বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে কক্সবাজার সীমান্তে ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির পাশাপাশি সীমান্তে স্থল টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
আজ শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে সব তথ্য জানান কক্সবাজার বিজিবির ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল আলম।
তিনি বললেন, দেশে ইয়াবার চাহিদা থাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা হয়েছে।
কর্নেল আনোয়ারুল আলম জানান, সম্প্রতি ড্রোন ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের বিষয়টি আলোচনায় এলেও এখন পর্যন্ত এ ধরনের ঘটনার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বর্তমানে কক্সবাজার সীমান্তে চারটি ড্রোন মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। যাতে সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ড্রোন শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির পাশাপাশি স্থল টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে, যোগ করেন তিনি।
মাদকবিরোধী র্যালিতে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবদূত মজুমদারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।