Image description

ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের অনুকরণে যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামে একটি ড্রোন তৈরি করে তা নিজেদের সামরিক অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করেছে বলে দাবি করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি।

 

বিজ্ঞাপন

শনিবার ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খোররামাবাদে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি। জেনারেল মুসাভি বলেন, ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের অগ্রগতির পেছনে দেশটির তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দীর্ঘদিনের সামরিক অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব প্রচেষ্টার ফলে ইরানের ড্রোন বহর এখন দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

 

ইরানের কাছে বিভিন্ন ধরনের শাহেদ সিরিজের ড্রোন রয়েছে উল্লেখ করে মুসাভি বলেন, এগুলোর কিছু সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। অন্য কিছু ড্রোন মূলত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয়।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন সক্ষমতা প্রসঙ্গে আইআরজিসির এই কমান্ডার দাবি করেন, ওয়াশিংটন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর নকশা ও সক্ষমতার অনুকরণ করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি ড্রোনটির আদলে ‘লুকাস’ নামের একটি ড্রোন তৈরি করে সেটিকে নিজেদের সামরিক অস্ত্রভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে।

 

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোনের সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ১’-এর কথাও উল্লেখ করেন মুসাভি। তিনি বলেন, ওই অভিযানে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের নিজস্বভাবে পরিচালিত ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল এবং পুরো অভিযানেই ইরানের দেশীয় ড্রোন প্রযুক্তির সক্ষমতা তুলে ধরা হয়।

 

সূত্র: তাসনিম নিউজ