Image description

সিরাজগঞ্জ থেকে ডাকাতি করা গরুর মাংস যায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপে। এক বছর আগের একটি গরু ডাকাতির মামলার তদন্তে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন ডাকাতের মধ্যে একজন এ বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।  

গ্রেপ্তারকৃতরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর ছেলে ডাকাত রিপন ওরফে হাসান (২৪), সুপারশপে মাংস সরবরাহকারী ঢাকার আশুলিয়া উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার জুলমত খানের ছেলে জিয়া হোসেন (৪৫) ও তার সহযোগী কসাই পাবনার বেড়া উপজেলার মোহনগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ও আশুলিয়া উপজেলার এনায়েতপুর গোড়পীড় মাজার এলাকার ভাড়াটিয়া গোলজার সেখের ছেলে আব্দুল আলিম (৪২)।

সলঙ্গা থানার ওসি আলী আসলাম বলেন, গত কোরবানির ঈদের আগে ১৭ এপ্রিল চট্রগ্রামের বাসিন্দা আমানুল্লাহ নামে এক ব্যবসায়ী উত্তরাঞ্চল থেকে ১৪টি গরু কিনে পিকআপে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

 
রাতের বেলায় ওই পিকআপটি সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়ক এলাকায় পৌঁছলে ডাকাতরা তাদের ট্রাকে গতিরোধ করে। পরে চালক, হেলপার ও গরুর রাখালদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা গরুগুলো নিজেদের ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই সময় সলঙ্গা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

 

ওসি আরো বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গত বুধবার (১৩ মে) নিজ এলাকা থেকে গরু ডাকাত রিপন ওরফে হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 
বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে মহাসড়কে গরু ডাকাতি ও সুপারশপে মাংস বিক্রির পাশাপাশি এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সলঙ্গা থানা আমলী আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ওমর ফারুক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। 

 

পরে রিপন ওরফে হাসানের দেওয়া তথ্যমতে বৃহস্পতিবার সুপারশপে মাংস সরবরাহকারী জিয়া হোসেন ও তার সহযোগী কসাই আব্দুল আলিমকে নিজ নিজ এলাকার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলেও জানান।