিষয়ক সহ-সম্পাদক। তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান জাকির সিদ্দিকি যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। বিসিকের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের চেয়ারম্যান মামুন হাসান যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাড়ছে অস্বস্তি
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেড-২ ও সমপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা বাড়ায় পদোন্নতির স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসন ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘একজন কর্মকর্তা ২৫ থেকে ৩০ বছর চাকরি করার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রধান হওয়ার প্রত্যাশা করেন। কিন্তু নিয়মিত পদোন্নতির বদলে যদি বাইরের কাউকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই হতাশা তৈরি হয়।’
১৭তম ব্যাচের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রশাসনিক কাঠামোয় পদোন্নতি শুধু ব্যক্তিগত সুবিধার বিষয় নয়; এটি পুরো ক্যাডার ব্যবস্থার অনুপ্রেরণা ও পেশাগত মনোবলের সঙ্গে সম্পর্কিত। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের উপেক্ষা করা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
কর্মকর্তাদের একাংশের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় পরিচয়ের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। তবে এতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিএনপি নেতা শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বর্তমানে পাবনা সদরের এমপি) ২০০৪ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরণীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান পদে চুক্তিভিত্তিক নিযোগ পান। একই সরকারের আমলে নারায়নগঞ্জের তৎকালীন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান পদে ২০০১ সালে নিয়োগ পেয়ে টানা ৫ বছর ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে সরকার সরকারি দপ্তর সংস্থায় দু’একজনকে নিয়োগ দিলেও একসঙ্গে ১২ জনকে নিয়োগ এবারই প্রথম।
আইনে সুযোগ থাকলেও ‘ব্যতিক্রম’ হওয়া উচিত
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ দক্ষতা, অভিজ্ঞতা অথবা রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সরকার এ ধরনের নিয়োগ দিতে পারে। তবে তাদের মতে, এই বিধানকে নিয়মিত ব্যবস্থায় পরিণত করা হলে ক্যাডার প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
একজন সাবেক সচিব বলেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশেষজ্ঞ বা ব্যতিক্রমী দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সেবা গ্রহণ। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো একযোগে এভাবে পূরণ করা হলে নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি তৈরি হতে পারে।
জনপ্রশাসনের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট খাতে অভিজ্ঞতা, দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, জনসম্পৃক্ততা, সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সক্ষমতা কিংবা বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে সরকার অনেক সময় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করা এবং সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নই এসব নিয়োগের উদ্দেশ্য বলে দাবি তাদের।
তবে জনপ্রশাসন বিশ্লেষকদের মতে, কোনো নিয়োগে বিশেষ বিবেচনা বা ব্যতিক্রমী দক্ষতার প্রয়োজন হলে তার যৌক্তিকতা প্রকাশ্যে তুলে ধরা উচিত। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং প্রশাসনের অভ্যন্তরে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কও কমবে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, ‘চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সরকারি ব্যবস্থায় নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে এটি যেন নিয়মে পরিণত না হয়ে ব্যতিক্রম হিসেবেই থাকে।’ তাঁর মতে, মেধা, অভিজ্ঞতা ও জ্যেষ্ঠতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত না হলে নিয়মিত কর্মকর্তাদের মনোবল ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কোন পদে, কী প্রয়োজন এবং কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে—সে বিষয়ে সরকারের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিয়মিত কর্মকর্তাদের ন্যায্য পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা ধরে রাখতে এ দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা জরুরি।’
সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া সমকালকে বলেন, ‘যথাযথ দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বিবেচনা না করে কেবল দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’ তাঁর মতে, এ ধরনের নিয়োগপ্রাপ্তরা যদি দলীয় বিবেচনায় নিজেদের অনুসারীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন হতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও পেশাদারিত্ব দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন প্রশাসনিক বা কারিগরি দায়িত্ব পালনকারীদের যে অভিজ্ঞতা ও বাস্তব জ্ঞান থাকে, তা বাইরে থেকে আসা একজন ব্যক্তির পক্ষে অল্প সময়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সরকার চাইলে ধাপে ধাপে এবং সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারত। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে নিয়োগ দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার সমকালকে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও পারস্পরিক দ্বন্দ্বও অনেকাংশে দায়ী।’ তাঁর ভাষ্য, কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ, অবিশ্বাস এবং একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার প্রবণতার কারণে সরকারের পক্ষে প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিক নিয়োগ ও পদায়নের আদেশ বাতিল কিংবা প্রত্যাহারের ঘটনাও সেই সংকটের প্রতিফলন। এমন বাস্তবতায় সরকার বিকল্প পথ খুঁজছে। অতীতেও রাজনৈতিক বিবেচনায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের নজির ছিল, যদিও এবার সংখ্যাটি তুলনামূলক বেশি। তবে এসব নিয়োগের ফলাফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে নিয়োগপ্রাপ্তদের সততা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের ওপর। তারা যদি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করেন এবং সরকারকে বিতর্কিত না করেন, তাহলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব।