পার্শ্ববর্তী ভারতের পানি বণ্টনে বৈষম্যের কারণে দেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ বুধবার (২৪ জুন) মানিকগঞ্জের শিবালয়ে খালের খননকাজ পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার তিস্তা ও পদ্মা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, সারা দেশে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
দুপুরে শিবালয় উপজেলার কাসাদহ খালের খননকাজ পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। পরে তাঁরা দৌলতপুর ও সাটুরিয়া উপজেলার আরও দুটি খালের খনন কাজ পরিদর্শন করেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ব্যাপক পরিসরে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। খালগুলোতে পানি সংরক্ষণ, মাছ চাষ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টির লক্ষ্য রয়েছে।’ খাল খননের কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা কাসাদহ খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি সংরক্ষণ ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে খাল পুনঃখনন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সুবিবাসীর সম্প্রসারণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
এ সময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, জেলা পরিষদের প্রশাসক জামিলুর রশিদ খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।