খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পরীক্ষা চলাকালে অবৈধ ডিভাইস ও মোবাইল সহকারে হলে অবস্থান করে জালিয়াতির অভিযোগে ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৯ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ কেন্দ্রে তাদের আটক করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস।
জানা যায়, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ঢাকা কলেজে খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একপর্যায়ে পরীক্ষা পরিদর্শনে আসা ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল্লাহর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে জালিয়াতির অভিযোগে ৫০ জনকে আটক করা হয়।
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ ২৮ জনকে ও কেন্দ্রের বাহিরে ঢাকা কলেজে মূল ফটক থেকে ২২ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ফৌজদারি দন্ডবিধির ২৪৫ ও ২৫৮ ধারা অনুযায়ী অন্তত ১৬ জনকে ১ থেকে ৭ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, পরীক্ষায় সময় যাদের সন্দেহজনক মনে হয়েছে পরবর্তীতে চেক করে তাদের কাছে ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেছে। মোবাইলে মেসেজ পাওয়া গেছে। পরীক্ষার সময় তারা প্রশ্ন স্ক্যান করে পাঠিয়েছে। এরপর বাহিরে থেকে সেই উত্তর আসছে।
তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে দুইটা গ্রুপ আছে। একটা হল যারা গেটের বাইরে ঢোকার সময় ধরা পড়ছে। আরেক গ্রুপকে পরীক্ষার হল থেকে ধরা হয়েছে। এরপর জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন রুম থেকে ধরে এনে আলাদা দুইটা রুমে রাখা হয়েছিল। কেন্দ্রের যে ম্যাজিস্ট্রেট আছে তার কাছে সপর্দ করা হয়েছে। আটকারীদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট আইনানুক ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা জোনের নিউমার্কেট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। এরপর তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।