যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ কূটনীতির মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস এবং সংঘাতের সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই ইতিবাচক অগ্রগতিতে অবদান রাখা সব পক্ষ ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টার প্রশংসার দাবি রাখে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ আশা করে যে, চুক্তিটি সদ্ভাবের সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে এবং টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী প্রমাণিত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য বলে মনে করে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সব পক্ষকে এই গতি কাজে লাগিয়ে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য উৎসাহিত করে এবং আঞ্চলিক শান্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল ও সহযোগিতার দ্রুত পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা করে।
যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের পক্ষ থেকেও চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আগামী ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হবে।
চুক্তির বিষয়টি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন। আমি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণভাবে টোলমুক্তভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার অনুমতি দিচ্ছি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও অবিলম্বে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।’
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। তেলের প্রবাহ চলুক।’ পরে ইরানের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।