Image description

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক শিশুকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগী ও তার মায়ের জবানবন্দির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগীর মা ওই তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটি সেখানে যেত। জবানবন্দিতে শিশুটি অভিযোগ করে, বিভিন্ন সময়ে কাজের অজুহাতে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে একাধিকবার নির্যাতন করা হয়েছে। লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি প্রথমে গোপন রাখলেও গত ৫ জানুয়ারি ঘটনাটি জানাজানি হয়।

ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, বিষয়টি আগেই স্থানীয় সার্কেল কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, আগে এই ধরনের একটি মৌখিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিক ওই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ না থাকায় নতুন করে তদন্তের জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ।