Image description

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি সতর্ক করে বলেন, তার দেশের বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। খবর দ্য ডনের। 

হাতামি জোর দিয়ে আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পারমাণবিক দক্ষতা নির্মূল করা যাবে না

তিনি বলেন, ‘শত্রুরা যদি ভুল করে হামলা চালায়, তাহলে নিঃসন্দেহে তারা তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা, অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার (ইসরাইল) নিরাপত্তা বিপন্ন করবে।’ 

হাতামি উল্লেখ করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে।

এরইমধ্যে ওয়াশিংটন ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীটির নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৌ-স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠিয়েছে। দুই সপ্তাহ ধরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের উপর ইরানি কর্তৃপক্ষের মারাত্মক দমন-পীড়নের পর ট্রাম্প সামরিকভাবে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।

এই মোতায়েনের ফলে ইরানের সাথে সরাসরি সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ইরান বলেছে,  আক্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন ঘাঁটি, জাহাজ এবং মিত্রদের - বিশেষ করে ইসরাইলের উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

 

শুক্রবার ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মনে করেন, ইরান আমেরিকান সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তিতে আলোচনার চেষ্টা করবে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, তেহরান পারমাণবিক আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু তার ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা  নিয়ে কখনও আলোচনা করা হবে না।

জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়, যখন তারা তাদের আঞ্চলিক শত্রু ইসরাইলের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে সংক্ষিপ্তভাবে যোগ দেয়। ইসরাইলি হামলায় দেশটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীরা নিহত হন।

এদিকে, শনিবার হাতামি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তি নির্মূল করা যাবে না, এমনকি যদি এই জাতির বিজ্ঞানী এবং সন্তানরা শহীদ হন তারপরও।