দিল্লির বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার ঘটনার প্রভাব ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাজ করারও আশ্বাস দেন তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ভারতীয় ইমিগ্রেশন সঠিক আচরণ করেনি। তার প্রতিবাদ জানাতেই দেশে ফিরে আসা। এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টা দেখছে। তারা হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। এটা তারা এখন বলবেন, তারা কতটা প্রতিক্রিয়া দেখাবেন।
তিনি যোগ করেন, ‘তবে আমি এক্সপেক্ট করব, এর প্রভাব দুই দেশের এনগেজমেন্টে পড়বে না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এনগেজমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে চাই। বলা হয়, বন্ধু পাল্টানো যায়, প্রতিবেশি পাল্টানো যায় না। এটা আমাদের ক্ষেত্রে যেমন সত্য, ভারতের ক্ষেত্রেও সত্য। আমি বিশ্বাস করি, তাদের সরকার বিষয়টা বোঝেন ও বুঝবেন।’
বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে এই সরকার কারও সঙ্গে সম্পর্ক করতে চায় না মন্তব্য করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘ইন্টেরিমের সময় দুই দেশের সম্পর্ক নেমে এসেছিল। সেখান থেকে সরে এসেছি। সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে রোল প্লে করতে পারলে আমি করব।’
আবার ভারতে যাবেন কিনা প্রশ্নে তিনি জানান, ঠিকমতো আমন্ত্রণ পেলে যাবেন। এই ঘটনার কারণে দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটুক তা চান না বলেও জানান।
সোমবার থেকে দিল্লিতে শুরু হওয়া ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল জাহেদ উর রহমানের। উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সবুজ পাসপোর্টে সার্ক ভিসা স্টিকার নিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন। তবে ভারতীয় ইমিগ্রেশন সেই ভিসা গ্রহণ করেনি। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার মুখে পড়েন তিনি।
পরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দেন। সোমবার ভোরে কলম্বো পৌঁছে সেখান থেকে ঢাকার ফ্লাইটে যাত্রা করেন উপদেষ্টা।