Image description
 

Minar Rashid (মিনার রশিদ)

 
 
 
বিষয়টি আমার মত অনেককে ভাবিয়ে তুলেছে! আমেরিকার প্রবাসী আওয়ামী নেতা তাই কাল বিলম্ব না করে দেশের ভেতরে এবং বাইরে থেকে সকলকে একই দিনে ঢাকায় হাজির হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন! ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব যত প্রকট হবে - তাদের সেই শুভদিনটি তত এগিয়ে আসবে!
 
বর্তমান বিএনপিকে দেখে মনে হচ্ছে - যে যত কইস্যা জামায়াত - শিবিরকে গালি দিতে পারবে সে তত বড় বিএনপি। একই অবস্থা অনেকটা জামায়াতের মধ্যেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু দুটি দলকেই যে এর মাশুল গুণতে হবে সেই ভাবনাটি এদের কারও মধ্যেই কাজ করছে না।
 
আমার মনে হচ্ছে - বিএনপি এবং জামায়াত থেকে ঠান্ডা মাথার প্রজ্ঞাবান কিছু ব্যক্তিত্ব নিয়ে একটা শক্তি সালী ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ করা অতি জরুরি। এটা হতে পারে দুটি দল থেকে পাঁচজন করে মোট দশ জনের একটি টিম এই কাজটি করতে পারে।
 
শিবির নেতার যে ফটোকার্ডটি ( শয়তানের রেখে যাওয়া মিষ্টি কণা) নিয়ে এই লংকা কান্ড বেঁধে গেছে - তা কিছুক্ষণের মধ্যেই সুরাহা করে ফেলা যেতো - যদি এরকম একটা ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস টিম থাকতো ।
 
লীগের শয়তান শুধু বাঁশের আগায় একটু মিষ্টির কণা ( ফটোকার্ড) লাগিয়ে রাখবে। বাকি কাজ করবে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের অতি উংসাহি নেতা কর্মীরা । তাই কিছু কোড অব কন্ডাক্ট দুটি দলের নেতা কর্মীদের মেনে চলতে হবে।
 
১) বিএনপি এবং জামাত এবং তাদের অঙ্গ সংগঠনের কোনো পদবীধারী নেতা একে - অপরের বিরুদ্ধে মানহানিকর শব্দ / বিশেষণ ব্যবহার করতে পারবে না - যেমন - জাশি, বিছা, গুপ্ত, খাম্বা, চুম্মা, শয়তান ইত্যাদি। পুরো দলকে চাঁদাবাজ আখ্যা দেওয়া যাবে না। তবে যে বা যারা এই কাজে জড়িত তাদেরকে সাপোর্টিং ডকুমেন্ট সহ অভিযুক্ত করা যাবে।
 
২) দুটি দলের মাঝে দ্বন্দ্ব বাড়াতে অতি উৎসাহী নেতা, সোশাল এক্টিভিস্ট - এদেরকে যতদূর সম্ভব রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে নিস্ক্রিয় করতে হবে!