‘সবকিছুতেই যেন মেয়েদের দোষ! এটা সংস্কৃতিগত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে’—সুইডেন থেকে দেশে ফিরে ঢাকায় জনপরিসরে হেনস্তার শিকার হয়ে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে এই উক্তি সুরাইয়া সুলতানা বীথির। নেত্র নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি তিনি, কর্মসূত্রেই থাকেন সুইডেনে। আড়াই মাসের জন্য সম্প্রতি ফিরেছিলেন দেশে।
গত ১৫ এপ্রিল বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজারে মা–বাবার সঙ্গে কেনাকাটার সময় হেনস্তার শিকার হন সুরাইয়া। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এক ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর দিকে বাজে দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন। বিরক্ত হয়ে তিনি ‘কী দেখেন’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি মারমুখী হয়ে ওঠেন। প্রথমে বলেন, ‘তোর কী সমস্যা?’ এরপর আরও গালাগালি।
সুরাইয়া বলেন, একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি মুঠোফোন বের করে কাউকে ডেকে মব তৈরি করার চেষ্টা করেন। তিনি তখন ঘটনাটি ভিডিও করতে শুরু করেন।
ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে দেখা যায়। আশপাশের মানুষ ওই ব্যক্তিকে থামানোর বদলে তাঁকে ওই এলাকা ছাড়তে অনুরোধ ও সহায়তা করেছিলেন বলে জানান সুরাইয়া।
অফলাইনের এই হেনস্তার রূপ পরে অনলাইনেও দেখেন এই নারী সাংবাদিক। ফেসবুকে ভিডিওটি পোস্ট করলে অনেকেই তাঁকে নিয়েই নানা মন্তব্য করে।
আমাদের সংস্কৃতির যেন মূল উপাদান হয়ে দাঁড়িয়েছে নারীবিদ্বেষ। এই দুষ্টচক্রকে কিছুতেই ভাঙা গেল না। কিছু ঘটনা আলোচনায় আসে, কিছু ঘটনা সংবাদমাধ্যমে খবর হয়; কিন্তু প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া নানামাত্রার সহিংসতা অগোচরে থেকে যায়। নারীকে মানুষ হিসেবে সম্মান না করে নির্ভয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করা হয়।শিরীন পারভীন হক, সাবেক নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান ও নারী পক্ষর সদস্য
হতাশ কণ্ঠে সুরাইয়া বলেন, ‘জনপরিসর যেন শুধু বাঙালি পুরুষদের হয়ে গেছে! এ পরিচয় না থাকলে জনপরিসরে নিরাপত্তা নেই।’
সুরাইয়া বিচ্ছিন্ন কোনো উদাহরণ নন, নারীর চাকরি আর বাল্যবিবাহ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘর অনেক সময় হয়ে ওঠে অশ্রাব্য ভাষা, বিদ্বেষ আর শ্লেষের মঞ্চ। এসব মন্তব্যকে অনেকে প্রযুক্তিনির্ভর ‘বট’ আক্রমণ বলে ধরে নেন। এ বিদ্বেষ শুধু ডিজিটাল পরিসরেই নয়, রাস্তাঘাট, গণপরিসর ও শিক্ষাঙ্গনেও তার উপস্থিতি স্পষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করলেই উল্টো ভুক্তভোগী নারীকেই হেনস্তার মুখে পড়তে হয়।

বিষয়টি জাতীয় সংসদেও উঠে এসেছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন নারীদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য ও আচরণের অভিযোগ তুলেছেন।
গত বছর জয়পুরহাট ও রংপুরে নারী ফুটবল ম্যাচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা, রাজধানীতে পোশাক বা আচরণ নিয়ে কটূক্তির পর মারধরের অভিযোগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর ও লালমাটিয়া এলাকায় ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, নারীদের উপস্থিতি বা প্রতিবাদই হেনস্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
২ এপ্রিল সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে ‘কদাকার–কুৎসিত’ মন্তব্যের অভিযোগ করেন। পরে ২৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনও একই ধরনের অভিযোগ তোলেন।
সাবেক নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান ও নারী পক্ষর সদস্য শিরীন পারভীন হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতির যেন মূল উপাদান হয়ে দাঁড়িয়েছে নারীবিদ্বেষ। এই দুষ্টচক্রকে কিছুতেই ভাঙা গেল না। কিছু ঘটনা আলোচনায় আসে, কিছু ঘটনা সংবাদমাধ্যমে খবর হয়; কিন্তু প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া নানা মাত্রার সহিংসতা অগোচরে থেকে যায়। নারীকে মানুষ হিসেবে সম্মান না করে নির্ভয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করা হয়।’
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী সারা হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর একধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মানুষ বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ শক্ত অবস্থানে থাকতে পারেনি। বেশ কিছু উগ্র গোষ্ঠী মাঠে নেমে গেছে। তারা পারও পেয়ে গেছে। তাদের জবাবদিহির মধ্যে আনতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে।

জনপরিসরে বাড়ছে হয়রানির অভিযোগ
চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই নারী হেনস্তার একাধিক ঘটনা আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় দুই নারী ও তাঁদের সঙ্গে থাকা এক তরুণকে মারধর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী।
ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ভিডিওতে তাঁদের কিলঘুষি, লাঠি ও হেলমেট দিয়ে আঘাত এবং ‘ফ্লাইং কিক’ মারার দৃশ্যও ধরা পড়ে। পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া আরেক ভিডিওতে এক নারীকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও তাঁরা নিরাপদ নন এবং তাঁদের ‘প্রস্টিটিউট’ বলে অপমান করা হয়েছে।
সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি ও নারীদের প্রতিবাদ করতে হবে। এসব ঘটনা প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ দরকার। মন্ত্রণালয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করবে।ফারজানা শারমিন, প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে ময়মনসিংহে স্কুলে যাওয়ার পথে দুই শিক্ষার্থীকে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে বহিরাগত ব্যক্তির উত্ত্যক্ত করা; বাস ভাড়া নিয়ে বিতণ্ডায় চুলের মুঠি ধরে এক মধ্যবয়সী নারীকে বাস থেকে টেনে নামিয়ে পেটানো, ব্যক্তিগত দুটি গাড়ির ধাক্কা লাগায় এক নারীকে চড় মারার মতো ঘটনাও দেখা যায়। এ ছাড়া মেট্রোরেলের সাধারণ বগিতে নারীদের উদ্দেশে তির্যক মন্তব্যের অভিযোগও নিয়মিতভাবে উঠছে।
মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, নারীদের জন্য আলাদা বগি আছে বলে অন্য বগিতে নারীরা উঠতে পারবেন না, তা তো নয়। কিন্তু সাধারণ বগিতে উঠলেই পুরুষেরা বাঁকা কথা বলতে থাকেন।

গত ২ এপ্রিল সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে ‘কদাকার–কুৎসিত’ মন্তব্যের অভিযোগ করেন। পরে ২৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনও একই ধরনের অভিযোগ তোলেন।
সবকিছুতেই যেন মেয়েদের দোষ! এটা সংস্কৃতিগত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনপরিসর যেন বাঙালি পুরুষ আর মুসলিমদের হয়ে গেছে! এ পরিচয় না থাকলে জনপরিসরে নিরাপত্তা নেই।সুরাইয়া সুলতানা, হেনস্তার শিকার নারী সাংবাদিক
বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহ পর ২৪ ফেব্রুয়ারি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও নারীবিদ্বেষী মনোভাব হচ্ছে অসুস্থ মানুষের আচরণের বহিঃপ্রকাশ। বহু বছর ধরে সমাজে বিষয়গুলোর সংযুক্তি ঘটেছে। রাজনীতিতে যেসব নারী আছেন, তাঁদের হেনস্তার ঘটনাও একইভাবে হয়েছে।
সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি ও নারীদের প্রতিবাদ করার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন বলেন, এসব ঘটনা প্রতিরোধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ দরকার। মন্ত্রণালয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করবে।

‘ওড়না’ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ
চলতি বছর ওড়না নিয়ে হেনস্তার শিকার হন নতুন সংবাদপত্র আগামীর সময়ের ফিচার বিভাগের সহসম্পাদক মুমিতুল মিম্মা।
মুমিতুল মিম্মা প্রথম আলোকে বলেন, ১১ এপ্রিল কর্মস্থলে যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজারের টি কে ভবনের সামনে এক বয়স্ক ব্যক্তি তাঁকে বলেন, ‘এই, আপনি ওড়না পরবেন। ওড়না পরেননি কেন?’
মুমিতুলের অভিযোগ, এ ধরনের মন্তব্যের কারণ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি তাঁর দিকে তেড়ে আসেন। ঘটনার প্রমাণ রাখতে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তি মুমিতুলের হাত মুচড়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। পরে কয়েকজন এসে ওই ব্যক্তির পক্ষ নিয়ে মুমিতুলকে উল্টো কথা শোনানোর পর ওই ব্যক্তিকে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে যান।

মুমিতুল বলেন, পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং নারীবিদ্বেষী আচরণের মাধ্যমে তাঁদের জীবনধারা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
মুমিতুল আরও বলেন, এ ধরনের প্রবণতায় রক্ষণশীলতাই ধীরে ধীরে ‘নতুন স্বাভাবিকতা’ হয়ে উঠছে।
শাস্তির দুর্বলতা ও সামাজিক কাঠামো
নারী হেনস্তার ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্য আগের ঘটনার বিচার না হওয়াকে কারণ হিসেবে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ।
এই অধ্যাপক প্রথম আলোকে বলেন, নারী হেনস্তার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। যেসব ক্ষেত্রে শাস্তি দেওয়া হয়, তা কী শাস্তি এবং কেন দেওয়া হলো—এটি স্পষ্টভাবে প্রচার করা প্রয়োজন, যাতে অন্যরা সতর্ক হয়।
পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং নারীবিদ্বেষী আচরণের মাধ্যমে তাদের জীবনধারা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।মুমিতুল মিম্মা, হেনস্তার শিকার নারী সাংবাদিক
নারীর অগ্রযাত্রাকে মেনে নেওয়ার মানসিকতাও সমাজে গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন শাইখ ইমতিয়াজ।
শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমরা নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করি। কিন্তু নারীর ক্ষমতায়ন পুরুষ কীভাবে গ্রহণ করবে, তা নিয়ে কাজ করা হয় না। পুরুষকে প্রস্তুত করতে সমাজ ও রাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। পুরুষদের একটা সংকট আছে, তারা জানে না নিজেদের কীভাবে গ্রুমিং (প্রস্তুত) করতে হবে। ছেলেদের প্রতি মনোযোগ দিয়ে কিছু আলাদা পরিকল্পনা করা দরকার। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গবেষণা করা দরকার।’
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলার মতো বিকল্প বিকাশের ক্ষেত্রগুলো সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন অধ্যাপক ইমতিয়াজ।

প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন
কোন ঘটনাকে নারী হেনস্তা বলা হবে এবং এ বিষয়ে আইনে কী বলা আছে, জনসচেতনতা তৈরিতে তার ব্যাপক প্রচারের ওপর জোর দিচ্ছেন আইনজীবী সারা হোসেন।
আইনজীবী সারা হোসেন আরও বলেন, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি যেভাবে সফল করা গেছে, সেভাবে নারীবিদ্বেষের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলে সামাজিক পরিবর্তন আনতে হবে। এতে লজ্জার দায় ভুক্তভোগীর পরিবর্তে অভিযুক্তের ওপর দিতে হবে; যেন নারী হেনস্তার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে লজ্জা পেতে হয়।
নারী পক্ষর সদস্য শিরীন পারভীন হক বলেন, নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সব মন্ত্রণালয়, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একক অবস্থান নিতে হবে। নারীর অধিকার সমুন্নত রাখতে, নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং নারীর মানুষ পরিচিতি প্রতিষ্ঠা করতে নারী আন্দোলনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, শ্রমিক ও পেশাজীবী আন্দোলনকেও যুক্ত করতে হবে।
এদিকে সাংবাদিক মুমিতুল মিম্মা হেনস্তা হওয়ার ঘটনা নিয়ে তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে লিখেছেন, একসময় তিনি এমন পরিস্থিতিতে হতাশ হয়ে পড়লেও এখন দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।
যুদ্ধ ছাড়া সুচের ডগার সমান জমিও ছেড়ে না দেওয়ার মতো অটল মনোভাব নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’।