
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কড়া শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে, দুই এশীয় প্রতিবেশী দেশ নানা পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের সাইডলাইনে তিয়ানজিন শহরে দুই নেতা সাক্ষাৎ করেন। তার একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি সম্মেলনে যোগ দিতে চীন পৌঁছান। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত রয়েছেন। মোদি-শি দুই নেতার মধ্যে প্রায় ১০ মাস পর প্রথম বৈঠক। সর্বশেষ তারা রাশিয়ায় ব্রিকস সম্মেলনে মিলিত হন। একইসঙ্গে, এটাই সাত বছরের মধ্যে মোদির প্রথম চীন সফর।
২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রথমবার ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে, রাশিয়ার তেল কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যে শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি-এর বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নই মূল আলোচ্য বিষয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক দ্বন্দ্বের মধ্যে বিশ্বে একতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। এর আগে বহু আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও বাণিজ্য নীতি দুই দেশকে একে অপরের কাছে টেনে এনেছে-যা যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল।