Image description

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে সরকারের কাছে চিঠি দেওয়া বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, আমরা বেনজিরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিনটি মামলার ওয়ারেন্ট ইতোমধ্যে সরকারের কাছে পাঠিয়েছি। এনসিবির মাধ্যমে ইন্টারপোলে কাছে এই ওয়ারেন্টের কপি যাবে।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের অন্তত দশটি মামলার তদন্তে বেনজিরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। শাপলা চত্বরের মামলায় ইনভেস্টিগেশন প্রায় শেষের দিকে। কক্সবাজারের টেকনাফে করাম কমিশনার মার্ডার কেসে ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে আমরা ফরমাল চার্জ রেডি করেছি। এটা সাবমিট করে দেব খুব শিগগিরই। অন্য প্রায় ছয় থেকে সাতটি মামলার ইনভেস্টিগেশন এখন চলছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া অসংখ্য গুম-খুনের অপরাধের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আছে। এবং তার বিরুদ্ধে আমাদের আমাদের ট্রাইব্যুনালের বাইরেও ফিনান্সিয়াল ক্রাইমের অসংখ্য অভিযোগ আছে। ইতোমধ্যে আপনারা জানেন যে তার বিরুদ্ধে অ্যান্টি করাপশন কমিশন একটি মামলাও হয়েছে। এই সবকিছু মিলিয়ে আমরা আমাদের তিনটি ওয়ারেন্ট ইতোমধ্যে আমরা সরকারের কাছে পাঠিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আমার জানামতে এক্সট্রাডিকশন চেয়ে তাকে ফেরাতে আবেদন জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে এই প্রক্রিয়া শেষ হলে আমরা যতদূর জানি যে ওখানে প্রায় তাদের এক মাস সময় লাগে। হয়ত এক মাসের মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে।

তিনি আরও বলেন, তাকে ফেরত আসার সাপেক্ষে আমাদের এখানে যে মামলাগুলো চলমান আছে, সেগুলোতে তাকে আনা হবে এবং যেগুলোতে ইনভেস্টিগেশন চলছে, সেগুলোতে তাকে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

​এটা আমি নির্দ্বিধায় বলে দিচ্ছি, তাকে দেশে ফেরানোর পর আমরা রিমান্ডে নেব। তার কাছ থেকে আমাদের অনেক তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার ব্যাপার আছে। এর বেশিরভাগই হচ্ছে তার ক্রসফায়ারের বিষয়ে।