পাবনার পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক কিশোরীর হাত বাঁধা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর-পীরপুর সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৪ থেকে ১৬ বছর। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তার গলায় একটি রূপার চেইন পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পদ্মার চরে কাজ করতে যাওয়ার সময় কয়েকজন কৃষক নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। সন্দেহ হলে তারা বস্তার কাছে গিয়ে ভেতরে মরদেহ রয়েছে বুঝতে পারেন। পরে বস্তার মুখ খুলে একটি কিশোরীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই এলাকায় একটি প্রাইভেটকার দেখা যায়। গাড়িটিতে চারজন যুবক ছিলেন। একপর্যায়ে গাড়িটি বিকল হয়ে গেলে স্থানীয়দের সহায়তায় সেটি বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ওই গাড়ির সঙ্গে মরদেহ উদ্ধারের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে—এমন দাবি স্থানীয়দের পক্ষ থেকে করা হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহতের পরিচয় এবং মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শীর্ষনিউজ