Image description

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যক্রম গতিশীল করতে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। সম্প্রতি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ জরুরি ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছাত্রসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

এতে কমিটিতে পদপ্রত্যাশীদের আগামী ৮ মে থেকে ১৫ মের মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দপ্তর সেলের ই-মেইলে ([email protected]) জীবন বৃত্তান্ত পাঠানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

জীবন বৃত্তান্তের সাথে এক কপি ছবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র অথবা পরিচয় পত্র অথবা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাগজপত্র, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, জন্মসনদের কপি, সকল বোর্ড পরীক্ষার সনদের কপি, সর্বশেষ পাসকৃত পরীক্ষার সনদপত্র অথবা মার্কশিটের কপি এবং অন্যান্য বৃত্তিমূলক কাজের সনদের (ক্রীড়া, সংস্কৃতি, তথ্য প্রযুক্তি, কমিউনিটি সার্ভিস ও অন্যান্য) কপি।

এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের তৎপরতা দিনদিন বেড়েই চলেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন সময়ে গোপনে পোস্টারিং করে আসছিল নিষিদ্ধ সংগঠনটি। তবে সাম্প্রতিককালে পলাতক নেতাকর্মীদের আনাগোনা বেড়েছে ক্যাম্পাসে। প্রায়শ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্পটে ফটোসেশন করে ফেসবুকে জানান দিচ্ছেন তারা। এমনকি ১৯ এপ্রিল ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে অবস্থান নেন এক নেতা।

ওই দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন চবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম ওরফে ওয়াহিদুল ইসলাম। তিনি স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। এদিকে গত ৩ মে রাজধানীর মিরপুরে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামিমা সীমার নেতৃত্বে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের একদল নেতাকর্মী।