মুসলিম দেশগুলোর সম্পদ ও কাঁচামাল লুট করতে শত্রুরা তৎপর বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ‘অন্যায্য নিষেধাজ্ঞা’ মোকাবিলায় পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানি ও ইরাকি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন গালিবাফ।
এর একদিন আগে ইরানের ওপর এখন পর্যন্ত ‘সবচেয়ে কঠোর’ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি জানান, নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলোর বিস্তারিত আগামী সোমবার প্রকাশ করা হবে। তার দাবি, এসব অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমতে পারে।
ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তেহরানের প্রধান আলোচক গালিবাফ বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
তিনি অভিযোগ করেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতে ইরান ও ইরাককে পরাজিত করতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন অর্থনৈতিক ও ‘কগনিটিভ’ বা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালাচ্ছে।
গালিবাফ বলেন, মুসলিম দেশগুলোর সম্পদ ও কাঁচামালের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, শত্রুরা সেগুলো লুট করতে চায়। তাই ‘অন্যায্য নিষেধাজ্ঞা’ মোকাবিলায় এখনই পরিকল্পনা নিতে হবে, যাতে এসব নিষেধাজ্ঞা অতিক্রম করা যায়।
এ সময় ইরান ও ইরাকের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানান গালিবাফ। দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারেরও প্রস্তাব দেন তিনি।