স্বচ্ছতা এনে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ এবং গ্রাহক হয়রানি কমানোর জন্য ভূমি খাতে ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ভোগান্তি এখন আরও বেড়েছে সেবা প্রার্থীদের, বেড়েছে ব্যয়ও। গুণতে হচ্ছে বেশি হারে ঘুষ। পরিস্থিতি এমন যে, ভূমি অফিসের তহসিলদার, কানুনগো, নাজির এবং সার্ভেয়ার মিলে দুর্নীতির যে দুষ্টচক্র গড়ে উঠেছে তা থেকে নিস্তার পাওয়ার সুযোগ নেই সেবা প্রার্থীদের। ভূমি সেবা পেতে ডিজিটাল আবেদন করতে গিয়ে অতিরিক্ত হিসেবে কম্পিউটারের দোকানেও অর্থব্যয় করতে হচ্ছে। এমনকি মোবাইল ফোন নম্বর এবং ওটিপি-কে কেন্দ্র করে কম্পিউটারের দোকানদারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন অনেক সাধারণ মানুষ। আবেদনের সময় কম্পিউটার দোকানদারের নাম্বার ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে দোকানদারের ফোন নাম্বারে চলে যাচ্ছে ওপিটি, যার মাধ্যমে নিজের অজান্তেই জিম্মি হয়ে পড়ছেন সেবাপ্রার্থীরা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ভূমি অফিসেই ঘুষ-দুর্নীতি চলছে আগের মতোই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেড়েছেও, বলছেন সংশ্লিষ্টরা। ভূমি অফিসে অনেকগুলো খাত রয়েছে। তারমধ্যে ভূমি উন্নয়ন কর এবং নামজারির কাজ ডিজিটাল হয়েছে। তাও শুধুমাত্র আবেদনের বিষয়টিই ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়, এছাড়া বাকি সব কাজগুলোতেই সেবাপ্রার্থীকে সশরীরে উপস্থিত থেকে করতে হয়। প্রত্যেক ধাপে ধাপে ধর্ণা দিতে হয়, হাজিরা-শুনানি হয়, কাগজপত্র দেখাতে হয়। প্রত্যেককে সন্তুষ্ট করতে হয়। অন্যথায় আবেদন নাকচ হয়ে যায়। আবেদন নাকচ হলে, কী কারণে নাকচ হলো এ নিয়ে গ্রহণযোগ্য কোনো যুক্তিরও প্রয়োজন হয় না। ঘুষ-দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলেও এর যথাযথ সুরাহা করা হয় না। নানাভাবে অভিযোগ চাপা দেওয়ার প্রবণতা বরাবরই রয়েছে। শীর্ষকাগজের পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত গণমাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে বিভিন্ন ভূমি অফিস এবং কর্মকর্তাদের নামে নানা অনিয়ম-অপকর্মের খবর এলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বেশিরভাগ দোষী শাস্তি পেয়েছেন বড়জোর এক অফিস থেকে অন্য অফিসে বদলি। দু’একটি ক্ষেত্রে পদাবনতি অথবা বেতন হ্রাসের কিছু ঘটনা থাকলেও তা এ ধরনের গুরুতর অপরাধের বিপরীতে মোটেই যথেষ্ট নয়।
নিজের অজান্তেই কম্পিউটারের দোকানে জিম্মি হয়ে পড়ছেন সেবাপ্রার্থীরা
ইতিপূর্বে দেখা গেছে, তহসিলদারের সঙ্গে একটা গোপন চুক্তিতে কাজ সম্পন্ন করতেন সেবাপ্রার্থীরা। ডিজিটাইজেশনের পর এখন তহসিলদারদের হাতে ক্ষমতা থাকলেও শুধু তাকে সন্তুষ্ট করলেই চলছে না। আবেদনের জন্য প্রথমেই যেতে হচ্ছে কম্পিউটারের দোকানে। ডিজিটাল আবেদনে শুনানির জন্য ওটিপি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এবং তা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকে। গ্রামের অশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষ মোবাইল ফোনের এত কলাকৌশল বুঝেন না। তাই অনেক ক্ষেত্রে আবেদনে কম্পিউটার দোকানদারের মোবাইল ফোন ব্যবহার করা হয়। দোকানদাররা ইচ্ছে করেই এটা করেন, যাতে সেবাপ্রার্থীকে জিম্মি করা যায়। এসব ক্ষেত্রে ওটিপি আসে দোকানদারের মোবাইল নাম্বারে। এতে পুরো প্রক্রিয়ায় জমির মালিক বা সেবাপ্রার্থীর নিয়ন্ত্রণে থাকে না কিছুই। আবার অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথির আইডি-পাসওয়ার্ড থাকে কম্পিউটার দোকানদারের কাছে, যা থাকার কথা শুধুমাত্র তহসিলদার এবং সহকারী তহসিলদারের হাতে।
অন্তত তিনবার ঘুষ দিতে হয় সেবাগ্রহীতাদের
ভূমি উন্নয়ন কর, নামজারি প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয় এসিল্যান্ড বরাবর। তিনি আবেদন পেয়ে বিবেচনাযোগ্য মনে করলে তা আমলে নিয়ে পাঠান তহসিলদারদের কাছে। তহসিলদার শুনানির জন্য নির্দিষ্ট দিন-তারিখ ঠিক করে মোবাইল ফোনে ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। সে মতে জমির মালিককে কাগজপত্র নিয়ে সরাসরি হাজির হতে হয় তহসিলদারের অফিসে। সেখানে তহসিলদারকে সহযোগিতা করেন বেশ কয়েকজন উমেদার। উমেদাররা সরকারি চাকরিজীবী নন, তারা এসব কাজে সহযোগিতা করে প্রতিদিন কিছু টাকা আয় করেন। কিছু টাকা জমির মালিক বকসিস হিসেবে দেন, আবার তহসিলদের সঙ্গে ঘুষের লেনদেনের মধ্যস্ততা করেও টাকা আসে তাদের। তবে টাকা না দিলে পুরো কাজই থেমে থাকে মাসের পর মাস। যারা লেনদেন করে কাজ এগিয়ে নেন, তাদের জমির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দিয়ে তহসিলদার পাঠান এসিল্যান্ড’র কাছে। এখানে কোনো কিছুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয় না। এসিল্যান্ড-এর বরাবর অনলাইনে জমা দেওয়া আবেদন এবং দলিলসমূহ পরীক্ষার জন্য আছেন কানুনগো, নাজির ও সার্ভেয়াররা। এখানেও জমির মালিককে সরাসরি হাজির হতে হয়। গুণতে হয় সরকারি ফি এর তুলনায় অনেক বেশি অর্থ। অর্থাৎ জমির মালিককে অন্ততঃ তিনবার নিজে হাজির থাকতে হয়। ঘুষ না দিলে যেমন কাজ করেন না তহসিলদার, তেমনি কাগজপত্র সব ঠিক থাকলেও কানুনগো, নাজির ও সার্ভেয়ারদের সন্তুষ্ট করতে হয়। এছাড়া এসিল্যান্ড তো আছেনই। দেখা যাচ্ছে ভূমি অফিসে অনলাইন কার্যক্রম শুরু হলেও তা কেবল আবেদন ও জমির কাগজপত্র আপলোডেই সীমাবদ্ধ। বাকি কাজগুলো ম্যানুয়ালি হওয়ায় এবং এতে জবাবদিহীতা না থাকায় দুর্নীতি কমার বদলে আগের চেয়ে আরো বেড়েছে. বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাই বড় দুর্নীতিবাজ
ভূমি অফিসের কানুনগো, তহসিলদার বা নায়েব, নাজির এবং সার্ভেয়ার ভূমি ব্যবস্থাপনার মাঠ পর্যায়ের মূল চালিকাশক্তি। কানুনগো জরিপ ও রেকর্ড তদারকি করেন। এরা ১০ম গ্রেডের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। তহসিলদার বা নায়েব (ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা) খাজনা আদায় ও রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করেন, তিনি ১১তম গ্রেডের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ ও নকশা প্রস্তুত করেন, তিনি তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। নাজির অফিসের হিসাব ও ট্রেজারি পরিচালনা করেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর অধীনে কাজ করেন। নাজির উপজেলা ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ার বা হিসাবরক্ষক, যিনি অফিসের যাবতীয় রাজস্ব আদায়, ট্রেজারিতে জমা এবং স্টোর পরিচালনা করেন। নাজির তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। কানুনগো, তহসিলদার, সার্ভেয়ার এবং নাজির প্রত্যেকে নিজেরা দুর্নীতি সরাসরি করেন বা পুরো ভূমি অফিসের দুর্নীতির ভাগ পান। এভাবেই ভূমি অফিসের প্রত্যেকেই এক পর্যায়ে বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক বনে যান। এদের ক্ষমতার প্রভাবও অনেক বেশি। অনেক সময় এরা কেউ কেউ ডিসি অফিস, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, এমনকি মন্ত্রণালয়কেও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখেন বলে প্রচারিত আছে। যে কারণে তাদের বিরুদ্ধে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। থেকে যান ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
২০২৬ সালের এপ্রিলে দুর্নীতিবাজ কানুনগো মকবুল হোসেনকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে। বলা হয়, বরিশাল শহরের রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের ১টি ফ্লাট, রাজধানীর বহুতল ভবনে রয়েছে ১টি ফ্ল্যাট, নিজ জেলা পটুয়াখালীতে রয়েছে কোটি টাকার অধিক জমি। সর্বসাকুল্যে মাসিক বেতন ৪০ হাজার টাকা হলেও কীভাবে এ সময়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হলো? তার সমস্ত সম্পত্তি হিসাব অনুযায়ী তিনি প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার মালিক। এ বিষয়ে দুদক বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই দুদক তার দুর্নীতি, ঘুষ, কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকায় ক্রয়কৃত সম্পদের হিসাব তলব করবে বলে জানানো হয়।
এদিকে, চট্টগ্রামের আলোচিত সেই নাজির, জামাল উদ্দিন এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নাজির পদে টানা ছয় বছর দায়িত্ব পালন করা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বদলি হওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যেই তাকে আবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নাজির জামালের চট্টগ্রাম নগরের কোর্ট রোড এলাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের ডাবল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। দুদকের একাধিক তদন্তে তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ, নিয়োগ-বদলি, ইজারা-লিজ ও তহসিলদার বদলিতে ঘুষ বাণিজ্য ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। দুদকে জমা দেওয়া এক অভিযোগে বলা হয়েছে, জামাল উদ্দিন ও তার পরিবারের নামে-বেনামে বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। কর রিটার্নে তিনি সীমিত সম্পদের তথ্য দিলেও বাস্তবে সম্পদের পরিমাণ কয়েকগুণ বেশি বলে অভিযোগ।
২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত নবাবগঞ্জের ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মনির হোসেনের সঙ্গে আশপাশের কেউ পেরে উঠেনি। বেতন মাত্র ৩০ হাজার টাকার কম হলেও রাজধানীর বহুতল ভবনে সাতটি ফ্ল্যাট, ২০ কাঠার অধিক জমিসহ ২০ টি দোকানের মার্কেটের মালিক হয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এসব সম্পদ শুধু নিজের নয়- স্ত্রী, শ্যালক ও ভায়রাসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় রোজ গার্ডেন ভবনে একাধিক ফ্ল্যাট। ডেমরার হাজি মিয়া রোডে গ্রিন কটেজ-১ ও গ্রিন কটেজ ২-এ তিনটি ফ্ল্যাট, একই এলাকায় দেড় কোটি টাকা মুল্যের পাঁচ কাঠায় প্লট, সাত কাঠা জমিতে নির্মিত ২০টি দোকান এবং একই এলাকায় গ্রিন কটেজ-৪ ভবনে একাধিক ফ্লাট।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, রাজধানীর ভূমি অফিসগুলোতে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ছাড়া মিলছে না নামজারি বা খারিজ। রাজধানীর বাড্ডার ভূমি অফিসে সেবা প্রদানের পরিবর্তে এভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে এক অঘোষিত ঘুষ ও দুর্নীতির সাম্রাজ্য। টাকা ছাড়া এই অফিসে কোনো কাজ হয় না। এমনকি অনেক সময় ঘুষের টাকা দেওয়ার পরও কাজ না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। জাল দলিলে অন্যের নামে জমি নামজারি করে দেওয়া এবং সেবাগ্রহীতাদের মূল নথিপত্র গায়েব করে দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধও ঘটছে অহরহ।
গাজীপুরের প্রায় প্রতিটি ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ভয়াবহ রকমের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও চাহিদামতো ঘুষ না দিলে কাগজপত্র গ্রহণই করা হয় না। ঘুষের টাকা দিলেও মাসের পর মাস ভূমি অফিসে ঘুরতে হয় সেবা প্রার্থীদের। এছাড়া অনলাইনে সার্ভার সমস্যার অজুহাতে দেখিয়ে সেবা গ্রহণকারীদের হয়রানির রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না গাজীপুরের বেশিরভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে।
কক্সবাজার জেলা সদরের এসিল্যান্ড অফিসের যাবতীয় কাজ নাজির আলমগীরের হাত দিয়েই হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে অর্ধ লাখ থেকে লাখ টাকার কমে কোনো কাজ আলমগীরের কাছে আশা করা যায় না। কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম এসএম পাড়ার বাসিন্দা ইবনে হাসান রিফাত জানান, তাঁর মা রেহেনা বেগমের আবেদন করা খুরুশকুল মৌজার ১৯৭০/২৪ ক্রমিকের নামজারির আবেদনে নাজির আলমগীর তাঁর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। তিনি এরপর জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগ করায় এখন কাজই হচ্ছে না।
এভাবে সারা দেশেই ডিজিটাল ভূমি সেবায় চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতি। বড় কর্তাদের ঘুষ না দিলে কাজ পড়ে থাকে, এমনকি দিলেও ঘুরতে হয় দিনের পর দিন। হয়রানি কমছে না। সংশ্লিষ্ট মহলের ডিজিটাইজেশনের পাশাপাশি ঘুষ-দুর্নীতি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। প্রত্যেকটি কাজের জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ডিজিটাইজেশনের সুফল পাওয়া মোটেই সম্ভব হবে না। বরং এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি-ভোগান্তি বাড়বে।
শীর্ষনিউজ