চাঁদপুরে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং চাঁদপুর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে চাঁদপুর যাত্রা পথে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মহাসড়কজুড়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান দলের নেতা-কর্মীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ অংশে মুরাদনগরের ৬বারের এমপি ও ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে হিন্দু মুসলিম আলেম ওলামা ও কৃষক এবং সাধারণ জনতার ঢল নামে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের নিয়ে মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে অবস্থান নেন। এ সময় ইমাম মোয়াজ্জিনদের বেতন বোনাস প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মুরাদনগরের আলেম ওলামা ইমাম মোয়াজ্জিনগন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
'স্বাধীনতার ঘোষক বীর উত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় গর্বিত মুক্তিযুদ্ধাগন' শিরোনামে ব্যানার হাতে অভ্যর্থনা জানান মুরাদনগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুরোহিতদের বোনাস প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা শিরোনামে ব্যানার হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উলু ধ্বনি দিয়ে অভ্যর্থনা জানান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফুল হাতে হাজার হাজার নারী মহাসড়কে দাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
ধানের শীষ হাতে মাথাল মাথায় কাঁধে লাঙ্গল নিয়ে শত শত কৃষক প্রধানমন্ত্রীকে কৃষিকার্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ব্যতিক্রমী এসব আয়োজন নজর কেড়েছে জনতার। কুমিল্লা জেলা জুড়ে প্রশংসায় ভাসছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
ইলিয়টগঞ্জে অবস্থানরত বিএনপি নেতা কর্মী ও জনতার অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস থামিয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে মুসাফাহ করেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে জনতার ঢলে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী শাহ আরেফীন ও গোলাম মহিউদ্দিন মোল্লা।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, আব্দুল আজিজ মোল্লা, নজরুল ইসলাম, ফারুক সরকার মজিব, হাজী ইদ্রিস, শাহ আলম সরকার ও সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক। আহবায়ক কমিটির সদস্য সোহেল আহমেদ বাবু।
উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তার মিনা, সহ-সভাপতি তাছলিমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক ছিনু বেগম।
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সোহেল সামাদ সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা ও সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা।
ছাত্রদলের আহবায়ক খায়রুল আহসান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাজিমুদ্দিন ও সদস্য সচিব সুমন মাস্টার।
বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, আব্দুল মতিন।
নবীয়াবাদ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম, মাওলানা হাফেজ আমিনুল ইসলাম, মুফতি সাদেকুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা ইকবাল হোসাইন।
মুরাদনগর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি দুলাল দেবনাথ, সহ-সভাপতি দয়াল পাল ও সাধারণ সম্পাদক দয়ানন্দ ঠাকুর।
এছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।