Image description

ঋণের নামে ইউনিয়ন ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ২৮৯টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই কাগুজে। এ ছাড়া ঋণ দেওয়ার সময় রাখা হয়নি পর্যাপ্ত জামানত। নথিপত্র ঠিকঠাক যাচাই-বাছাই ছাড়াই এসব ঋণ অনুমোদন করায় এই ঋণ আদায়ের কোনো পদ্ধতিও নেই। এসব ঋণ এখন খেলাপি। বিপুল পরিমাণে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ফলে ভয়ানক ক্ষতির মুখে পড়েছে বেসরকারি এ ব্যাংকটি। ঝুঁকিতে পড়েছে সাধারণ আমানতকারীদের অর্থও। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ নিয়ে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুর্নীতিবিরোধী এ সংস্থাটি এই ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত দেড় শতাধিক কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করেছে।

জানতে চাইলে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ‘২৮৯টি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান কাগুজে হওয়ায় এই ঋণ এখন খেলাপি। এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় এরই মধ্যে প্রকাশ্যে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এসব ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের খোঁজা হচ্ছে। এ ছাড়া এই ঋণ বেনিফিশিয়ারি কারা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর সঙ্গে যাদেরই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

জানা গেছে, ক্ষমতার পালবদলে ইউনিয়ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণের নামে ব্যাংক থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা দুদকে জমা দিয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রতিষ্ঠানটির অসাধু ১৪৮ কর্মকর্তার যোগসাজশে ২৮৯টি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ঋণের নামে কাগুজে বা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

চিঠিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ঋণ অনুমোদনের সময় প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব ও নথিপত্র যাচাই করা হয়নি। এ ছাড়া ঋণের অনুকূলে আমানতও রাখা হয়নি। যে কারণে চাইলেও তাদের পক্ষে এই খেলাপি ঋণ আদায় করা সম্ভব নয়।

ব্যাংকের তথ্যমতে, এই ঋণগুলো বিতরণ করা হয়েছে ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও যুগ্ম পরিচালক আরিফ হোসেন খান কালবেলাকে বলেন, ‘ঋণ অনুমোদনের দায়িত্ব নিজ নিজ ব্যাংকের। বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত ডিসেম্বরকে টার্গেট করে পরিদর্শন করে। সেখানে খতিয়ে দেখা হয়—কোনো ঋণ বিতরণে অনিয়ম হয়েছে কি না। অনিয়ম হলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। প্রতিবেদন দিতে দিতে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি হয়ে যায়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক তার বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। তবে যে ঋণের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো সেপ্টেম্বরে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের প্রায় ছয় মাস আগে দেওয়া হয়েছে। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় নেই। দায় মূলত ঋণ বিতরণকারী ব্যাংকেরই।’

যেসব কোম্পানি ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছে: মর্ডার্ন ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস হাউস। প্রতিষ্ঠানটির মালিকের নাম মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী। এ প্রতিষ্ঠানটি ৯৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। সুপ্রিম বিজনেস সেন্টারের মালিক নাসির উদ্দিন মোহাম্মদ সেলিম। তিনি আত্মসাৎ করেছেন ১০২ কোটি ৯ লাখ টাকা। ইনোভেশন ট্রেডিংয়ের মালিকের মো. আবেদ হোসেন চৌধুরী ঋণ নিয়েছেন ৮০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মাউন্টেন ট্রেডার্সের মালিক আবদুল কবিরের ঋণের পরিমাণ ৮০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এক্সক্লুসিভ বিজনেস হাউসের মালিক ফেরদৌস আহমেদ দাপ্পি। তিনি ঋণ নিয়েছেন ৮৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। ব্লু ইন্টারন্যাশনালের মালিক শফিকুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমানের ঋণের পরিমাণ ১০১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এস আলম অ্যান্ড কোম্পানির মালিকের নাম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তার ঋণের পরিমাণ ১১৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা। পেটাল ট্রেডের মালিক সুজাউদ্দিন চৌধুরী ঋণ নিয়েছেন ৫৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। দিগন্ত বিজনেস হাউজের মো. শাহফুউদ্দিনের ঋণের পরিমাণ ৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। হরিজন ইন্টারন্যাশনালের মালিক মুশফিকুর রহমান খান নিয়েছেন ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

ইনফিনয়া নাইটিং অ্যান্ড ডাইংস মিলস লিমিটেডের মালিক নুরজাহান বেগম, ওয়াহিদুল আলম ও প্রদীপ পাল মিলে ঋণ নিয়েছেন ৪৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। জিএম এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম মোহাম্মদ গোলাম মাওলা চৌধুরী। তার ঋণের পরিমাণ ১১৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সোর্স টেক ইন্টারন্যাশনালের মো. নুর উদ্দিন ঋণ নিয়েছেন ৮২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এইচএস কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের সুফিয়ান আহমেদ চৌধুরী ও শাহেলারা রশিদ চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ১৫৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এশিয়া মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মালিক খুরশিদ আলম নিয়েছেন ২৬ কোটি ৯০ লাথ টাকা। কর্ণফুলী পোলট্রি অ্যান্ড ডেইরি ফার্মের মালিক মিকরাম হোসেন নিয়েছেন ৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ইনডিগো ট্রেডিং করপোরেশনের এমডি ইলিয়াস চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ৭৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ক্রিমসন ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের হায়দার ইসলাম ঋণ নিয়েছেন ৫৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। টেকওয়ে বিজনেস লাইনের মো. রফিকুল কাদের নিয়েছেন ৬৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সুফিয়া করপোরেশনের মালিক মো. হায়দার চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ওরাল বিজনেস করপোরেশনের এসএম কামরুল আনোয়ার নিয়েছেন ৮৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অ্যাকুয়েটিক ট্রেডিং লিমিটেডের মালিক সৈয়দ মশিউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ মোশতাক ও আল রিহান চৌধুরী নিয়েছেন ১১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। 

ইউনিটেক স্টিল মিলস লিমিটেডের মোহাম্মদ শাহিদুল কায়সার, মাইমুনা খানম, বেলাল আহমেদের ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ টাকা। ইনফিনিয়া সিনথেটিক ফাইবার লিমিটেডের বিবি কুলসুম আক্তার রিপা ও আরিফ আহমেদ নিয়েছেন ৭২ লাখ টাকা (আনক্ল্যাসিফায়েড)। সৈয়দ এন্টারপ্রাইজের রায়হান আহমেদ নিয়েছেন ৬৮ লাখ টাকা (আনক্ল্যাসিফায়েড)। ইউনিটেক্স জুট ইন্ট্রা. লিমিটেডের মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ, এম সাইফুল ওয়াফি নিয়েছেন ৬১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ইনফিনিয়া অ্যাসেট ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের মালিক সাইফুদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ মোস্তান বিল্লাহ ও মোহাম্মদ আসফাক হোসাইন নিয়েছেন ১৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। গ্লোবাল কনস্ট্রাকশনের মুশফিকুর রহমান খানের ঋণের পরিমাণ ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। স্টারা কেয়ার ট্রেডিংয়ের মো. শাহনেওয়াজ নিয়েছেন ১৪২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। প্রমিনেন্ট ট্রেডিং সোর্সের জাহিদুল করিম নিয়েছেন ৬৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। নুর ট্রেডিংয়ের নুর মোহাম্মদ চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ৫৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ইউনিভার্সাল ট্রেডিংয়ের মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের ঋণ ৬৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। নাজিম ট্রেডার্সের মো. নাজিমউদ্দিন নিয়েছেন ৬৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। লুবনা ট্রেডিংয়ের মো. হিরন মিয়ার ঋণ ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। 

মাস্টারপ্রাইজ বিজনেস হাউসের মো. রফিকের ঋণের পরিমাণ ৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। অ্যাকিউর ট্রেড সেন্টারের মালিকের নাম এস কে মুজিবউদ্দিন; ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮২.৯২ কোটি টাকা। অরবিট ইন্টারন্যাশনালের এমডি জালাল উদ্দিন নিয়েছেন ৬১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ইমপালস ট্রেডিং করপোরেশনের আহশানুল কবির নিয়েছেন ৬৬ কোটি ২১ লাখ টাকা। সার্কেল ট্রেডিং করপোরেশনের জাকির হোসেনের ঋণের পরিমাণ ৫৫ কোটি ১১ লাখ টাকা। মুজাম্মেল ট্রেডিংয়ের মালিক মুজাম্মেল হক চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ৭৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রাগমেটিক সোর্স অ্যান্ড ট্রেডিংয়ের নাজমুল হক নিয়েছেন ৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। প্লানেট আর্থ করপোরেশনের এম. পারভেজ চৌধুরীর ঋণ ৬৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ক্রাফটস বিজনেস অ্যান্ড ট্রেডিং হাউসের তারিকুল ইসলাম চৌধুরী নিয়েছেন ৫৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা। পাইথন ট্রেডিং করপোরেশনের ইসহাক মিয়া চৌধুরীর ঋণ ৪৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। ট্রেডিং কর্নার মার্চেন্টের ইকবাল করিম নিয়েছেন ৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। আলম ট্রেডিং অ্যান্ড বিজনেস হাউজের নুরল আলম নিয়েছেন ১৪৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। টিটান ইন্টারন্যাশনালের শহিদুল ইসলামের ঋণের পরিমাণ ৯৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। কানেকটর ট্রেডিং হাউসের আলম নুর নিয়েছেন ৭৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। প্রভা এন্টারপ্রাইজের মোহাম্মদ মাহমুদুল হক নিয়েছেন ৬৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। 

গ্লোরিয়াস এক্সপোর্ট ট্রেডার্সের ইমরান হোসেনের ঋণ ৪৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। নর্ম বাণিজ্যালয়ের মো. নজরুল ইসলাম নিয়েছেন ১১৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। হুদা এন্টারপ্রাইজের আলমগীর হুদার ঋণের পরিমাণ ১১৩ কোটি ৭৬ লাখ টাক। এমসি ট্রেডিং লিংয়ের এহসান চৌধুরী মুরাদ নিয়েছেন ১২৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ইউনিয়ন প্যাসিফিক সোর্স অ্যান্ড ট্রেডের আবু সাইদ সোহেল নিয়েছেন ৭২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বিসমিল্লাহ ট্রেডিং করপোরেশনের মরশেদুল আলমের ঋণের পরিমাণ ৬৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ইন্টারেকটিভ বিজনেস করপোরেশনের মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন চৌধুরী নিয়েছেন ৬২ কোটি টাকা। সেন্ট্রাল পার্ক ট্রেডিং হাউসের মনজুরুল আলমের ঋণের পরিমাণ ৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ক্যাসেল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কাজী মোহাম্মদ সাজ্জাদ উদ্দিন নিয়েছেন ৭০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। ব্লু ডায়মন্ড ইন্টারন্যাশনালের এম. সোলায়মানের ঋণের পরিমাণ ৯১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ইনডিপেনডেন্ট বিজনেস ট্রেডিং হাউসের মো. করিম নিয়েছেন ৮২ কোটি ৫৩ কোটি টাকা। এ জে কনস্ট্রাকশনের আবু জাফর নিয়েছেন ১৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এমএইচ ট্রেডিংয়ের মোজাম্মেল হকের ঋণ ৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ইজস্টার করপোরেশনের সাইফুল আজম তালুকদার নিয়েছেন ৬৫ কোটি টাকা।

ড্রিমসক্যাপ বিজনেস সেন্টারের মোহসিন মিয়াজির ঋণের পরিমাণ ৩৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। সানসাইন ট্রেডিং হাউজের রাসেল ফেরদৌস নিয়েছেন ৯২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। গ্যালাক্সি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মো. ইলিয়াস নিয়েছেন ১০১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। কনফিডেন্ট ট্রেডিং হাউসের জাহাঙ্গীর আলমের ঋণের পরিমাণ ৮৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সোলায়মান এন্টারপ্রাইজের সোলাইমান চৌধুরী নিয়েছেন ৩৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এমএম করপোরেশনের মো. রফিকের ঋণের পরিমাণ ৭৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। মোস্তাক ট্রেডার্সের মোস্তাক মিয়ান নিয়েছেন ৫৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। মজিদ ট্রেডার্সের সাইফুদ্দিনের ঋণের পরিমাণ ৫৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফিফো ট্রেড কর্নারের কামাল উদ্দিন সুমনের ঋণের পরিমাণ ৬২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড প্যাসিফিক করপোরেশনের মাইনুল হোসেন নোমান নিয়েছেন ৪৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। প্রাইম বিজনেস হাউসের মুজিবুল হকের ঋণ ৩ কোটি ৩০ লাখ।

অ্যাডভান্স ট্রেডিংয়ের নুরুর আবসারের ঋণের পরিমাণ ৬১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আল ফালাহ ট্রেডার্সের কাজী মোহাম্মদ ওমর ফারুক নিয়েছেন ৬২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। চৌধুরী ট্রেড সেন্টারের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ৮৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সিটিজেন ট্রেডিং হাউসের মোহাম্মদ নুর উদ্দিন নিজামির ঋণের পরিমাণ ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ব্লুবেরি ইন্টারন্যাশনালের আব্দুল শুক্কুর নিয়েছেন ৭৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আকবর ইন্টারন্যাশনালের এমডি শওকত আকবর নিয়েছেন ৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সেল টেক জোনের আহমেদ নবির ঋণ ৯০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। নব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের এমডি নাঈমউদ্দিন নিয়েছেন ৬০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। লিজেন্ডারি ইন্টারন্যাশনালের সৈয়দ মারুফ হাসানের ঋণ ৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েটের এমডি ইলিয়াসের ঋণের পরিমাণ ৪২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সোগো ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ আবসার নিয়েছেন ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আহসান আজাদের মো. আহসান আজাদ চৌধুরীর ঋণ ১০৩ কোটি টাকা। 

রেইনবো করপোরেশনের রাহান মাহমুদ চৌধুরীর ঋণ ৬৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। এসবি ট্রেডার্সের শাহ মো. কাশেম আলী নিয়েছেন ২৮ কোটি ১১ কোটি টাকা। ইউনিভার্সাল ডেনিমস লিমিটেডের আতাকুল আলম চৌধুরী ও জাওয়াদুল আলম চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ১৪২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। লামিয়া ট্রেডার্সের আফসার আলী সারকার নিয়েছেন ২০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আয়াত ট্রেডিংয়ের জেসসমিন আরশাদের ঋণের পরিমাণ ৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা (আনক্লাসিফাইড)। এনএসএন এন্টারপ্রাইজের নাসির উদ্দিনের ঋণের পরিমাণ ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গ্রিন ট্রেড জোনের শামসুদ্দিন পারভেজ চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। নাবির ট্রেড হাউসের আবুল হাশেম খান নিয়েছেন ২৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেডের বেলাল আহমেদ, কাজী মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ও আব্দুল আজিজ নিয়েছেন ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। টপটেন ট্রেডিং হাউসের মো. আলমাস আলীর ঋণের পরিমাণ ৬২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। গোল্ডস্টার ট্রেডিং হাউসের বেদারুল ইসলাম নিয়েছেন ৭৫ কোটি ৫৮ লাথ টাকা। পারফেক্ট কেয়ার লিমিটেডের সৈয়দ মঈনউদ্দিন আহমেদ ও মোহাম্মদ শাহিদুল্লাহ কায়সারের ঋণের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। ইউআর লুব্রিক্যান্টস লিমিটেডের শফিউল ওয়াফি, সেয়দ মশিউদ্দিন আহমেদ ও আল রায়হান চৌধুরীর ঋণের পরিমাণ ১০ লাখ টাকা (আনক্লাসিফাইড)। স্কাইনেট পাওয়ার কো. লিমিটেডের মোহাম্মদ আরশেদ এবং জাসমিন আরশেদের ঋণের পরিমাণ ২৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

তালিকায় আরও যারা আছেন: ইসলাম ট্রেডার্সের মালিকের নাম মো. নুরুল ইসলাম; ঋণের পরিমাণ ৯৭.০৯ কোটি টাকা। এমডি তামিজউদ্দিন ট্রেডার্সের মালিকের নাম মোহাম্মদ তামিজউদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ১০১.১৭ কোটি টাকা। ভিউ করপোরেশনের মালিকের নাম মো. বাদর উদ্দিন চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৪৩.১০ কোটি টাকা। কন্টিনেন্টাল বিজনেস হাউসের মালিকের নাম কাজী এম লুকমান, তার ঋণের পরিমাণ ৯৫.১৪ কোটি টাকা। সিনট্যাক্স এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম আব্দুর রহিম; ঋণের পরিমাণ ১.৩৮ কোটি টাকা। নিউ ভিশন ট্রেডার্সের মালিকের নাম সিদ্দিক আহমেদ তালুকদার; ঋণের পরিমাণ ৪১.৯৯ কোটি টাকা। নিউস্টার বিজনেস টেকের মালিকের নাম মো. আবু তাহের; ঋণের পরিমাণ ৪১.১৫ কোটি টাকা। রিয়া ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মালিকের নাম মো. আনোয়ার হোসেন; ঋণের পরিমাণ ৬১.০২ কোটি টাকা। আতিকুর নেসার মালিকের নাম আতিকুর নেসা; ঋণের পরিমাণ ৭.৭৩ কোটি টাকা। অ্যাপারটার টেড্রিং হাউসের মালিকের নাম এসএম নেসার উল্লারহ, ঋণের পরিমাণ ১০৩.৩১ কোটি টাকা। এমপিএল ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের নাম মো. এখলাস হোসেন; ঋণের পরিমাণ ৭৩.২০ কোটি টাকা। এআর করপোরেশনের মালিকের নাম মো. মুসা; ঋণের পরিমাণ ২.৩৮ কোটি টাকা। নাসির উদ্দিনের মালিকের নাম নাসির উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৪৭.১৯ কোটি টাকা। কস্টলাইন ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম আরশাদ উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৬১.১৩ কোটি টাকা। মাসুম ট্রেড হাউসের মালিকের নাম আরফানুল হক; ঋণের পরিমাণ ৫৯.১৮ কোটি টাকা। মার্কো ট্রেডিংয়ের মালিকের নাম এসকান্দার মিয়া শাহা; ঋণের পরিমাণ ১২১.১৩ কোটি টাকা।

অ্যাকসেজ সোর্স অ্যান্ড ট্রেডের মালিকের নাম আবুল সালেহ; ঋণের পরিমাণ ১৪২.৯২ কোটি টাকা। ইনটেন্স ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম মো. তোওহিদুল আলম; ঋণের পরিমাণ ৪১.৫২ কোটি টাকা। ডটকম বিডির মালিকের নাম কামরুল ইসলাম; ঋণের পরিমাণ ৬৭.২৪ কোটি টাকা। মার্বেলাস ট্রেডিং কর্নারের মালিকের নাম শাহ আলম; ঋণের পরিমাণ ৫৮.৮৬ কোটি টাকা। ভার্সেটাইল ট্রেডের মালিকের নাম নাসির আহমেদ; ঋণের পরিমাণ ৬২.৩৮ কোটি টাকা। রাইট বিজনেস ট্রাস্টের মালিকের নাম আবুল কাসেম; ঋণের পরিমাণ ৭৫.৫২ কোটি টাকা। ডিলাক্স ট্রেডিং করপোরেশনের মালিকের নাম মো. ইয়াকুব; ঋণের পরিমাণ ৪৯.৭৪ কোটি টাকা। লায়ন ট্রেডিংয়ের মালিকের নাম আব্দুর রহিম; ঋণের পরিমাণ ৬৭.৪৮ কোটি টাকা। বস এক্সপ্লোরেশন ট্রেডের মালিকের নাম রওশন আলী; ঋণের পরিমাণ ১১৯.১৯ কোটি টাকা। ব্লকেন ট্রেডিংয়ের মালিকের নাম ওহিদুল আলম চৌধুরী, ঋণের পরিমাণ ১৪৮.৪৫ কোটি টাকা। ইনসেন্ট ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম জসিম উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৮১.৪৯ কোটি টাকা। দ্বীপ হরিজন ইন্টারন্যাশনালের মালিকের নাম তৈয়ব আলী; ঋণের পরিমাণ ৬৭.১৫ কোটি টাকা। আহমেদ এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম মোস্তাক আহমেদ; ঋণের পরিমাণ ৪২.৮২ কোটি টাকা। 

জুপিটার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের মালিকের নাম মামুন; ঋণের পরিমাণ ৯৫.৯১ কোটি টাকা। নর্ট বাই ট্রেড লিংকের মালিকের নাম মোজাম্মেল হক; ঋণের পরিমাণ ৯০.৯৩ কোটি টাকা। ডায়মেনশন করপোরেশনের মালিকের নাম মো. বাবুল; ঋণের পরিমাণ ৮৭.২০ কোটি টাকা। আব্দুল আওয়াল অ্যান্ড সন্সের মালিকের নাম আব্দুল আওয়াল চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ১০২.৩৭ কোটি টাকা। আমিন ট্রেডার্সের মালিকের নাম নুরুল আমিন; ঋণের পরিমাণ ৬৫.৬৪ কোটি টাকা। টুলাইট করপোরেশনের মালিকের নাম মো. আমান হোসেন; ঋণের পরিমাণ ৬৯.৫০ কোটি টাকা। রেডিয়েন্স বিজনেস হাউসের মালিকের নাম কুতুবউদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৭৫.৮৬ কোটি টাকা। সাফরান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিকের নাম মাহফুজুল ইসলাম; ঋণের পরিমাণ ৮৯.০১ কোটি টাকা। মুসা এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম মুসা চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৭.৯৯ কোটি টাকা। এজে কনট্রাকশনের মালিকের নাম আবু জাফর; ঋণের পরিমাণ ৪৮.৫৮ কোটি টাকা। আনসার এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম আনসারুর আলম চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ২৩.৪৬ কোটি টাকা। জাবা রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার লিমিটেডের মালিকের নাম মুশফিকুর রহমান খান; ঋণের পরিমাণ ১৫.৮৩ কোটি টাকা। ইউনাইটেড সুপার ট্রেডসের মালিকের নাম মো. গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৭৭.৩০ কোটি টাকা। গ্লোব ট্রেডার্সের মালিকের নাম জহিরউদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৬৫.৭ কোটি টাকা। 

গ্রিন এক্সপোজ ট্রেডার্সের মালিকের নাম এম এ মোমেন; ঋণের পরিমাণ ৬৫.৭১ কোটি টাকা। গ্রিন ক্যাসলে ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম মো. ইমরান; ঋণের পরিমাণ ৬৭.৫৩ কোটি টাকা। শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিকের নাম গোলাম রাব্বানী চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৮০.৫২। মুরাদ এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম গোলাম সারওয়ার চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৮০.২৯ কোটি টাকা। রেনোয়ান বিজনেস অ্যান্ড ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম কামাল উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৭৭.২৬ কোটি টাকা। ইউনিয়ন ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস হাউসের মালিকের নাম তারিকুল ইসলাম চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৮৭.৫০ কোটি টাকা। তায়েব অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিকের নাম আবু তায়েব; ঋণের পরিমাণ ৬৪.৪৮ কোটি টাকা। রয়েল এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম মনোয়ারা বেগম ও আনসারুল হক; ঋণের পরিমাণ ৭৬.৯৮ কোটি টাকা। রেশনেবল ট্রেডার্সের মালিকের নাম শাহজাহান; ঋণের পরিমাণ ৮৪.৩০ কোটি টাকা। ভিক্টর করপোরেশনের মালিকের নাম সৈয়দ এম কাওসার উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৮৫.৯৭ কোটি টাকা। মুন লাইট ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম জসিম উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৬৯.১৭ কোটি টাকা। ইকো ট্রেড কর্নারের মালিকের নাম মো. আলমগীর; ঋণের পরিমাণ ১০৩.৪৮ কোটি টাকা। জিনিয়াসে ট্রেডিংয়ের মালিকের নাম আবুল কালাম; ঋণের পরিমাণ ৬৯.২৫ কোটি টাকা। লিনিয়েজ বিজনেস হাউসের মালিকের নাম মহসিন চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৭৫.৬৬ কোটি টাকা। মিলেনিয়ার ট্রেডিং হাউসের মালিকের নাম মো. নুরউদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৭৫.০১ কোটি টাকা। 

বাণিজ্য বিতান করপোরেশনের মালিকের নাম তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৭৯.৭৭ কোটি টাকা। চৌধুরী অ্যান্ড হোসাইন ট্রেড লিংকের মালিকের নাম এরশাদ হোসাইন চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৯১.৪০ কোটি টাকা। এমপেরিয়াল করপোরেশনের মালিকের নাম এসএম আদনান হোসেন; ঋণের পরিমাণ ৪১.৯৬ কোটি টাকা। ডিলাক্স ট্রেডিং করপোরেশনের মালিকের নাম কাজী মেজবা উদ্দিন; ঋণের পরিমাণ ৬২.৫২ কোটি টাকা। ডেলিগেট ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিকের নাম জাহাঙ্গীর আলম; ঋণের পরিমাণ ৬৩.২৬ কোটি টাকা। জিএস হাউসের মালিকের নাম মো. জাবেদ হোসেন; ঋণের পরিমাণ ৫৭.৪৪ কোটি টাকা। জামসেদ এন্টারপ্রাইজের মালিক জামসেদুল আলম শাওন; ঋণের পরিমাণ ৫০.৭৮ কোটি টাকা। এম আর বিজনেস হাউসের মালিক মো. রাসেল চৌধুরী; ঋণের পরিমাণ ৬০.৭৭ কোটি টাকা। এক্সপ্রেস মার্চেন্ট সার্ভিসের মালিক শাজাহান মজুমদার; ঋণের পরিমাণ ৫৩.০৭ কোটি টাকা। একতা এন্টারপ্রাইজের মালিকের নাম মো. আবু সালেহ; ঋণের পরিমাণ ৬০.৫৩ কোটি টাকা। এস এম ট্রেডিংয়ের মালিকের নাম এমডি মামুন; ঋণের পরিমাণ ৬.০৯ কোটি টাকা। মামনি করপোরেশনের মালিকের নাম ফারুক মিয়া; ঋণের পরিমাণ ১০৮.৭৮ কোটি টাকা। ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ট্রেড লিংকের মালিকের নাম মোহাম্মদ সাজিদ; ঋণের পরিমাণ ৮৫.৪৫ কোটি টাকা।

আরও যেসব কোম্পানি ঋণ নিয়েছে, সেসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে—নিউ ওয়েভ করপোরেশন, ডমিনিয়ন করপোরেশন, স্পার্কেল ট্রেডিং, ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল কানেক্ট, ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল বিল্ড, অ্যাডভান্স কিউমুলেটিভ বিজনেস হাউস, ট্রেডিং হাউস গ্যালাক্সি, সফটলাইট করপোরেশন, বেসলাইন ট্রেডিং, মারকিউরি জেনারেল করপোরেশন, মনকিয়ারা এগ্রো লিমিটেড, ফেনসি ফেয়ার করপোরেশন, ইনভেনশন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, লুমিনাস বিজনেস হাউস, আবু হানিফ, সিদ্দিক এন্টারপআইজ, এনেক্স বিজনেস কর্নার, সোশ্যাল ট্রেড সেন্টার, লাইফলাইন ট্রেড সেন্টার, পিরিসিয়াস ট্রেড সেন্টার, সি অ্যান্ড এ অ্যাগ্রো লিমিটেড, মোমেন্টাম বিজনেস সেন্টার, অর্কিড ইন্টারন্যাশনাল, চৌধুরী বিজনেস হাউস, হাসান ট্রেডিং করপোরেশন, শাহজাহান এন্টারপ্রাইজ, ইস্টারব্রাইট ইন্টারন্যাশনাল, ইমপ্রেস করপোরেশন, দ্য প্রগ্রেসিভ করপোরেশন, টাইববেল সোর্স টেক, রাইসিং সান এন্টারপ্রাইজ, স্টেপ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, হাবলে ট্রেডিং করপোরেশন, জেনেটিক বিজনেস হাউস, পাওয়ার লাইন ট্রেডিং হাউস, ট্রান্সপারেন্সি ট্রেডিং হাউস, ফোরস্টার করপোরেশন, ইউনিয়ন ট্রেডিং হাউস, রেবল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, লাইফলং ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, প্রাগন এন্টারপ্রাইজ, ট্রাস্ট এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ট্রেড, এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ট্রেড সোর্স, সেকেন্দার ট্রেডিং হাউস, মান্নান ট্রেড, মডার্ন বিজনেস হাউস, এবিসি এন্টারপ্রাইজ, মোরাল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, সোলো ট্রেড করপোরেশন, গ্রিন ওয়ার্ল্ড বিজনেস এজেন্সি, প্লুটু ইন্টারন্যাশনাল, ব্লোমিং করপোরেশন, নোবা ট্রেডলিং, এক্সিসটেন্স ট্রেড এজেন্সি, নাবির ট্রেড করপোরেশন, ট্রেড এক্সপোজ লিং, ভেনাস ট্রিডিং, জাস্ট ট্রেডিং, হারমোনিয়াস বিজনেস হাউস, হোয়াইট হাট ইন্টারন্যাশনাল, জাস্ট রাইট ইন্টারন্যাশনাল, ইমেজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, ফেমাস ট্রেড করপোরেশন, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ইউনিভার্সেল ট্রেডিং হাউস, রফিক করপোরেশন, এমটি করপোরেশন, এমএইচ করপোরেশন, মকিম ট্রেড এজেন্সি, তাহের ট্রেডিং করপোরেশন, মাসুদ ট্রেডিং করপোরেশন, আজরেনি ট্রেডিং করপোরেশন, হায়াত ট্রেডিং করপোরেশন, মেঘনা কন্সট্রাকশন, নিপটল ট্রেডিং কোম্পানি, এশিয়ান ইন্টারন্যাশনাল, উদয়ন কন্সট্রাকশন, অ্যালায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল, সেফ অ্যান্ড সিকিউরিটি ট্রেড সেন্টার, রেপটাস হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডার্স, নিপটন ট্রেডিং, ইনসান্ট করপোরেশন, টিপস্কো ইন্টারন্যাশনাল, ম্যাক্সিম করপোরেশন, নর্থপোল ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টেলেকচুয়াল করপোরেশন, রেডিয়েন্স ট্রেডিং, ট্র্যাডিশনাল বিজনেস অ্যান্ড কমার্স, প্রাইম ট্রেডিং হাউস, প্যারাগন বিজনেস হাউস, মালকার এন্টারপ্রাইজ, ইনডেক্স ট্রেডিং কর্নার, ব্রডওয়ে ট্রেডিং কর্নার, মাহবুব ট্রেডিং করপোরেশন, এহসান এন্টারপ্রাইজ, রকল্যান্ড ট্রেডিং হাউস, প্যাসিফিক রিম বিজনেস হাউস, আহমেদ ট্রেডিং, এপিক অ্যাবেল ট্রেডার্স, নিউফিল্ড এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ট্রেড, ফেইরি টেল ইন্টারন্যাশনাল, ট্রাইপড ট্রেডিং কর্নার, সানফ্লাওয়ার ট্রেডিং হাউস, মনসুন এন্টারপ্রাইজ, ট্রেড মার্ক বিজনেস সেন্টার, মনির ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, হোসাইনি ট্রেডিং করপোরেশন, পারুল এন্টারপ্রাইজ, টপ চয়েস ট্রেডিং করপোরেশন, রিগ্যাল ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস হাউস, ইউনিটেক্স সিলিন্ডার লিমিটেড (আনক্লাসিফাইড), নওরিন এন্টারপ্রাইজ, ভিউ পয়েন্ট করপোরেশন, মডুলার সোর্স অ্যান্ড ট্রেড, লিডিং ট্রেড লিংক, ফাতেমা শিপিং লাইনস, আরমাদা স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও তপন চক্রবর্তী।

দুদকের বক্তব্য: জানতে চাইলে দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজীর আহমেদ কালবেলাকে বলেন, ‘ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ২৮৯টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ২০ হাজার ৮৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণের নামে হাতিয়ে নিয়েছে। তার মধ্যে আনক্ল্যাসিফাইড ঋণের পরিমাণ মাত্র ১২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন ব্যাংকটির প্রায় ১৪৮ জন কর্মকর্তা। এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে কমিশন থেকে একটি অনুসন্ধানকারী দল গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনের আলোকে কমিশনের অনুমোদনক্রমে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’