Image description

সদ্য ঘোষিত নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের ৩৭ সদস্যের কমিটি বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে জেলা শহর মাইজদী পৌর বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একই স্থানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

সমাবেশে বক্তব্য দেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত শুভ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ বাবু, নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. ওয়াসিম, সাবেক সদস্য সচিব জিহাদুল ইসলাম সজীব এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন প্রমুখ।

 

বক্তারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দলীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যক্তিস্বার্থে কাজ করছেন। তার বাবা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা। তার পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সংগঠনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করছেন বলেও দাবি করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, গত ২ মে রাতে ঘোষিত জেলা কমিটিতে অছাত্র, বিবাহিত এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ওই কমিটির ১০ জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন বলেও দাবি করেন তারা। হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলী। যিনি অতীতে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে বহিষ্কৃত ছিলেন। অথচ তাকে বর্তমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি করা হয়েছে।

 

বক্তারা বলেন, এসব সিদ্ধান্তে ত্যাগী নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়ছেন এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে আগ্রহ হারাচ্ছেন। তারা দ্রুত এই “পকেট কমিটি” বাতিল করে যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানান। এ দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন বিক্ষোভকারীরা।

পকেট কমিটির অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল বলেন, ‘সবাইকে একসঙ্গে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যোগ্যতা ও সাংগঠনিক নিবেদনের ভিত্তিতেই কমিটি হয়েছে।