Image description

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে নিজের দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সংসদে তিনি এই দাবি জানান।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ‘আমরা এটাও দেখেছি জুলাই সনদের পর জুলাই অভ্যুত্থানের পরে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যে সরকার গঠিত হয়েছে। সেই সরকারে আমাদের নবীনরা যারা ছিলেন, আমাদের ভাইরা ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও আনফরচুনেটলি গত দেড় বছরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।’

এর জবাবে সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘সংসদ সদস্য তার বক্তব্যে বললেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগ। অন্তর্বর্তী সরকারে তো আমি ছিলাম কিছু সময়ের জন্য উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলাম, আরও দুই একজন ছিলেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। আমি নির্বাচনের বহু আগেই পদত্যাগ করে চলে এসেছি। এখন দুর্নীতির অভিযোগের কথা তারা বললেন, তারাই সরকারে আছেন। তাদের এটা প্রমাণ করতে হবে—এটার প্রমাণ জাতীয় সংসদে যেহেতু বলেছে তাদেরকে এই প্রমাণ দিতে হবে। নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছেন? আমি সেই প্রমাণ তাদের কাছে চাচ্ছি।’

‘আরেকটি বিষয় এখানে সবাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। সবাই নির্বাচিত প্রতিনিধি। হ্যাঁ, আমার বয়স ২৮। আজ আমার জন্মদিন এবং আমি নবীন সদস্য কিন্তু এখানে আমিও জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হয়ে এসেছি। কারও ছোট ভাই হিসেবে আমি এখানে আসিনি। ফলে সবাই সংসদ সদস্য, সবাই যে সম্মান-মর্যাদা প্রত্যাশা করে, সবাই যেটা পায়, আমরাও কিন্তু সেই একই জিনিস প্রত্যাশা করি।’—যোগ করেন নাহিদ ইসলাম।

এসময় স্পিকার বলেছেন, ‘ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে আপনাকে জন্মদিনের অভিনন্দন জানিয়েছেন। আর প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ কারও নাম নিয়ে বলেন নাই, বলেছেন তরুণ সদস্যরা, কারও নাম বলেন নাই তো।’